ঢাকা, বুধবার 13 September 2017, ২৯ ভাদ্র ১৪২8, ২১ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কেপলারের অবিশ্বাস্য তথ্য,  ছায়াপথে ঘুরছে আরও ১৭০০ কোটি পৃথিবী

 

একটি দু’টি নয়, আমাদের এই ছায়াপথে পৃথিবীর আকারের গ্রহের সংখ্যা অন্তত ১৭০০ কোটি। বিজ্ঞানীদের গবেষণায় এই বিস্ময়কর তথ্য উঠে এসেছে। এই গ্রহগুলোর আকৃতি পৃথিবীর ০.৮ থেকে ১.২৫ গুণের মধ্যে। বিজ্ঞানীদের মতে, এমন গ্রহের সংখ্যা অচিরেই আরও অনেক বাড়তে পারে। ক্যালিফোর্নিয়ায় ‘আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’-এর এক বৈঠক থেকে সম্প্রতি এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের ছায়াপথে পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। সেই গবেষণার ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত পৃথিবীর আকারের প্রায় ১৭০০ কোটি গ্রহের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হলেন তারা। নাসার ‘কেপলার’ নামক মহাকাশযান ব্যবহার করেই এই তথ্য পেয়েছেন তাঁরা। কেপলারের দেওয়া তথ্য অনুসারে, আমাদের ছায়াপথের যে পরিমাণ ক্ষত্র আছে, তার ১৭ শতাংশ নক্ষত্রের কক্ষপথে পৃথিবীর মতো গ্রহ রয়েছে। 

আর আমাদের ছায়াপথে মোট নক্ষত্রের সংখ্যা অন্তত ১০০০০ কোটি। এই তথ্য পাওয়ার পর থেকে আমাদের ছায়াপথেই পৃথিবীর মতো আবহাওয়া থাকতে পারে, এমন সম্ভাব্য ২৫০০ গ্রহের তালিকা পাঠিয়েছে যন্ত্রটি। কেপলরারের পাঠানো তথ্যকে আরও যাচাই-বাছাই করে নাসার গবেষকরা সম্ভাব্য ৪৬১টি পৃথিবী-সদৃশ গ্রহের তাীলকা প্রকাশ করেছেন।

মহাকাশের এই অনুসন্ধানী পথিক কেপলারের দেওয়া তথ্য মতে, সিল্কিওয়ের এক চতুথাংশ সংখ্যক গ্রহে একটি ‘সুপার আর্থ’ (যাদের আকার পৃথিবীর দেড় থেকে দুই গুণ) এবং ‘ছোট নেপচুন’ (পৃথিবীর দুই থেকের চারগুণ আকারের গ্রহ) আছে। বড় আকারের গ্রহের সংখ্রাই তুলনামূলক কম। কেপলারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শতকরা মাত্র তিন শতাংশ গ্রহে ‘বড় নেপচুন’ (পৃথিবীর ছয়গুণ আকারের গ্রহ) এবং শতকরা ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ‘গ্যাসীয় দানব’ গ্রহ (পৃথিবীর প্রায় ২২ গুণ বড়) আছে। বলে রাখা ভালো, সূর্যের মতো এমন আরও ১০০০ কোটি নক্ষত্র নিয়ে আমাদের ছায়াপথ বা গ্যালাক্সিটি গড়ে উঠেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিল্কিওয়ে’। সেই নক্ষত্রগুলোরও তেমনি চারপাশে রয়েছে গ্রহ। সূত্র : ইন্টারনেট।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ