শুক্রবার ২৩ এপ্রিল ২০১০
Online Edition

এনসিএলে পৌনে বার লাখ টাকার টিকিট বিক্রি

স্পোর্টস রিপোর্টার : এনসিএলে পৌনে বার লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল শেষ হয়েছে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ডেসটিনি গ্রুপ এনসিএল। সফলভাবেই শেষ হয়েছে এনসিএল। ফাইনালে রাজশাহী রেঞ্জার্স ৬ উইকেটে কিংস অব খুলনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। এনসিএলের ফাইনালে দর্শকদের মাঠে উপস্থিত ছিল প্রত্যাশা অনুযায়ী। এনসিএল থেকে মোট আয়ের প্রায় অর্ধেক হয়েছে ফাইনাল থেকে। ফাইনালে আয় হয়েছে ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। গত ১১ এপ্রিল থেকে শুরু হয় বিগ বাজেটের ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন আসর এনসিএল টি-টোয়েন্টি লীগ। জাতীয় দলের ক্রিকেটার আর সব দলগুলোকে সমশক্তিতে রূপ দেয়ায় এনসিএল নিয়ে ক্রিকেট ভক্তদের প্রত্যাশা ছিল অনেক। ১০ দিনের এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট নিয়ে মেতেছিল ক্রিকেট ভক্তরা। এনসিএলকে সার্থক করতে ক্রিকেট বোর্ড আর কর্মকর্তাদের আগ্রহের কমতি ছিল না। তাই সফলভাবেই শেষ হয়েছে এই আসর। এনসিএল থেকে মোট আয় হয়েছে পৌনে বার লাখ টাকা। ১১-১৩ এপ্রিল আয় হয়েছে ১,৬১,৩০০ টাকা। ১৫-১৯ এপ্রিল পর্যন্ত আয় হয়েছে ৩,৯৭,০০০ টাকা। আর ফাইনাল থেকে আয় হয়েছে ৫,৮৫,০০০ টাকা। গতকাল ক্রিকেট বোর্ড সূত্র থেকে এ তথ্য দেয়া হয়েছে। ভারতের আইপিএল, আইসিএল আর চট্টগ্রামের পিসিএলের পর ক্রিকেট বোর্ড এনসিএল করার সিদ্ধান্ত নেয়। সময় কম থাকার কারণে মাত্র ১১ দিনেই শেষ করতে হয়েছে এনসিএল আসর। কারণ টোয়েন্টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল দু'এক দিনের মধ্যেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বে। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের দিয়ে এনসিএল জাঁকজমক করতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজে যাওয়ার আগে লীগ শেষ করা হয়েছে। সময় কম হলেও এনসিএল সফলভাবে শেষ করতে সমস্যা হয়নি ক্রিকেট বোর্ডের। গত বছর চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা প্রথমবারের মতো আয়োজন করে পোর্ট সিটি টোয়েন্টি-২০ ক্রিকেট লীগ (পিসিএল)। প্রথমবার সফলভাবে সমাপ্তির পর এবার বিদেশের মাটিতে (শারজায়) আয়োজন করা হয় পিসিএল আসর।বিদেশের মাটিতেও সফলভাবে শেষ হয় পিসিএল আসর। তাই ক্রিকেট বোর্ড জাতীয় ক্রিকেট লীগে নতুনভাবে মুক্ত করে এনসিএল টি-টোয়েন্টি লীগ। ছয়টি বিভাগীয় দল নিয়ে আয়োজন করা এনসিএলে ছিল টাকার খেলা। প্রতিটি বিভাগীয় দল বিক্রি হয়েছে ৬৫ লাখ টাকায়। আর টাইটেল স্পন্সর মানি ছিল দেড় কোটি টাকা। ডেসটিনি গ্রুপ দেড় কোটি টাকা দিয়ে এনসিএলের টাইটেল স্পন্সর হয়। ক্রিকেটাররাও এই আসর থেকে আয় করেছে প্রচুর টাকা। দর্শক মাঠে টানতে টিকিটের দাম নাম মাত্র করা হয়। তবুও এই আসর থেকে টিকিট বাবদ আয় হয়েছে পৌনে বার লাখ টাকা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ