ঢাকা, শনিবার 26 August 2017, ১১ ভাদ্র ১৪২8, ০৩ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

খুলনা ডুমুরিয়ায় আবাসিক কোয়ার্টারে চরম ঝুঁকিতে ২০ পরিবারের বসবাস

খুলনা অফিস: দরজা-জানালা নষ্ট, দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে, ভেঙ্গে পড়ছে ছাদও। এছাড়া ভবনের নিম্নাংশ মাটির নিচে ঢুকে পড়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সিঁড়ি পর্যন্ত পানি প্রবেশ করছে। ফলে প্রবেশ পথে উঁচু করে ইট বা কাঠ বিছিয়ে ঘরে ঢুকতে হচ্ছে ভবনে বসবাসকারীদের। এমনই ভয়াবহ চিত্র খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে প্রতিষ্ঠিত ডরমেটরীসহ ৭টি আবাসিক কোয়ার্টারের। তারপরও বেহাল ওই সব কোয়ার্টারে চরম ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে অন্তত ২০টি পরিবার। অবশ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। যার কারনে ভবনগুলোর আজ এ করুণ পরিণতি।
ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫ সালে ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের মধ্যে একটি ডরমেটরী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাসের জন্য (আবাসন ব্যবস্থা) শাপলা, মল্লিকা, পলাশ, বনলতা, সাগরিকা ও মালবিকা নামের  ৬টি কোয়ার্টার নির্মাণ করা হয়। দ্বিতল বিশিষ্ট ওই সব কোয়ার্টারে ৪টি করে ইউনিট রয়েছে। বর্তমানে ৫টি ভবনের ২০টি ইউনিটে মোট ২০টি পরিবার বসবাস করছে। যার মাধ্যমে প্রতি মাসে সরকারের মোটা অঙ্কের টাকা রাজস্ব আয় হচ্ছে। কিন্তু ৩২ বছর ধরে এ খাত থেকে সরকারের মোটা অঙ্কের টাকা রাজস্ব আয় হলেও ভবনগুলো মেরামতের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে সংস্কারের অভাবে বর্তমানে ওই সব কোয়ার্টারগুলো বেহাল অবস্থা। এর মধ্যে সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় মালবিকা নামের একটি কোয়ার্টার ইতোমধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এ অবস্থায় ভবনগুলোতে বসবাসরত অন্তত ২০টি পরিবারের আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটি ভবনের দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে, জানালা-দরজা নষ্ট হয়ে নড়বড় করছে, ছাদের পলেস্তারা খসে লোহার রডগুলো বেরিয়ে পড়েছে। এছাড়া ভবনগুলোর নিম্নাংশ মাটির নিচে ঢুকে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে সিঁড়ি পর্যন্ত পানি প্রবেশ করছে। ইট ও কাঠ বিছিয়ে পারাপারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ