ঢাকা, মঙ্গলবার 08 August 2017, ২৪ শ্রাবণ ১৪২8, ১৪ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নীলফামারীতে উজানের ঢলে তিস্তায় বাঁধ বিধ্বস্ত

নীলফামারী সংবাদদাতা : উজানের ঢলে তিস্তা নদীর প্রচণ্ড স্রোতের চাপের ধাক্কায় ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব খড়িবাড়ীতে তিস্তার নদীর ডাঁনতীরে তৈরি করা ২ কিলোমিটার মাটির বাধ একটি অংশ বিধ্বস্থ হয়েছে। গত ২ দিন ধরে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ উক্ত বাঁেধর ৯০ ভাগ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বাকী অংশ রক্ষায় তিনটি গ্রামবাসী আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
জানা যায়, ২০১৫ সালে ই্উএনডিপির অর্থায়নে, সিডিএমপি বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদ বাঁধ কাম রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছিল। টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব খড়িবাড়ী গ্রামে ২৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তিস্তার নদীর স্বপন বাধ সংলগ্ন ১হাজার ৯৮২ মিটার দীর্ঘ, ৪ মিটার প্রস্থ ও ২ মিটার উচ্চতায় বাধটিতে নতুন করে সংস্কার করা হয়। বাধটি ভেঙ্গে পড়ায় পূর্ব খড়িবাড়ী, দক্ষিন খড়িবাড়ী ও ছোটখাতা সহ তিন গ্রামের সহজ পথে চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়া ওই বাঁধ বা কাঁচা সড়কটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্থ হলে গ্রাম তিনটি তিস্তা নদীর বন্যায় তলিয়ে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। মাটির বাধটি ভেঙ্গে যাওয়ার পলে ৩টি গ্রাম বন্যার পানির তলিয়ে যাবে। টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন জানান, বাধটি রক্ষা করতে না পারায় ৩টি গ্রামের সহস্রাধিক পরিবারে বন্যার প্রবেশ করবে। বাধের ভেতরে শত শত একর জমির ফসলের বন্যার পানিতে ব্যাপক ক্ষতি হবে। এদিকে টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চরখড়িবাড়ী নামকস্থানে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত মাটির বাঁধটি যে কোনো সময় বিধ্বস্থ হতে পারে। এটি বিধ্বস্থ হলে একতার বাজার, জিঞ্জিরপাড়া, টাবুর চর, সানিয়াজানসহ ৮টি গ্রামের ১০ হাজার পরিবার বন্যা কবলিত হয়ে পড়বে।
বাঁধটি রক্ষার জন্য এলাকাবাসী আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, উজানের ঢলের পানির চাপে তিস্তা নদীর গতি ঘুরপাক খেতে শুরু করার কারণে বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গ শুরু হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ