ঢাকা, বৃহস্পতিবার 10 August 2017, ২৬ শ্রাবণ ১৪২8, ১৬ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নাটোরে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি

নাটোর সংবাদদাতা : নাটোরের বড়াইগ্রামের কৃষক উমেদ আলী চায়না হত্যা মামলার রায়ে তোফাজ্জল হোসেন নিজাম নামে একজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হাসানুজ্জামান এই আদেশ দেন। মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০০৬ সালের ২ অক্টোবর নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার দোগাছি গ্রামে জাল চুরির অভিযোগে ডাকা এক শালিসে উমেদ আলী চায়নাকে গুলি করে হত্যা করে একই গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন নিজাম। পরে এ ঘটনায় নিহত উমেদ আলীর ভাই কুমেদ আলী বাদি হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০৭ সালের ২০ জানুয়ারি ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয়। পরে সাক্ষ্য প্রমাণ ও শুনানী শেষে আদালত বুধবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। রায়ে বিচারক তোফাজ্জল হোসেন নিজামের ফাঁসির আদেশ দেন এবং একজনের মৃত্যু হওয়ায় অন্য ২০ জনের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের সবাইকে বেকসুর খালাসের আদেশ দেন।

তিন নারীসহ পাঁচ জঙ্গির হাজিরা : কুষ্টিয়ার ভেড়ামায়ায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার হওয়া নব্য জেএমবির সদস্য তিন নারী সহ পাঁচ জঙ্গিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে নাটোরের আদালতে হাজির করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে নাটোরের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মাহমুদা খাতুন সুমাইয়া, ডালিয়ারা খাতুন কলি, জাহানারা আখতার তিথি, শহিদুল ইসলাম বড় এবং শহিদুল ইসলাম ছোটকে হাজির করা হয়। শুনানী শেষে আদালতের বিচারক রবিউল ইসলাম গ্রেফতারকৃত নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামের খবির উদ্দিনের ছেলে শহিদুল ইসলামকে তিন দিনের পুলিশী রিমান্ডের আদেশ এবং বাকিদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। গত ১ জুলাই জঙ্গি কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এক অভিযানে সুমাইয়া সহ আরো দুই নারীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও বিস্ফোরক দ্রব্য  আইনে মামলা করা হয়। অন্যদিকে গত ১ আগষ্ট নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামের খবির উদ্দিনের ছেলে শহিদুল ইসলামকে এবং ১৩ জানুয়ারী নাটোর সদর উপজেলার চাঁদপুর এলাকা থেকে শহিদুল ইসলাম নামে আরেক জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে দায়েরকৃত সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হাই আসামী শহিদুল ইসলামের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। বিচারক শুনানী শেষে শহিদুল ইসলামের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ