ঢাকা, মঙ্গলবার 22 August 2017, ০৭ ভাদ্র ১৪২8, ২৮ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ঝালকাঠিতে তৈরি হচ্ছে বন্যা সহিষ্ণু অর্ধশতাধিক ‘ভাসমান বীজতলা’

ঝালকাঠি সংবাদদাতা: ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার আনইলবুনিয়া আর জয়খালী গ্রাম। বিষখালী তীরের এই গ্রামের কৃষিজমি জোয়ারে ডুবছে। বিশাল কৃষিজমিতে পানি থইথই। দেখলে মনে হবে বিশাল সমুদ্র। সেই সমুদ্রের মাঝেমধ্যে একখ- সবুজের হাতছানি। কলার ভেলায় বিশাল সমুদ্রে ভেসে বেড়াচ্ছে বীজতলাটি। গাঢ় সবুজের সেই রোপা আমন বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে দিগিবদিক। যখন ভাটার সময়, তখনো ক্ষেতে হাঁটুপানি। ক্ষেতের আগাছা মাথা উঁকি দিয়ে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছে। সেই আগাছা ভেদ করে বীরদর্পে তখনো ভাসমান বীজতলা। অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ডুববে না। সেচের প্রয়োজন পড়বে না। কীটনাশক ছিটাতে হবে না।
সারের প্রয়োজন হবে না। এমন বীজতলা এত দিন ছিল কৃষকদের স্বপ্নে। সেই স্বপ্নের বীজতলা বাস্তবেই তৈরি করছে কৃষকরা। দু-একটি নয়, এমন অর্ধশত বীজতলা তৈরি হয়েছে ঝালকাঠিতে। এ বছরই নয়, গত বছর অন্তত ৬০টি স্থানে বন্যা সহিষ্ণু ভাসমান বীজতলা তৈরি করেছিল প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের অনুসরণ করেই চলতি আমন মৌসুমে দেশের বন্যা কবলিত ১৪ জেলার ৫৬টি উপজেলায় ৭২০টি ভাসমান আমনের বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে। এসব বীজতলায় উৎপাদিত আমন চারা বিনা মূল্যে বিতরণ করা হবে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ বলছে, বন্যা এলাকার কৃষকরা যেন রোপা আমনের চাষ করতে পারে, এ জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চারা বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ