ঢাকা, বৃহস্পতিবার 10 August 2017, ২৬ শ্রাবণ ১৪২8, ১৬ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

গত নয় মাসে খুলনায় ৭১ খুন

খুলনা অফিস : গত নয় মাসে কেএমপি’র ৮ থানা ও জেলার ৯ থানায় ৬৬ নারী ধর্ষণ এবং ৭১ নারী-পুরুষ খুনের ঘটনা ঘটেছে। অপরাধের তালিকায় পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া উপজেলা শীর্ষে রয়েছে। এসব মামলার চার্জশীট এখন প্রস্তত হয়নি। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কর্মকর্তারা বলেছেন অধিকাংশ ধর্ষণ প্রমাণিত হচ্ছে না। জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা আইনশৃঙ্খলা সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেছেন। জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক প্রতিবেদনে ধর্ষন ও খুনের এ পরিসংখ্যানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গেল বছরের নবেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে ৭ ধর্ষণ, ১৪ খুন, জানুয়ারী থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ৪১ ধর্ষণ, ৩৬ খুন, মে মাসে ৬ ধর্ষণ, ৬ খুন, জুন মাসে ৪ ধর্ষণ, ৮ খুন, জুলাই মাসে ৮ ধর্ষণ, ৭ খুনের ঘটনা ঘটে। এছাড়া জুলাই মাসে একটি দেশী তৈরি স্যুটার গান, একটি একনলা পাইপগান ও একটি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচকরা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। আইন শৃঙ্খলাকারী বাহিনীর সর্তকতার কারণে গেল ঈদের বাজারে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
কেএমপি’র উপ-কমিশনার এস এম ফজলুর রহমান আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উল্লেখ করেন, সব ধরনের অপরাধ তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। মাদক ও জঙ্গি প্রতিরোধে কেএমপি’র সদস্যরা সর্তকতা অবলম্বন করছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোয়েন্দা) সিএ হালিম উল্লেখ করেন, ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বেড়েছে। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য এবং পারিবারিক বিরোধের প্রতিশোধ নিতে এমন মামলা বাড়ছে। তদন্তে সত্যতা প্রমাণ পাওয়া যায় না। তবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত চলছে। আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা জামিন এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রেম-ভালোবাসার এক পর্যায়ে মনোমালিন্য হলে নারীর পক্ষ থেকে ধর্ষণ মামলা করা হচ্ছে। ঘটনা স্থলে তদন্তে যেয়ে প্রমাণ পাওয়া কষ্টসাধ্য হচ্ছে।
পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান স ম বাবর আলী আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উল্লেখ করেন, দু’একটি এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। তিনি অপরাধীকে চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ