ঢাকা, বৃহস্পতিবার 03 August 2017, ১৯ শ্রাবণ ১৪২8, ৯ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিততে চাই -হাথুরুসিংহে

স্পোর্টস রিপোর্টার : অস্ট্রেলিয়া সিরিজকে সামনে রেখে তিন সপ্তাহ আগে থেকে শুরু হয়েছিল ক্রিকেটারদের ফিটনেস ক্যাম্প। মারিও ভিল্লাভারায়নের অধীনে কন্ডিশনিং ক্যাম্প শেষ হতে না হতেই ঢাকায় ফিরেছেন প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। এসেই তিনি শুরু করেছেন ব্যাটে-বলে অনুশীলন। দলের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করার পর গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে হাথুরুসিংহে। আর তিনি এই সিরিজ নিয়ে অনেক বড় স্বপ্ন দেখান। বাংলাদেশ কোচ অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে চান সিরিজের দুটি ম্যাচেই। গতকাল বৃষ্টি থাকলেও ইনডোরে রুদ্ধদার অনুশীলন করিয়েছেন নিজের শিষ্যদের। দুপুর আড়াইটার দিকে মিরপুর স্টেডিয়ামের মিডিয়া লাউঞ্জে এসে উপস্থিত হন টাইগার কোচ হাথুরু। এরপর নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন তিনি। কয়েকদিন আগেই অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা পরিদর্শক দল বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। টেস্ট সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল আসবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে অসিরা আসবে এই প্রত্যশা রেখেই আসন্ন দুটি সিরিজে দলের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন টাইগার কোচ। আসন্ন দুটি টেস্ট সিরিজের পরিকল্পনা নিয়ে হাথুরুসিংহে বলেন, ‘মনে হয় টেস্ট ক্রিকেটে আমরা কিছুটা উন্নতি করেছি। এখন উপমহাদেশে আমাদের ম্যাচ জয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আমরা দুটি টেস্টই জিততে চাই।’ অস্ট্রেলিয়া সিরিজের মাসখানেক পর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ। ওখানকার কন্ডিশন বিশ্বের প্রায় সব দলের জন্যই বেশ কঠিন। তবে মানিয়ে নেয়ার কথা জানিয়ে হাথুরুসিংহে বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে মানিয়ে নেয়া কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবে সেখানেও আমাদের মানিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা থাকবে। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমে টেস্ট শুরুর দুই সপ্তাহ আগের সময়টা আমাদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।’ স্কিল ও ফিটনেস ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যত ক্রিকেটারদের। প্রাথমিক ভাবে এই দলে অন্তর্ভুক্ত ছিল ২৯ জন ক্রিকেটার। সংখ্যাটি ক্রমেই বাড়ছে। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের জন্য এখান থেকেই বাছাই করা হবে যোগ্যদের। তবে শুধু আসন্ন দুটি সিরিজিই নয় ২০১৯ বিশ্বকাপকে নজরে রেখেই ক্রিকেটার তৈরির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। ভবিষ্যত ক্রিকেটারদের প্রসঙ্গে হাথুরুসিংহে বলেন, ‘আমরা বড় কিছু চাইছি বলেই ২০ জনের বেশি খেলোয়াড় এখানে অন্তভূর্ক্ত করেছি। আমাদের আসল নজর ২০১৯ বিশ্বকাপ। সব ছেলেরাই বেশ মনযোগ দিয়ে অনুশীলন এবং খেলা চালিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুশীলন করলে তারা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে আরও ভালো করে বুঝতে পারবে।’ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের প্রস্তুতির প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে টাইগার কোচ বলেন, ‘ক্রিকেটারদের প্রচন্ড চাপ ও তীব্রতায় ভবিষ্যতের জন্য অভ্যস্ত হতে হবে। ট্রেনিংয়ের মান ততটা ভালো না হওয়ায় ঘরোয়া ক্রিকেটে ট্রেনিংয়ের সময় তাদের তীব্রতাটা তেমন থাকে না। তাই কঠিন বাস্তবতার জন্য তাদের প্রস্তুত হতে হবে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ