ঢাকা, বুধবার 21 November 2018, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

১০ বছরে পা দিলো #হ্যাশট্যাগ

অনলাইন ডেস্ক : সংবাদ প্রচার, অধিকার আদায়, প্রতিবাদ - অনলাইনে নানা কাজেই ব্যবহার হয়েছে হ্যাশট্যাগ৷ অনেকেই এখনো মন থেকে মেনে নিতে পারেননি ইন্টারনেটের এমন অদ্ভুত এক চরিত্রকে৷ অতি এবং অপব্যবহার মাঝে মাঝে অনেকের বিরক্তির কারণও হয়ে ওঠে৷

গতকাল ১০ বছরে পা দিলো হ্যাশট্যাগ৷

শুরুতে অনেকেই # চিহ্নটি সংখ্যা বা পাউন্ড চিহ্নের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতেন৷ কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বহুল ব্যবহারের ফলে এখন হ্যাশ আর শুধু চিহ্ন হিসেবে নেই৷ এটি পরিণত হয়েছে হ্যাশট্যাগে৷

১০ বছর আগে ২০০৭ সালের ২৩ আগস্ট৷ মার্কিন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ক্রিস মেসিনা টুইটারে গ্রুপ তৈরির মাধ্যম হিসেবে হ্যাশট্যাগের ব্যবহারের প্রস্তাব করেন৷

তবে এই প্রস্তাবে সাড়া পেতে অপেক্ষা করতে হয় আরো প্রায় দুই বছর৷ ২০০৯ সালের ২ জুলাই টুইটার আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যাশট্যাগে স্বয়ংক্রিয় হাইপারলিংকের ব্যবহারের ঘোষণা দেয়৷

আগের সব জনপ্রিয় গ্রুপ, যেমন Follow Fridays পরিবর্তন করে এক শব্দে হ্যাশট্যাগ দিয়ে #FollowFridays নামে ব্যবহার শুরু হয়৷ অন্য সব জনপ্রিয় আলোচনাও ধীরে ধীরে হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে এক জায়গায় জড়ো হতে থাকে৷

২০১০ সালে ‘টুইটার ট্রেন্ডিং টপিকস' নামে একটি বিষয় প্রথম পাতায় যোগ করে৷ এর ফলে সবচেয়ে জনপ্রিয় আলোচনার বিষয়গুলি ব্যবহারকারীরা সহজেই হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে দেখে নিতে পারেন৷

ফটো শেয়ারিং প্ল্যাটফরম ইনস্টাগ্রাম, যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, স্ন্যাপচ্যাট এবং গুগল প্লাসও লুফে নেয় হ্যাশট্যাগকে৷ ধীরে ধীরে ইংরেজির পাশাপাশি অন্য ভাষার ব্যবহারকারীরাও আগ্রহী হয়ে ওঠে হ্যাশট্যাগ ব্যবহারে৷

এখন অনেকেই হ্যাশট্যাগ ছাড়া কোনোকিছু শেয়ার করার কথা ভাবতেই পারেন না৷ সূত্র: ডয়েচে ভেলে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ