ঢাকা, শুক্রবার 25 August 2017, ১০ ভাদ্র ১৪২8, ০২ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ঝালকাঠির ৩টি উপজেলায় বোরো ধান সংগৃহীত হয়নি

 

মোঃ আতিকুর রহমান, ঝালকাঠি: ঝালকাঠি জেলায় ১ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রম। যা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ২ মাস সময় নির্ধারণ করে সরকার। কিন্তু সে নির্ধারিত সময়ের শেষ পর্যায়ও অতিবাহিত হতে চলছে। জেলার  ৩ টি উপজেলা থেকে ১ ছটাকও ধান সংগ্রহ করতে পারেনি জেলা খাদ্যবিভাগ। 

সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ঝালকাঠি জেলার ৪ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ২ হাজার ৪ শ ৬৫ মে. টন। এরমধ্যে অর্জিত হয়েছে ২শ’ ১১ মে. টন। তাও শুধুমাত্র সদর উপজেলা থেকে। সদর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১হাজার ২শ’ ৫৫ মে. টন, যা এক ষষ্ঠাংশেরও কম। জেলার অন্য ৩ উপজেলা নলছিটি উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১ হাজার ১ শ ৮৭ মে. টন, রাজাপুর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১৭ মে. টন, কাঁঠালিয়া উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৬ মে. টন। এ ৩ টি উপজেলায় ১ হাজার ২শ ১০ মে. টন লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ১ ছটাক পরিমাণেও  অর্জন করতে পারেনি জেলা খাদ্য বিভাগ। 

জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, সরকার নির্ধারণ করেছে বোরো ধানের কেজি প্রতি ২৪ টাকা দর। ১৪% আর্দ্রতা ও চিটা মুক্ত থাকতে হবে। কৃষকদের বোরো ধান গুদামে দিতে হবে। টাকার লেন-দেন হবে কৃষকের অ্যাকাউন্টে ব্যাংকের মাধ্যমে। কৃষক কাজী শাখাওয়াত হোসেন সেলিম জানান, বোরো ধান বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৩ টাকা দরে। তাতে আর্দ্রতা ও মানের কোন যাচাই-বাছাই নেই। বাড়িতে বসে অথবা বাড়ির পাশে সুবিধামতো স্থানে নিয়ে বিক্রি করে নগদ লেন-দেন করে ঘরে ফিরতে পারে। তারপরে আবার যখন বোরো  মৌসূমের ধান সংগ্রহ করা শুরু হয়েছে তাও শেষ সময়ে। যখন কৃষকরা ধান বিক্রি অথবা গুদামজাত করে ফেলেছেন। 

ঝালকাঠির ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং ঝালকাঠি খাদ্য গুদাম  (গ্রেড-১) এর সংরক্ষণ ও চলাচল কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হোসাইন জানান, এবছর সরকারী দর এবং বাজার দর প্রায় একই হওয়ায় কৃষকরা ধান নিয়ে আসছে না। 

যদি বাজার দর কম থাকতো তাহলে কৃষকরা আমাদের কাছে নিয়ে আসতো। শুধুমাত্র সদর উপজেলায় ২শ ১১ মে. টন অর্জিত হয়েছে। এছাড়া বাকি ৩ উপজেলায় কোন অর্জন নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ