ঢাকা, বৃহস্পতিবার 07 September 2017, ২৩ ভাদ্র ১৪২8, ১৫ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মাধবদীতে বাস-কভারভ্যান খাদে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত ৬ ॥ আহত ২০

মাধবদী (নরসিংদী) সংবাদদাতা : মাল বোঝাই কভার ভ্যানের ধাক্কায় যাত্রীবাহী বাস-কভার ভ্যান খাদে পড়ে ৬ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী থানার কান্দাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গতকাল বুধবার ভোর পৌনে ৭টায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, ভোরে সংবাদপত্র বিক্রেতারা পত্রিকা বিলি করছিল এবং বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা যখন কর্মস্থলে যাচ্ছিল তখন নরসিংদীর মনোহরদী থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী একটি বাস কান্দাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী উঠানোর সময় একই দিক থেকে আসা সিমেন্ট ভর্তি মাল বোঝাই একটি কভারভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ট-১৮-৫৩৭৮) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাসটিকে পেছন থেকে দ্রুত গতিতে এসে ধাক্কা দিলে কভার ভ্যান ও যাত্রী বাহী বাস দু’টোই রাস্তার পাশে খাদে পড়ে পানিতে তলিয়ে যায়। উদ্ধার কাজে নিয়োজিত দমকল বাহিনীর কর্মীদের তথ্যমতে ঘটনাস্থলেই ৬ জন নিহত ও ২০/২২ জন গুরুতর আহত হয়। কান্দাইল বাসস্ট্যান্ডের একজন দোকানদার বলেন সে তখন মাত্র দোকান খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তার মতে ঘটনাস্থলে অপেক্ষারত গাড়ীর যাত্রী ও গাড়ীতে থাকা যাত্রী সহ ১৫/২০ জন লোক নিহত হতে পারে। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতরা হলো মাধবদী থানা এলাকার আমদিয়া ইউনিয়নেরে কান্দা পাড়া এলাকার আব্দুল মিয়া (৬৫) ও তার পুত্র রবিউল (২৮), একই ইউনিয়নের চাঁনগাও গ্রামের হেনা (৩২) স্বামী আলি আকবর, কান্দাইল মোল্লা পাড়া গ্রামের সুমী (১৯) পিতা আনোয়ার হোসেন, কান্দাইল মধ্য পাড়ার সুজন (২৫) এবং মহিষাশুড়া ইউনিয়নের খিলগাও গ্রামের চিত্ত রঞ্জন বর্মন। মারাত্মক আহতদের স্থানীয় মাধবদী ও আড়াই হাজারের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়। এ ঘটনায় পাঁচররুখী থেকে মাধবদী পর্যন্ত যানজটের কারণে সকল প্রকার যানবাহন রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতে দেখাগেছে। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দু’টির মধ্যে যাত্রীবাহী মনোহরদীর গাড়ীটি পানির নিচে থাকায় গাড়ির নাম্বার পাওয়া যায়নি। নিহত এবং আহতদের অধিকাংশ লোকের বাড়িই পুরিন্দা ও কান্দাইল বলে জানাগেছে। উদ্ধার কাজে নিয়োজিতরা জানিয়েছেন বাসের ওপরে লোড কভারভ্যান উঠে থাকায় উদ্ধার কাজ কঠিন হয়ে পড়েছে। এ দুর্ঘটার কারণে ঢাকা সিলেট মহা সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে ভোগান্তিতে পরে হাজার হাজার যাত্রী। ঘটনাস্থলে নিহত ও আহতদের আত্মীয় স্বজন ভীড় করলেও তাদের সাথে কথা বলার মতো কোন পরিস্থিতি ছিল না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ