ঢাকা, মঙ্গলবার 08 August 2017, ২৪ শ্রাবণ ১৪২8, ১৪ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

যমুনার দু’পাড়ে পাল্লা দিয়ে চলছে নদী ভাঙন ॥ হারিয়ে যাচ্ছে ভিটেবাড়ি

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা: যমুনা নদীর দুপাড়েই পাল্লা দিয়ে চলছে নদী ভাঙন। প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো স্থানে ভাঙন ও দেবে যাচ্ছে। ভিটে বাড়ি হারিয়ে অসহায় হয়ে যাচ্ছে নদী তীরের সরল প্রাণ শত শত মানুষ। বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাক্ষুসী যমুনার আগ্রাসী থাবায় বিলীন হয়েছে চৌহালী উপজেলার মিস্ত্রিগাতী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ৬টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এছাড়া চৌহালী উপজেলার উত্তরে বোয়ালকান্দি থেকে দক্ষিণে পাথরাইল পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার এবং যমুনার পশ্চিম পাড় এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণগ্রাম থেকে দক্ষিনে পাচিল পর্যন্ত চলছে নদী ভাঙন।
ইতোমধ্যে বিলীন হয়েছে বহু ঘরবাড়ি, শতশত একর ফসলি জমি, কয়েকটি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এদিকে তাঁত শিল্প সৃমদ্ধ এনায়েতপুর থানা এলাকায় নদী ভাঙনরোধে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে দেশের সর্ববৃহৎ কাপড়ের হাট, আর্ন্তজাতিক মানের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়, বহু তাঁত কারখানাসহ অসংখ্য ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি। নদী পাড়ের বাসিন্দাদের আর্তি ত্রাণ চাই না তীর রক্ষা বাঁধ চাই। কিন্তু কে শোনে কার কথা। তবুও এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণগ্রাম, আড়কান্দি, কুঠিপাড়া, ভেকা ও পাচিল গ্রামের মানুষ তাদের শেষ স্মৃতি চিহৃটুকু টিকিয়ে রাখতে সরকারের নিকট আবেদন করেছেন নদী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মানের। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ আড়কান্দি চরের আফসার উদ্দিন, কমেলা খাতুন ও করিম খান বলেন, চৌহালী যমুনার ভাঙনে ভিটে বাড়ি নদীতে চলে যাচ্ছে অথচ তীর রক্ষায় নেয়া হচ্ছে না কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ।
কিন্তু ভোটের সময় সব নেতাই আসে নদী ভাঙন থেকে এলাকা রক্ষায় বাঁধ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। আমরা ভোটের সময় কোনো দলের প্রার্থীকেই এলাকায় টুকতে দেব না। যদি দ্রুত নদী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মানে উদ্যোগ নেয়া না হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ