ঢাকা, বুধবার 06 September 2017, ২২ ভাদ্র ১৪২8, ১৪ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

খুলনার সহস্রাধিক পূজা মন্ডপের নিরাপত্তায় আনসারের সম্বল বাঁশের লাঠি

খুলনা অফিস : হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয়া দুর্গোৎসবে খুলনা জেলার পূজা মন্ডপগুলোর নিরাপত্তায় আনসারের একমাত্র সম্বল বাঁশের লাঠি। জেলায় সহস্রাধিক পূজা মন্ডপের প্রতিটিতে ৪ থেকে ৬ জন আনসার দায়িত্ব পালন করবে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দুর্গোৎসব শুরু হবে। শেষ হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ২৪ সেপ্টেম্বর মন্ডপে অবস্থান নেবে। মন্ডপ ও তার আশে পাশের এলাকায় র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে।
মন্ডপগুলোতে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। কেএমপি এলাকায় ১১৫টি ও ৯ উপজেলায় ৮১৯টি মন্ডপে প্রস্তুতি চলছে। বিভিন্ন মন্ডপে কমিটি পুনর্গঠনের কাজ শেষ পর্যায়ে। মহানগরী এলাকার গুরুত্বপূর্ণ মন্ডপগুলো হচ্ছে আর্য্য ধর্মসভা, আদি কালীবাড়ি, সোনাপট্টি, বড় বাজার, শীতলাবাড়ি, সাহেবের কবরখানা, তালতলা, পঞ্চবীথি, পুলিশ লাইন পশ্চিম গলি, টুটপাড়া গাছতলা, দোলখোলা, রূপসা শ্মশান, লবণচরা, আড়ংঘাটা, মহেশ্বরপাশা, যোগিপোল, প্লাটিনাম ইত্যাদি।
খুলনা জেলা আনসার কমান্ডেন্ট শেখ মনিরুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে অবহিত করেন, সাধারণ মন্ডপে ২ জন পুরুষ, ২ জন মহিলা, গুরুত্বপূর্ণ মন্ডপে ২ জন মহিলা, ৪ জন পুরুষ, অধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ডপে ২ জন মহিলা ও ৬ জন পুরুষ দায়িত্ব পালন করবে। ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে তারা মন্ডপে অবস্থান নেবে। মহানগরী এলাকায় ১১৫টি ও ৯ উপজেলায় ৮১৯টি মন্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে প্রায় ৬ হাজার আনসার। তাদের নিরাপত্তা হাতিয়ার বাঁশের লাঠি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং মনিটরিংয়ে জেলা সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রূম থাকবে। ইতোমধ্যেই আনসার ভিডিপি সদস্যদের মানসিক প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
আর্য্য ধর্মসভা পূজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মানষ কুমার ঘোষ জানিয়েছেন, মন্ডপের চার পাশে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা থাকবে। অধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ডপগুলোতে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি করেছেন তিনি। দুর্বৃত্তরা যাতে কোন রকম সুযোগ না পায় সে জন্য গোয়েন্দা মনিটরিং করতে হবে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস মতে, দুর্গার আগমন নৌকায় গমন ঘটকে। ৩০ সেপ্টেম্বর দশমী ও বিষর্জনের মধ্যদিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎবের সমাপ্তি।
কেএমপির এডিসি (নগর বিশেষ শাখা) মনিরা সুলতানা জানান, আর্য্য ধর্মসভায় কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ১৬ থেকে ১৭টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ডপে কেএমপির তত্ত্বাবধায়নে সিসি ক্যামেরা থাকবে। গেল বছর মহানগরী এলাকায় ১১৪টি মন্ডপে দুর্গোৎবের আয়োজন করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ