ঢাকা, বুধবার 02 August 2017, ১৮ শ্রাবণ ১৪২8, ৮ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

দেশের কথা ॥ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

সরকারি হাসপাতাল ও বিদেশে চিকিৎসা প্রসঙ্গে
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী ছিলাম। এসএম হলে একটি নাটক দেখেছি। নাটকের নাম ডাক্তার ডাকাত। প্রাইমারী হতে সরকারী মেডিকেল পর্যন্ত জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় লেখাপড়া করে সরকারী হাসপাতালে চাকরি করা পর্যন্ত ১৩টি পয়েন্টে ডাকাতি করছে। তাই সরকারী হাসপাতালের নাম দিয়েছে রোগী নির্যাতন সেন্টার। কারণ যত বেশি রোগী নির্যাতন হবে ততই, প্রাইভেট হাসপাতালে যাবে রোগীরা। আমার বয়স ৭১ বছর। ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, হাড় ক্ষয়, সর্বশেষ ডান হাতের আঙ্গুল কাঁপুনি বন্ধ করার জন্য ১১/০৭/২০১৭ ইং তারিখ সকালে শের-ই-বাংলা নগর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সাইন্স ও হাসপাতালে ১০ টাকা দিয়ে ৪১১৫৭/১৪২ নং একটি টিকিট ক্রয় করে ১০৪ নং কক্ষের গেইটম্যানের নিকট টিকিটি জমা দেই। বেলা ১টা যখন আজান হয় তখন দেখলাম নামাজ পড়তে হবে খাইতে হবে ইত্যাদি অসুবিধার কারণে টিকিট নিয়ে চলে আসি। ১২/০৭/২০১৭ ইং তারিখে আসরের নামাজের পর ফুয়াদ আল খতিব ইবনেসিনা হাসপাতাল, কল্যাণপুরে ঐ নিউরো সাইন্স হাসপাতালের ডা. আফজাল মমিন, সহযোগী অধ্যাপককে দেখালাম। জামাই আদরে দেখল। ৭০০ টাকা গেইটে দাবি করলো, বললাম আমার ছেলে উক্ত হাসপাতালের সৈয়দ মাহাবুবুর রহমান একাউন্টস ম্যানেজার, স্টাফ ফ্যাসিলিটি দেন। ডা. বলছে তা হবে না। আমি বললাম, আমার কাছে মাত্র ৫০০ টাকা আছে। ডাক্তারকে অনুরোধ করে উক্ত ৫০০ টাকা দিয়ে মুক্তি পেলাম।
সরকারী হাসপাতালে রোগী নির্যাতনের খবর প্রায় সাংবাদিকরা পত্রিকায় লিখেন। চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী। বঙ্গবন্ধু বলেছেন, সবাই পেয়েছে স্বর্ণের খনি আমি পেয়েছি চোরের খনি।
অতএব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নিকট আমাদের দাবি (১) সরকারী ও বিরোধী দলের এবং ধনী ব্যক্তিদের বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে। কারণ তারা জানে না গরীব দুঃখীরা কত কষ্ট করে। (২) জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় সরকারী মেডিকেল কলেজে পড়ে যারা ডাক্তার হয় তারা সরকারী হাসপাতাল ছাড়া প্রাইভেট হাসপাতালে ও নিজস্ব চেম্বারে রোগী দেখতে পারবে না। কারণ তারা জনগণের গোলাম। গোলাম জমিদার সাজিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা করে। (৩) দুর্নীতি দমন কমিশন না বলে দুর্নীতি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড বলা উচিত। কারণ স্বাধীনতা সংগ্রামের পর হতে সকল বিভাগের আমলারা বেতনের অতিরিক্ত যে সম্পদ গড়ছে তা বাজেয়াপ্ত করলে ২০০ বছর দেশ চালাতে জনগণের ট্যাক্স লাগবে না। তাই উক্ত বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সরকারী বেতন বন্ধ করে দুর্নীতির সম্পদ উদ্ধার করে তার থেকে তাদের বেতন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হোক।
-সৈয়দ মো: ইছমাইল, সভাপতি, ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদ, গ্রাম-নাওড়ী, পো:-নাওড়ী সৈয়দ বাড়ী মাদ্রাসা, ১০ নং আমিশাপাড়া ইউনিয়ন, থানা ও উপজেলা সোনাইমুড়ী, জেলা-নোয়াখালী। মোবা: ০১৮১৫০৭৫৯৭১
একজন
মুক্তিযোদ্ধার
ফরিয়াদ
আমি আবুল কাশেম, পিতা মৃত মফিজ উল্লাহ, গ্রাম-নাওড়ী (মহাবউদ্দিন হাজীবাড়ী), ১০ নং আমিশাপাড়া ইউনিয়ন, ডাকঘর-নাওড়ী, উপজেলা-সোনাইমুড়ী, জেলা-নোয়াখালী। জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৭৫১৮৩১৫৬০৬৯৯৬, ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করি ওসমানী সনদ নম্বর-৫২৪২৯, তিনজন সহমুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। যথা: (১) আলী আক্কাস, গেজেট নং-১৭৪৩, (২) নুরু নবী, গেজেট নং-০২০৯০২০৫৪ (৩) মুনছুর আহম্মেদ, গেজেট নং-১৭৪৬। যুদ্ধকালীন প্রশিক্ষণ শিবিরের নাম: আসাম লায়লাপুর বন, ভারত, প্রশিক্ষকের নাম: হনুমান। আমি ১৯৭১ইং সনে যুদ্ধের সময় মুনছুর আহম্মেদের সাথে বিশেষ গেরিলা বাহিনীর সদস্য ও একজন সক্রিয় যোদ্ধা হিসাবে প্রত্যয়নপত্র দেন তিনি। আমি প্রথমে ফেনী মাইজদী জের গারৎ, পরে বজরা হাসপাতাল এলাকায় ছিলাম। আমার কমান্ডার ছিলেন আব্দুল মান্নান। যুদ্ধকালীন সময় আমার প্লাটুন কমান্ডার ছিল লুৎফর রহমান সুবেদার। ২নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর হায়দার। ইউনিয়ন কমান্ডার লুৎফুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আমাকে প্রত্যয়নপত্র দেন। বর্তমানে ৪ (চার) ছেলে, ০২ (দুই) মেয়ে। ০৩টি ছেলেই বেকার, আমিও সামান্য একজন দিনমজুর। ছোট মেয়ে শিমু আক্তার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারছি না। আমি ও আমার স্ত্রী দুজনেই বিভিন্ন রোগে ভুগছি। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না।
সাধারণ ও গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয়া, ভাতার জন্য উপজেলা সোনাইমুড়ী প্রকৃতি মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করি।
 সর্বশেষ আপিল দায়ের ফরম ক-১ মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই নির্দেশিকা-২০১৬ এর বিধানমতে ঢাকাস্থ কাকরাইলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে ০৯/০৭/২০১৭ইং তারিখে ২০১৬১ নম্বর ক্রমিকে আবেদন করি।
অতএব, সরকারের নিকট আমার আকুল আবেদন, জরুরি ভিত্তিতে তদন্তের নির্দেশ দিয়ে আমার নাম গেজেটভুক্তের নির্দেশ দানে আমার মুক্তিযোদ্ধা ভাতার ব্যবস্থা করে একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ৬/৭ জন লোককে ভিক্ষার হাত হতে বাঁচানোর জন্য আকুল আবেদন করছি।
-মো. আবুল কাশেম, পিতা-মৃত মফিজ উল্লাহ, গ্রাম-নাওড়ী (মহাবউদ্দিন হাজীবাড়ী), ১০ নং আমিশাপাড়া ইউনিয়ন, ডাকঘর-নাওড়ী, উপজেলা-সোনাইমুড়ি, জেলা-নোয়াখালী, মোবাইল: ০১৮২৮-৭৩৫২৮৫।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ