ঢাকা, বৃহস্পতিবার 10 August 2017, ২৬ শ্রাবণ ১৪২8, ১৬ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

খুলনা সিটি গার্লস কলেজের প্রদর্শকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

খুলনা অফিস : বিএসসি পরীক্ষার জাল নম্বরপত্র জমা দিয়ে সিটি গার্লস কলেজে রসায়ন বিভাগের প্রদর্শক হিসেবে মো. ওমর ফারুক চাকরিতে যোগদান এবং ১৩ লক্ষ ২২ হাজার ৫৭০ টাকা সরকারি বেতন ভাতা গ্রহণের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক রাজ কুমার সাহা বাদি হয়ে দন্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।  মঙ্গলবার দুদকের কোর্ট জিআরও মো. মোকলেছুর রহমান মামলার নথি মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে উপস্থাপন করেছেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মো. ওমর ফারুক নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন বানরগাতি এলাকাস্থ সিটি গার্লস কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রদর্শক হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। সে নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধীন ৯/১ গোবরচাকা মেইন রোডের বাসিন্দা ও নড়াইলের নড়াগাতি যোগানিয়ার বাসিন্দা মৃত. রমজেত আলী বিশ্বাসের ছেলে। ২০১৪ সালের ৩ নবেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক টুটুল কুমার নাগ ও সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মো. দাউদ হোসেন সিটি গার্লস কলেজে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করেন। এরপর ২০১৫ সালের ২৫ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উক্ত পরিদর্শন ও নিরীক্ষার প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, খুলনা সিটি গার্লস কলেজে রসায়ন বিভাগের প্রদর্শক মো. ওমর ফারুক ১৯৯১ সালের তার বিএসসি পরীক্ষার জাল নম্বরপত্র তৈরি করে চাকরিতে যোগদান করেছেন। এ ঘটনায় তাকে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কলেজ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তবে চাকরিতে জাল নম্বরপত্র ব্যবহার করে যোগদান ও চলতি বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সরকারি বেতন ভাতা হিসেবে তিনি ১৩ লক্ষ ২২ হাজার ৫৭০ টাকা গ্রহণ করায় তার বিরুদ্ধে গত ৩ আগস্ট মামলাটি দায়ের করা হয় (নং-০৬)।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ