ঢাকা, রোববার 10 September 2017, ২৬ ভাদ্র ১৪২8, ১৮ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জঘন্য বর্বরতা বন্ধে মিয়ানমার  দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি  সফল করুন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম মিয়ানমারের ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্য বর্বরতা, হত্যাযজ্ঞ ও নারী-শিশু নির্যাতন বন্ধের দাবিতে ১১ সেপ্টেম্বর ইসলামী আন্দোলন ঘোষিত দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল, ১২ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু শিবিরে ত্রাণ তৎপরতা ও লঙ্ঘরখানার কার্যক্রম শুরু এবং ১৩ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি সফল করে ঈমানী দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, মিয়ানমারের নারী, পুরুষ ও শিশুদের উপর জুলুম-নির্যাতন, হত্যা, মা-বোনদের ধর্ষণ এমনকি গর্ভবতী মায়েদের পেট চিড়ে শিশু হত্যা করার পরও অং সান সুচি জঘন্য মিথ্যাচার করে বলছে মিয়ানমারে নাকি তেমন কিছুই হয়নি। যার জন্য শান্তিবাহিনী প্রেরণ করতে হবে। এমন জঘন্য মিথ্যাচার তারাই করতে পারে যাদের হাত প্রতিনিয়ত মুসলিমদের রক্তে রঞ্জিত। জাতিসংঘ এমন একজন মিথ্যুককে নোবেল দিয়ে নোবেলকে কলঙ্কিত করেছে। তার নোবেল ফিরিয়ে নিয়ে তাকে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার করতে হবে। তিনি শান্তিতে নোবেল পেতে পারে না অবশ্য অশান্তির জন্য পুরস্কার পেতে পারে।

গতকাল শনিবার বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মজলিসে আমেলার এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন  প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী ও আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী আশরাফুল আলম, যুবনেতা কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, হারুন অর রশিদ, এডভোকেট শেখ লুৎফুর রহমান, মু. বরকত উল্লাহ লতিফ, এডভোকেট একেএম এরফান খান, মনির হোসেন, শ্রমিকনেতা মুহাম্মদ খলিলুর রহমান, প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা, মুফতি মোস্তফা কামাল, ছাত্রনেতা এস এম সাইফুল ইসলাম ও হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, এই জাতিসংঘ যেহেতু মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ তাই পৃথক মুসলিম জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কফি আনান কমিশনের পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। জারজ ও ঘাতক অং সান সুচির আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বসহ নাগরিক সকল অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে তাদের ফিরিয়ে নিতে হবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ