ঢাকা, বুধবার 06 September 2017, ২২ ভাদ্র ১৪২8, ১৪ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

বাসস : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে দেশটির উপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের বিপুলসংখ্যক নাগরিককে আশ্রয় দেয়া বাংলাদেশের জন্য বিরাট বোঝা। আমরা শুধুমাত্র মানবিক দিক বিবেচনায় তাদের আশ্রয় দিয়েছি।

গতকাল মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রিনা প্রিতিয়াসমিয়ারসি সোয়েমারনো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে শেখ হাসিনা এ আহ্বান জানান।

 বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নীতি খুবই পরিষ্কার যে প্রতিবেশী দেশগুলোতে নাশকতামূলক কর্মকান্ড চালাতে কাউকে আমাদের ভূখন্ড ব্যবহার করতে দেয়া হবে না’।

ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মানবিক বিবেচনায় মিয়ানমারের বিপুলসংখ্যক নাগরিককে আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করে বলেন, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য তার সরকারের ১শ’ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের উল্লেখ করে দু’দেশের পারস্পরিক স্বার্থে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কাছ থেকে ইন্দোনেশিয়ার অনেক কিছু শেখার আছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিগত কয়েক বছর থেকে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বেড়ে চলছে। ‘আমরা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশিদার হতে চাই’।

রাষ্ট্রদূত ইন্দোনেশিয়ায় শিল্পখাতের অভুতপূর্ব উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, তারা এখন ৫০ আসনের উড়োজাহাজ বানাচ্ছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ বাড়ছে এবং ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল ঘন ঘন বাংলাদেশ সফর করছে। দু’দেশের মধ্যে আকাশ পথে সরাসরি যোগাযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন সোয়েমারনো।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে ১৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে তার দেশের আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে ওষুধ কারখানা স্থাপনেও তার দেশের আগ্রহের কথা জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ