ঢাকা, বুধবার 06 September 2017, ২২ ভাদ্র ১৪২8, ১৪ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

এই পৈশাচিক বর্বরতার শেষ কোথায়

ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী : কেউ জানে না শেষ কোথায়। পৃথিবীর মুসলিম দেশগুলো জানে না। দুনিয়ার বড় বড় মোড়লে জানে না। জাতিসংঘ জানে না। কিন্তু এই পৃথিবীতে সাম্প্রতিককালে এমন বর্বর পৈশাচিক গণহত্যা আর ঘটেনি। দুনিয়ার আরও প্রান্তে প্রাস্তে নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ চলছে। হত্যাকাণ্ড চলছে ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান, লিবিয়া, ইয়েমেনে। আকস্মিক দু’চারটা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে পশ্চিমের সুরক্ষিত শহরে-নগরে। কিন্তু মিয়ানমারের সামরিক জান্তা আর সেখানকার বর্ণবাদী পিশাচ বৌদ্ধরা রাখাইনে যে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে, তা ছাড়িয়ে গেছে ভিয়েতনামের মাই লাই হত্যাকাণ্ডের নিষ্ঠুরতাকেও। মিয়ানমারের সামরিক জান্তা রাখাইন প্রদেশের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর যে বর্বর নিষ্ঠুর গণহত্যা চালাচ্ছে, তার কোনো তুলনাই হয় না। উপরে যে দেশগুলোতে হত্যাযজ্ঞ ছলছে বলে উল্লেখ করেছি, তার সবগুলো দেশই মুসলিম রাষ্ট্র আর হত্যাযজ্ঞের শিকার হচ্ছে মুসলমানরাই। সে কারণেই কি নীরব হয়ে আছে গোটা বিশ্ব আর বিশ্বসংস্থা?
ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় ১৯৬৮ সালের ১৬ মার্চ মার্কিন সেনাবাহিনী ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলে ৩৪৭ থেকে ৫০৪ জন অজ্ঞাত নিরস্ত্র সাধারণ ভিয়েতনামীকে নির্বিচারে হত্যা করেছিল। এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন নারী-পুরুষ, শিশু আর নবজাতকেরাও। এদের মধ্যে অনেক নারী মার্কিন বাহিনী কর্তৃক গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। পরে তাদের নিষ্ঠুর কায়দায় হত্যা করা হয়। যক্তরাষ্ট্র তবু এই হত্যাকাণ্ডের একটি লোক দেখানো বিচারের আয়োজন করেছিল। তাতে ২৬ জন সৈন্যকে অপরাধমূলক কর্মকান্ডের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু সাজা হয়েছিল শুধুমাত্র লেফটেন্যান্ট উইলিয়াম ক্যালি জুনিয়রের। প্রথমে তার যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়েছিল। কিন্তু মাত্র সাড়ে তিন বছর গৃহবন্দী থাকার পর তাকে মুক্তি দেয়া হয়। এই হত্যাকাণ্ডকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সব চেয়ে মর্মান্তিক ও ঘৃণ্য ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়।
ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রের এই হত্যাকাণ্ডের খবর পকাশিত হয়ে পড়লে এর বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালের নবেম্বরে সারা পৃথিবীতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। এমন কি মাই লাই হত্যাকাণ্ডের পর খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই এর বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন শুরু হয়। বিশ্ব মিডিয়াও এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী রিপোর্ট করতে শুরু করে। আর সেসব অনুসন্ধানের সূত্র ধরে বেরিয়ে আসে শুধু মাই লাই-ই নয়, মার্কিন বাহিনী এমনি আরও বহুসংখ্যক মাই লাই সৃষ্টি করেছিল। তাদের যুদ্ধের কৌশলই ছিল, কতো  বেশিসংখ্যক মানুষকে তারা হত্যা করতে পেরেছে। যত বেশি লাশ, ততো বেশি সফলতা। যুদ্ধের নিয়মানুসারে তারা কোনো নিরীহ নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করতে পারে না। কিন্তু মার্কিন সেনাবাহিনী ভিয়েতনাম যুদ্ধে যে নিরীহ মানুষকেই হত্যা করুক না কেন, তারা সব সময় বলতো, সেখানে মার্কিন বাহিনী তাদের অতো জন শত্রুকে ‘বধ’ করেছে। কিন্তু বিবিসির সাংবাদিক নিক টার্স তার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখিয়েছেন যে, মার্কিন বাহিনী মাই লাই-এর মতো শত শত গ্রামে নিরীহ নিরস্ত্র মানুষদের নির্বিচারে হত্যা করেছে। সৃষ্টি করেছে শত শত মাই লাই। আর তাই যুক্তরাষ্ট্রে মাই লাই হত্যাযজ্ঞ এক কলঙ্কের নাম। ভিয়েতনাম যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর লক্ষ্য ছিল যত বেশি সংখ্যক পারা যায়, ভিয়েতনামীকে হত্যা করা। তাদের ধারণা ছিল, মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধরত যত বেশি সংখ্যক ভিয়েতনামীকে হত্যা করা যাবে, ততোই তারা দুর্বল হবে। এবং এক সময় রণে ভঙ্গ দিয়ে যুদ্ধ গুটিয়ে নেবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রকে শোচনীয় পরাজয় বরণ করতে হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় বিশাবযুদ্ধের চেয়েও বহুগুণে ভয়াবহ ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রতিপক্ষের একজন সেনার ওপর যে পরিমাণ গোলাবারুদ ব্যবহার করা হয়েছিল, ভিয়েতনাম যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী ব্যবহার করেছে তার ২৬ গুণ গোলাবারুদ। হিরোশিমায় মার্কিন বাহিনী যে শক্তির আণবিক বোমা নিক্ষেপ করেছিল, ভিয়েতনামে ব্যবহার করেছিল তার ৬৪০ গুণ বেশি শক্তিশালী বোমা। সেখানে যুদ্ধরত মার্কিন বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল, যা কিছু নড়াচড়া করে, তােেকই ধ্বংস করে দাও। তা সত্ত্বেও ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৫৮ হাজার সৈন্য নিহত হয়েছিল। ২০ লক্ষ সাধারণ ভিয়েতনামী নিহত হয়েছিলেন। ৫৩ লক্ষ ভিয়েতনামী আহত হয়েছিলেন। আর এক কোটি ১০ লাখ ভিয়েতনামী নিজ দেশেই উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছিলেন।
কিন্তু মিয়ানমারের বর্বরতম সেনাবাহিনী ও সেখানকার শান্তিতে নোবেল পাওয়া অং সান সুচির সরকার রাখাইন প্রদেশের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর যে নির্যাতন ও গণহত্যা চালাচ্ছে, পৃথিবীর ইতিহাসে তার তুলনা বিরল। রাখাইনের প্রতিটি গ্রাম এখন এক একটি মাই লাই। মিয়ানমারের সরকার ও সেনাবাহিনী সেখানে অনুসরণ করছে পোড়ামাটি নীতি। তারা প্রতিটি গ্রামেই তৈরি করেছে এক একটি মাই লাই কাহিনী। জ্বালিয়ে দিচ্ছে গ্রামকে গ্রাম। কক্সবাজারের উখিয়া এলাকায় দাঁড়িয়েই দেখা যাচ্ছে গ্রামগুলো জ্বলছে। উঠছে আগুনের কু-লি আর ধোঁয়া। হাজারে হাজারে নারী শিশু বৃদ্ধ জীবন নিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে পালিয়ে আসছে তাদের শত শত বছরের মাতৃভূমি পেছনে ফেলে। সহায় সম্বল কিছু নেই। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমারের সেনা বাহিনী রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর এই নির্যাতন চালিয়ে আসছে। এক সময় তারা এক এক অজুহাত দেখায়। গত মাস থেকে তারা যে গণহত্যা পরিচালনা করছে, তার পক্ষে যুক্তি হিসেবে বলছে, সেখানে রোহিঙ্গারা তাদের সেনা চৌকির ওপর হামলা চালিয়েছে। কিন্তু এর সব অভিযোগই শেষ পর্যন্ত ধোপে টেকেনি। এগুলো সুচি বাহিনীর অজুহাত মাত্র। মিয়ানমার বাহিনী স্বীকার করেছে যে, তারা এ পর্যন্ত ‘মাত্র’ ৪০০ রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে।
মিয়ানমারের জনসংখ্যা ৫ কোটির কিছু ওপরে। আর সেখানে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা মাত্র ১২ লাখ। এদের প্রায় সকলেই শত শত বছর ধরে রাখাইন প্রদেশেই বসবাস করে আসছে। হামলা এই ১২ লাখের ওপরই। মাই লাই হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ হতে এক বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের খবর আসছে সঙ্গে সঙ্গেই, প্রতি মুহূর্তেই। প্রাণ বাঁচাতে এদের অনেকেই নৌকা নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যবর্তী নাফ নদীতে ভেসে পড়েছিল। কিন্তু বিরূপ আবহাওয়া ও সাগরের ঢেউয়ে নৌকাডুবিতে প্রাণ গেছে বহু রোহিঙ্গা মুসলমানের। নদীতে ভাসছে বহু শিশু নারী বৃদ্ধের লাশ। তীর জুড়ে আহাজারি আর শোকের ছায়া।
ফেসবুকে ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন রোহিঙ্গাদের ওপর সুচি বাহিনীর নির্যাতনের ছবি আর ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে। এ রকম একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে নাফ নদীর পানিতে ভাসছে একটি বালিকার মৃতদেহ। মারা গেছে পানিতে ডুবে। দু হাত দুদিকে ছড়ানো। শ্যামল মুখটি ফুলে কালো হয়ে গেছে। এ রকম একটি শিশুই শুধু নয়, এ ররকম অনেক। ভাসছে সব বয়সের নারী পুরুষ বৃদ্ধ আর শিশুর লাশ। ফেসবুক খুললেই দেখা যাচ্ছে মিয়ানমার বাহিনীর নৃশংস উল্লাস নৃত্য। মানুষ এমন বর্বর নিষ্ঠুর পিশাচ হতে পারে, সেসব দৃশ্য না দেখলে তা কল্পনাও করা যাবে না। পুরো নগ্ন করে যুবতীর দেহ নিয়ে উল্লাস করছে তারা। লাথি মারছে, প্রহার করছে, হাত-পা কেটে নিচ্ছে, মাথা কেটে আলাদা করে ফেলছে ধড় থেকে। তারপর সে দেহ কেরোসিন বা পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দিচ্ছে। কর্তিত মুন্ডু হাতে নিয়ে উল্লাস নৃত্য করছে।
কোনো এক বোনকে ঘিরে ধরেছে হিংস্র হায়েনার দল। রক্ত গড়িয়ে পড়ছে তার চোখ-মুখ দিয়ে। তিনি উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। বাঁচার জন্য আকুতি করছেন। কিন্তু দাঁড়াতে দেয়া হচ্ছে না তাকে। সঙ্গে সঙ্গে লাথি মেরে আবার তাকে মাটিতে ফেলে দেয়া হচ্ছে। চারদিকে তাকে ঘিরে রয়েছে কয়েক শ’ মানুষ নামের পিশাচ। আবার উঠে দাাঁড়ানোর চেষ্টা। না তাকে সেই সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। তার গায়ে ঢেলে দেয়া হলো কেরোসিন বা অন্য কোনো জ্বালানি তরল। এরপর ম্যাচের কাঠি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া হলো তার শরীরে। যুবতী চীৎকার করেন। উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। পারেন না। মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু পিশাচ বাহিনী তাকে বাঁচতে দেয় না। আবার তার শরীরে ঢেলে দেয় জ্বালানি তেল। আবার দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে তার দেহ। সেটি পরিণত হয় আগুনের কু-লিতে। তার পা সোজা হয়ে যায়। এক হাত উঠে আসে ওপরের দিকে, যেন উপহাস করতে থাকে পৃথিবী আর তার মানুষকে। নিথর হয়ে যায় সে। আর পিশাচদের উল্লাস চলতেই থাকে।
আর একটি ভিডিও। এক তরুণকে পেছনে হাত বেঁধে বসিয়ে রাখা হয়েছে। তার চার পাশে ঘুরছে সেনারা ও তাদের সহযোগী মানুষ নামের পিশাচরা। ভিডিওতে দেখা যায় তারা কথা বলছে। মনে হতে পারে, হয়তো জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেয়া হবে। কিন্তু না। পরের দৃশ্য আরও ভয়াবহ। কোনো মানুষ তা বোধকরি কল্পনাও করতে পারে না। পেছন থেকে ধারালো অস্ত্র হাতে এগিয়ে আসে এক রক্তপিপাসূ ঘাতক। সে এসে তরুণের মাথা পেছন দিকে টেনে ধরে এক হাতে। অন্য হাতে সেই গলায় চালায় ধারালো ছুরি। ফিনকি দিয়ে বের হলো রক্ত। বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হলো ঘাড় থেকে তার মাথা। সেই কাটা মু-ুটি উঁচু করে দেখানো হলো চারদিকে ঘিরে থাকা নরপিশাচদের। তারপর মাথাটি ফেলে দেয়া হলো তার দেহের ওপর। আর একটি ভিডিওতে দেখা গেল একটি ডোবায় শুধুমাত্র একটি জাঙ্গিয়া পরা এক যুবক। জীবিত। তার গলায় রশি বাঁধা। সে রশি ধরে ওপর থেকে টেনে নিচ্ছে এক পিশাচ। এভাবেই যুবকটির মৃত্যু হয়। তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় রাস্তার ওপর। আর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মানুষের লাশ স্তূপ করে রাখা হয়েছে। চারদিকে নরপিশাচের দল। সেখানে শত শত শকুন খুবলে খাচ্ছে রোহিঙ্গাদের লাশ।
আর একটি ভিডিওতে দেখা যায়। দু জন যুবককে প্রহার করা হচ্ছে নির্মমভাবে। প্রহারে প্রহারে রক্তাক্ত তাদের শরীর। অস্ত্র হাতে এগিয়ে যায় সেনা সদস্য। ধারলো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলা হয় তাদের কব্জি। তারপর কেটে ফেলা হয় দু হাত। কেটে ফেলা হয় দু’ পা। এরপর তাদের গলা কেটে মাথা আলাদা করে ফেলা হয়। তারপর মাথাটি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখানো হয়। এরপর সে মাথা ফেলে দেওয়া হয় শরীরের ওপরে। নারী নির্যাতনের অনেক ভিডিও আছে ফেসবুকে। লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট একটি ভিডিও প্রকাশ  করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, একটি বসতি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। একটি দু’টি ঘর নয় সেখানে। অনেক ঘর। আগুন নিভে গেলেও ধোঁয়া উঠছে সেখান থেকে। আকাশে ধোঁয়ার কুন্ডলি। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, কোনো বড় বসতি জ্বলছে। লাইন ধরে বাংলাদেশের দিতে আসছেন রোহিঙ্গারা। পেটে খাবার নেই। পরনে জীর্ণ পোশাক। হাঁটার শক্তি নেই অনেক প্রবীণের। আশ্রয়ের জন্য অন্যের কাঁধে চড়ে আসছেন। নারীরা বীভৎস স্মৃতি পেছনে ফেরে ছুটছেন।
এর মধ্যেই বাংলাদেশে গত ১০ দিনে আশ্রয় নিয়েছে আরও লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। সরকার অনেককে আবার সীমান্ত থেকে ফেরত পাঠাচ্ছে পিশাচদের নরকে। এটা অমানবিক। ওপারে হিংস্র হায়েনার দল, এপারে তাড়া। তুরস্ক বলেছে, তারা রোহিঙ্গাদের সকল ব্যয় বহন করবে। বিপন্ন মানবতার সেবায় আমাদের আরও উদার হওয়া উচিত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ