ঢাকা, বুধবার 13 September 2017, ২৯ ভাদ্র ১৪২8, ২১ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধ করে শরণার্থীদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

 

উখিয়া, কক্সবাজার, থেকে বাসস : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল মঙ্গলবার রাখাইনের জাতিগত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগণের ওপর অমানবিক আচরণ এবং অন্যায়-অত্যাচার বন্ধ করে প্রতিবেশী মিয়ানমারের প্রতি শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ নেপিডো’র সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় তবে কোন অন্যায়-অবিচার সহ্য করবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তি এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। আমরা কোন ধরনের অন্যায়-অত্যাচার গ্রহণ বা মেনে নিতে পারি না এবং এই ব্যাপারে আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।’

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার জেলার উখিয়া কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে মিয়ারমার থেকে আশ্রয়ের জন্য আসা জনগণের মধ্যে ত্রাণসমাগ্রী বিতরণকালে একথা বলেন।

মিয়ানমারের যে সংকট, যে জ্বালাও-পোড়াও এবং যে অমানবিক আচরণ তা থেকে শুরু করে বাংলাদেশে এদের অবস্থানের জন্য যা যা করণীয় তার নিশ্চয়তা, ভবিষ্যতে কিভাবে কূটনৈতিকভাবে এই পুরো বিষয়টি বাংলাদেশ মোকাবেলা করবে তারই একটি পরিকল্পনা এবং দিক নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী আধা ঘন্টা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বারবার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং প্রত্যেকের কাছে তাঁর সান্ত¦নার বাণী পৌঁছে দেন। তাঁর বোন এবং বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

শরণার্থীদের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী রাখাইন সম্প্রদায়ের জনগণের প্রতি অত্যাচার বন্ধ এবং বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের শরণার্থীদের দেশে ফেরত নিয়ে যাবার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ অব্যাহত রাখার আহবান পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মিয়ারমারের শরণার্থীদের পাশে রয়েছি এবং তাদের সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাব, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা তাদের দেশে ফিরছে আমরা পাশে রয়েছি।’

মিয়ানমারের শরণার্থীদের দুরাবস্থা দেখার পর অন্তরের অন্তস্থলে গভীর দুঃখ অনুভব করছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারাও মানুষ এবং মানুষ হিসেবেই তাদের বাঁচার অধিকার রয়েছে। তারা কেন এত দুঃখ কষ্ট ভোগ করবে?’

তিনি বলেন, ‘এই নিরীহ রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপরে অত্যাচার-নির্যাতন বন্ধে এবং বাংলাদেশ থেকে তাদের নিজের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ প্রয়োগ করা উচিত।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই রাখাইন সম্প্রদায়কে তাদের নাগরিক হিসেবে অস্বীকার করার মিয়ারমারের কোন অধিকার নেই। তাদেরকে মিয়ানমার সরকারের নিরাপত্তা দিতে হবে। যাতে নিজেদের দেশে তারা নিরাপদে বসবাস করতে পারে।’

এই বিষয়ে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমারকে সবধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু আগে তাদের এই রাখাইন জনগণের প্রতি অন্যায়-অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।

তাঁর সরকার প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং জরুরি সেবা শরণার্থীদের জন্য অব্যাহত রাখবে, তাতে কোন সমস্যা হবে না- যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে যদি সকলের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা সরকার বিধান করতে পারে সেক্ষেত্রে মিয়ানমারের শরণার্থীদেরও কোন সমস্যা হবে না।

এই বার্তাও প্রধানমন্ত্রী আগত রোহিঙ্গাদের উদ্দেশ্যে দেন- এইখানে কোন স্বার্থান্বেষী মহল যদি ফায়দা লোটার চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সুতরাং বিচ্ছিন্নভাবে হলেও কেউ যেন এ ধরনের কোন অপচেষ্টার সাথে লিপ্ত না হন। সে ব্যাপারেও প্রধানমন্ত্রী সকলকে সতর্ক করে দেন।

এলাকাবাসীর প্রতি তিনি আহবান জানিয়ে বলেন, এই সব আশ্রিত জনগণের সঙ্গে কোন অস্থির বা অমানবিক আচরণ করা যাবে না। সহনশীলতার সঙ্গে এবং মানবতার সঙ্গে যেন তারা এইসব মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা বিবেচনা করেন।

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জ¦ল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহম্মদ শফিউল হক এবং শেখ রেহানার পুত্রবধূ এবং সিনিয়র আইএমও কর্মকর্তা পেপী সিদ্দিক সহ স্থানীয় সাংসদ এবং জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

এক দেশের নাগরিকদের অন্যদেশে আশ্রয় গ্রহণ সেই দেশের জন্যই অসম্মানজনক আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে অবিলম্বে মিয়ানমারের নাগরিকদের তাদের দেশে ফেরত নেয়ার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আহবান জানান। এ প্রসঙ্গে তিনি আমাদের দেশের একদা সৃষ্ট পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে যে রিফ্যুজি সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল, তারও উল্লেখ করেন। তৃতীয় কোন পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়া শান্তিচুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য সমস্যার সমাধান এবং ভারত থেকে ৬৪ হাজার শরণার্থীকে দেশে ফিরিয়ে আনারও উদাহরণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে সৃষ্ট সংঘাত প্রসঙ্গে বলেন,বার বার আমরা দেখতে পাচ্ছি কিছু মানুষ কোন কোন জায়গায় এক একটা ঘটনা ঘটায়। তারাতো ঘটনা ঘটিয়েই চলে যায়। আর ভুক্তভোগী হতে হয় ছোট্ট শিশু, নারী আর সাধারণ মানুষজনদের। তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকারকে আমি বলব, তারা যেন এই নিরীহ মানুষগুলোর ওপর কোনরকম নির্যাতন না করে। এগুলো যেন তারা বন্ধ করে প্রকৃত দোষী যারা তাদের খুঁেজ বের করে। আর এটি করার জন্য আমরা প্রতিবেশী দেশ হিসেবে যা যা সাহায্যের দরকার, আমরা তা করবো।

প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রশ্নে তাঁর সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির পুনরোল্লেখ করে বলেন, আমাদের একটা সিদ্ধান্ত যে কোনরকমের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ-কোন কিছুই আমরা কখনো মেনে নেব না। বা আমাদের মাটি ব্যবহার করে কেউ সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদি কাজ করবে তাও আমরা কখনো বরদাশত করবো না।

সরকার প্রধান বলেন, আজকে হাজার, হাজার, লাখ, লাখ মানুষ ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়ে চলে এসেছে। সেখানে (মিয়ানমারে) এখনো আগুন জ্বলছে। সেখানে এখনো অনেকে আপনজনের হদিস পাচ্ছে না। নাফ নদীতে ছোট্ট শিশুর লাশ ভেসে বেড়াচ্ছে। মানুষের লাশ ভাসছে-এটা সম্পূর্ণ মানবতাবিরোধী কাজ। সাধারণ শিশু, নারী, পুরুষ সাধারণ মানুষেরা কি অপরাধ করেছে যে, তাদের ওপর এই জুলুম-অত্যাচার। এই ধরণের কর্মকান্ড আমরা কখনই সমর্থন করতে পারি না।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা মিয়ানমার সরকারকে বারবার বলেছি- আমাদের তরফ থেকে একটা কথা বলেছি যে, সেই ’৭৮ সাল থেকে মিয়ানমারে একটার পর একটা ঘটনা ঘটছে আর মানুষ এখানে এসে আশ্রয় নিচ্ছে। এদের ভোটের অধিকার, নাগরিক অধিকার-সব কেড়ে নেয়া হয়েছে। কেন এই অত্যাচার। এরাতো মিয়ানমারেরই লোক। মিয়ানমারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীতো নিজেই ঘোষণা দিয়েছিলেন- এই রোহিঙ্গারা তাদেরই নাগরিক। তাহলে এখন তারা এই সমস্যা সৃষ্টি করছে কেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এটুকুই বলবো এ ধরনের ঘটনা। বিশেষ করে এটি একটি অমানবিক ঘটনা, এটি মানবাধিকারের লঙ্ঘন। প্রতিবেশি দেশ আমরা। সেখানে কোন ঘটনা ঘটলে আমাদের ওপর চাপ পড়ে। তিনি বলেন, এই যে মানুষ আজকে এখানে এসেছে- আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদেরকে এখানে আশ্রয় দিয়েছি। 

পরে প্রধানমন্ত্রী শরণার্থীদের হাতে নিজে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় শরণার্থীরা তাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে মিয়ানমারে তাদের ওপর অত্যাচার নির্যাতনের বর্ণনা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্গত নারী ও শিশুকে কাছে টেনে নেন। সেখানে এক হƒদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে নোবেল পুরস্কারে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব : রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতা এবং শান্তির অনন্য নজির স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করার প্রস্তাব করেছেন বিশ্বের খ্যাতিমান চিন্তাবিদ এবং শিক্ষাবিদরা। আমাদের সময়কম।

প্রতি বছর অক্টোবর মাসে শান্তিতে অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা হয়। ১০ ডিসেম্বর নরওয়ের অসলোতে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয় ‘অক্সফোর্ড নেটওয়ার্ক অব পিস স্টাডিজ’, সংক্ষেপে এটাকে বলা হয় অক্সপিস।

অক্সপিসের দু’জন শিক্ষাবিদ ড. লিজ কারমাইকেল এবং ড. অ্যান্ড্রু গোসলার মনে করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন, তা সারা বিশ্বের জন্য এক অনুকরণীয় বার্তা। তাদের মতে, ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো যখন শরণার্থী নিয়ে নানা সমস্যায় জর্জরিত, তখন বাংলাদেশ দেখাল কীভাবে এই সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়। তারা দুজনই শেখ হাসিনাকে ‘মানবিক বিশ্বের প্রধান নেতা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পিস স্টাডিজ বিভাগের তিন অধ্যাপক যৌথভাবে শেখ হাসিনাকে বিশ্ব শান্তি দূত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ড. অলডো সিভিকো, ড. দীপালী মুখোপাধ্যায় এবং ড. জুডিথ ম্যাটলফ যৌথভাবে বলেছেন, ‘নোবেল শান্তিজয়ী অংসান সু চি আর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যক্রম পাশাপাশি মূল্যায়ন করলেই বোঝা যায় বিশ্ব শান্তি নেতা কে।’

তাদের মতে, ‘সুচি মানবতার চরম সীমা লঙ্ঘনকারী বার্মার সামরিক জান্তাদের রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো পৈশাচিকতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার চরম ঝুঁকি নিয়েও তাদের আশ্রয় দিচ্ছেন।’ তারা মনে করেন, ‘শেখ হাসিনা শান্তি নতুন বার্তা দিয়েছেন গোটা বিশ্বকে।’

হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হাভার্ড ডিভাইনিটি স্কুলের ডিন ডেভিড এন হেম্পটন মনে করেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তির নতুন মাত্রা দিয়েছে। কেবল শান্তির স্বার্থে দেশটি চরম অর্থনৈতিক ঝুঁকি নিয়েছে।’ তার মতে, ‘এতোগুলো শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়ার জন্য মানবিক হƒদয় লাগে। জার্মানি যা করতে পারেনি, শেখ হাসিনা তা করে দেখিয়েছেন।’

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ইন ক্যানবেরার অধীনে পরিচালিত ‘পিস অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট‘। এই ইন্সটিটিউটের প্রধান ড. হেনরিক উরডাল মনে করেন, ‘বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকেই বিশ্ব শান্তির নেতার মর্যাদা দেয়া উচিত। সত্যিকার অর্থেই যদি শান্তিতে অবদানের জন্য কোনো পুরস্কার থাকে তাহলে সে পুরস্কার পাবার একমাত্র যোগ্য ব্যক্তি হলেন শেখ হাসিনা।’

রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের প্রেক্ষাপটে গেলো এক সপ্তাহে স্ব স্ব দেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সেমিনার এবং সভায় তারা এই সব মন্তব্য করেছেন। প্রত্যেকে নোবেল শান্তিতে পুরস্কার মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখেন। সূত্র : আরটিভি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ