ঢাকা, মঙ্গলবার 29 August 2017, ১৪ ভাদ্র ১৪২8, ০৬ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ১০ আসামীর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ১০ জনের ডেথ রেফারেন্সের নথি বিচারক আদালত থেকে হাইকোর্টে এসে পৌঁছেছে। বিচারিক আদালতে রায় ঘোষণার আটদিনে নথিগুলো এসেছে উচ্চ আদালতে। নিয়ম অনুযায়ী বিচারিক আদালতের মৃত্যুদন্ডের রায় কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। 

হাইকোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) সাব্বির ফয়েজ নথি আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ডেথ রেফারেন্সের অনুলিপি হাইকোর্টে এসে পৌঁছেছে। এখন এ মামলার পেপারবুক তৈরি হবে। এরপর প্রধান বিচারপতি শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেবেন।

গত ২০ আগস্ট গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মমতাজ বেগম। রায়ে অভিযুক্ত ১০ আসামীকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। গুলী করে প্রত্যেকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করারও আদেশ দেয় আদালত।

 মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামীরা হলেন-ওয়াসিম আখতার ওরফে তারেক হোসেন, মো. রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম, মো. ইউসুফ ওরফে আবু মুসা হারুন, শেখ ফরিদ ওরফে মাওলানা শওকত ওসমান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বক্কর, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই এবং মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু ওমর। এছাড়া মেহেদি হাসান ওরফে আবদুল ওয়াদুদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে। আনিসুল ওরফে আনিস, মো. মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান এবং সরোয়ার হোসেন মিয়াকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অনাদায়ে আরও এক বছরের দন্ড দেয়া হয়।

২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশের পাশে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়। শেখ লুৎফর রহমান মহাবিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি চায়ের দোকানের পেছনে এ বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় তৎকালীন কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন একটি মামলা করেন।

২০০১ সালের ৮ এপ্রিল আট জনকে আসামী করে মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হয়। পরে ২০০৯ সালের ২৯ জুন আরও নয় জনকে আসামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সম্পূরক চার্জশিট দেয় পুলিশ। এরপর ২০১০ সালে মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকা-২ ট্রাইবুনালে পাঠানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ