ঢাকা, মঙ্গলবার 01 August 2017, ১৭ শ্রাবণ ১৪২8, ৭ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কলারোয়ায় কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা : কলারোয়ার জালালাবাদ ইউনিয়নে কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে গত ২৬ জুলাই পৃথক ভাবে ৩৩ জন শ্রমিক স্বাক্ষরিত দুটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জালালাবাদ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বাটরা গ্রামের কর্মসৃজন প্রকল্পে ৪০ জন শ্রমিক রয়েছে। কিন্তু এরমধ্যে স্থানীয় নেতাদের আর্শিবাদ পুষ্ট ৭ জন শ্রমিক কোন কাজ না করে সরকারী টাকা গ্রহণ করে। সরকারী বিধি অনুযায়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তর থেকে প্রকল্পে কর্মরত শ্রসিকদের স্ব স্ব ব্যাংক একাউণ্টে টাকা জমা দেওয়া হয়। শ্রমিকরা চেকের মাধ্যমে স্ব স্ব একাউণ্ট থেকে তাদের মুজুরীর টাকা গ্রহণের কথা। কিন্তু জালালাবাদ ইউনিয়নের ৭নং বাটরা ওয়ার্ডের সমস্ত শ্রমিকদের মাষ্টার রোল রুপালী ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। ব্যাংক এই মাষ্টার রোল অনুযায়ী পে-অর্ডারের মাধ্যমে সমস্ত শ্রমিকদের টাকা এক সংগে প্রদান করে। চেয়ারম্যান বা মেম্বরের নিজস্ব শ্রমিকরা ব্যাংক থেকে এই উত্তোলন করে। এই টাকা নিয়ে পিছনে দাড়ানো ইউপি চেয়ারম্যান এবং মেম্বরের হাতে দেওয়া হয়। এভাবে চেয়ারম্যান মেম্বর টাকা কেটে নেওয়ার সুযোগ গ্রহণ করে। ৪০ দিনের কাজে ২’শ টাকা হারে মোট ৮ হাজার টাকা প্রাপ্য হলেও ১ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা রেখে বাকী ৭ হাজার টাকা পরিশোধ করার কথা। জালালাবাদ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এবং ৭,৮ও ৯ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বর নাজমা খাতুন শ্রমিকদের হাতে ৭ হাজার টাকার স্থলে ব্যক্তি বিশেষে ৫,৯০০ টাকা থেকে ৬,২০০ টাকা দিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এব্যাপারে কথা বলার জন্য জালালাবাদ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের মোবাইলে সংযোগ পাওয়া যায় নি। জালালাবাদ ছাড়াও কলারোয়ার আরো কয়েকটি ইউনিয়নে একই ভাবে কর্মসৃজনের অতি দরিদ্র জনগোষ্টির শ্রমের মুজুরী আত্মসাত করা হয়েছে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সুত্রে জানা গেছে। রুপালী ব্যাংকের ম্যানেজার জানান, তিনি কলারোয়ায় যোগদানের আগে থেকে মাষ্টার রোলের মাধ্যমে কর্মসৃজনের টাকা প্রদান করা হচ্ছে। তিনিও একই ভাবে টাকা প্রদান কওে আসছেন। এব্যাপারে টেলিফোনে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তওে যোগাযোগ করা হলে স্যার মিটিং আছেন বলে জানানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ