ঢাকা, বৃহস্পতিবার 07 September 2017, ২৩ ভাদ্র ১৪২8, ১৫ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকের ২১ হাজার পদ শূন্য -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের ২১ হাজার পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০১৭’ এর কর্মসূচি নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ তথ্য জানান মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবগণ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে ২১ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সব মিলিয়ে প্রায় ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হবে। এসব পদে নিয়োগ দিতে চেষ্টা করা হচ্ছে। সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার বলেও জানান মন্ত্রী।
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের আয়োজন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “ইউনেক্সোর এবারের থিম ‘লিটারেসি ইন এ ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড’ এর সাথে মিল রেখে বাংলাদেশে ৮ সেপ্টেম্বর ‘সাক্ষরতা অর্জন করি, ডিজিটাল বিশ্ব গড়ি’ শ্লোাগানে দিবসটি পালন করা হবে।” প্রতিবারের মতো এবারও আলোচনা সভা, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায়।
মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘রিপোর্ট অন বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্টাটাটিকটিস ২০১৬’ তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭২ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে এখনো ২৭ দশমিক ৭ শতাংশ জনগোষ্ঠী নিরক্ষর। এসব নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করতে না পারলে কাক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়, বলে মনে করেন মন্ত্রী।
তিনি জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিএনইএফ) এবং বর্তমানের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো (বিএনএফই) ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ছয়টি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ নিরক্ষরকে সাক্ষরতার আওতায় এনেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ