ঢাকা, মঙ্গলবার 12 September 2017, ২৮ ভাদ্র ১৪২8, ২০ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কবিতা

প্রেরণার অগ্নিমশাল

মর্জিনা খাতুন

 

কালো আকাশ, অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবী,

সভ্যতার আলো তখনো মেলেনী।

 

ঘোর অমানিশার এক ভয়ঙ্কর অবস্থা,

আধার পেরিয়ে সুবহে সাদিকের আগমনবার্তা।

 

প্রতিটি হৃদয়ের মনিকোঠায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা,

অতুলনীয় চরিত্র, অনুপম কথামালা।

 

সেই কথাগুলো বিপ্লবী সুর সৃষ্টি করে,

স্বপ্ন জোগায় হাজারো প্রাণে প্রাণে।

 

সত্যে মিথ্যার দ্বন্দ্ব পৃথিবীর চিরোন্তর ইতিহাস,

বন্ধন সৃষ্টিতে সকল কৌশল হয়েছিল ফাঁস।

 

সে যে মুসাফিরের দিশাবহনকারী ধ্রুবতারা,

তাইতো আজ চলছে বিপ্লবের জযবা।

 

আজ আমাদের মাঝে সে যে আলোকের উজ্জ্বল,

প্রেরণার অগ্নিমশাল।

 

 

মনের আর্তনাদ

সুরাইয়া নাজনীন বুলি

 

অনেকদিন কিছু লিখি না!

লিখতে গেলে কলম অসাড় হয়ে যায়

মন হয়ে পড়ে ছন্দহীন।

মনের আকাশে কালো মেঘ,

নেই কোন আশার আলো মানবিকতা, মনুষত্যবোধ, 

মূল্যবোধ, নৈতিকতা-

সব কোথায় তোরা!

ও! মানবিকতা, তুইতো এখন আছিস

মুখের কথায়!

মনুষ্যত্ববোধ জ্বলজ্বল করছে সাইনবোর্ডে!

আর মূল্যবোধ ও নৈতিকতা!

সেতো বইয়ের ভেতর।

বলতে পারিস, তোরা আবার কবে-

আমার মনে আসবি,

মনকে আলোকিত করবি?

আর আমি, আবার লিখতে পারবো

প্রত্যাশিত সুদিনের কথা!!

 

শুভ হোক

লুৎফুন্নেসা বেগম

 

পেছন ফিরে তাকাতে চাই না

পেছনের কথা ভাবতে চাই না

পেছনের দিকে তাকাতে বড় ভয় হয়।

 

পেছনের দিনগুলো বড় দুঃখের

যেমন কেটেছে কষ্টের দিন মেঘের

চোখের সামনে দেখেছে বাবা-মায়ের লাশ,

ছোট্ট মেয়ে চিঠিতে জানায় গুম হয়ে যাওয়া

বাবা কবে আসবে? সত্যি সে কি ফিরে আসবে?

টাকার বিনিময়ে ফিরে পেতে হয় হারানো সন্তানকে

গণহারে ধর্ষণ কলঙ্কিত করছে মানবাবোধকে

বিশ্বজিৎ হত্যা তাড়িত করে বিবেক কে

ফেলানীর লাশ লাঞ্ছিত করে মানচিত্রকে

আর কত দেখতে হবে কে জানে!

 

ছোট্ট দেশ মানুষের ভারে প্রকম্পিত

একদিকে লাশ, অন্যদিকে বিবেকবর্জিত কর্মকা-

জীবনের নেই কোন নিশ্চয়তা

কে কখন হারিয়ে যাবে, শূন্য হবে খাতা।

 

সামনের দিন আসুক সূর্যের আলোর মত

ধুয়ে যাক, মুছে যাক বিবেকবর্জিত সব ক্ষত।

নতুন দিন নিয়ে আসুক নিশ্চয়তার ক্ষণ

বৃষ্টির মত পবিত্রতায় শুভ হোক আগামী দিন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ