ঢাকা, বৃহস্পতিবার 07 September 2017, ২৩ ভাদ্র ১৪২8, ১৫ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সম্পদ বিবরণী দিতে সওজ‘র এক প্রকৌশলীসহ পরিবারের চার সদস্যেকে দুদকের নোটিস

 

স্টাফ রিপোর্টার : সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম একরামউল্লাহ ও তার পরিবারের চার সদস্যের সম্পদ বিবরণী জমা দিতে নোটিস দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

দুদকের উপ পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণবকুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “একরামউল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির একটি অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এ নোটিস দেওয়া হয়েছে।” নোটিসে একরামউল্লাহ, তার স্ত্রীর আতিচা খাতুন, ছেলে মো. আকিব একরাম এবং মেয়ে আনিকা একরাম- এই চারজনের স্বনামে-বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা এবং আয়ের উৎসের বিস্তারিত বিবরণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রণব জানান, সাত কার্যদিবসের মধ্যে তাকে তার সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিবরণী জমা না দিলে দুদক আইনের ২৬ এর ২ ধারা অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে নোটিসে।

এ কে এম একরামউল্লাহ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে দুদক জানায়।

যোগাযোগ করা হলে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় একরামউল্লাহ এ প্রতিবেদককে জানান, দুদকের নোটিশ তিনি পাননি। তার বিরুদ্ধে যে কারও অভিযোগ থাকতে পারে। দুদকও যে কোনও ব্যক্তির সম্পদ বিবরণী চেয়ে নোটিশ দিতে পারে, তাতে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু তিনি দুদকের নোটিশ পাওয়ার আগেই গণমাধ্যমের কাছে এ খবর পৌঁছেছে এটা বিস্ময়ের। তিনি এটাকে কারও শয়তানী বলে উল্লেখ করে বলেন, আমি এখন আর সওজ বিভাগে কর্মরত নেই। ছয় মাস আগেই তিনি অবসরে যান বলে এ প্রতিবেদককে জানান।

ওয়ান ইলেভেনের সময় তৎকালীন সরকার বিভিন্ন পর্যায়ের দুর্নীতিবাজদের তালিকা করেছিল কয়েক দফায়। ওই তালিকায় একরামউল্লাহর নামও উঠে এসেছিল। তখন একরামউল্লাহ নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন। পরবর্তী আমলে তিনি তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী , অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে সিলেট,রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে গুরত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এক পর্যায়ে তিনি সওজ‘র একটি গুরত্বপূর্ণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালনের মধ্যেই নিয়মিত অবসরে যান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ