ঢাকা, বুধবার 13 September 2017, ২৯ ভাদ্র ১৪২8, ২১ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

শুধু ক্ষমতার জন্য আ’লীগ গোটা দেশকে অশান্তি ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার : বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ওপর বর্তমান সরকারের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শুধু ক্ষমতায় থাকার জন্য আওয়ামী লীগ গোটা বাংলাদেশকে অশান্তি, অস্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই আজ যত সংঘাত সমস্যা তৈরি হচ্ছে তার মূলে রয়েছে নির্বাচন। সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আশা করি আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। সহায়ক সরকারের যে প্রস্তাব খালেদা জিয়া দেবেন সেই মোতাবেক একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। এদিকে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বিলম্বে হলেও প্রধানমন্ত্রীর দেখতে যাওয়ায় খুশি বিএনপি। তবে রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যাযজ্ঞের ঘটনা জাতীয় সংসদে নিন্দা না জানানোয় সরকারের সমালোচনা করেছে দলটি। এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সরকার দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী যুব দলের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১০ কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়।

সংগঠনের সভাপতি সাইফুল আলম নিরবের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বরকতউল্লাহ বুলু, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, যুব দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করীম বাদরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, দক্ষিনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজকে (মঙ্গলবার) কক্সবাজারে গেছেন, উখিয়ায় সফর করেছেন এবং তিনি একটি বিরাট বহর নিয়ে গেছেন। আমরা এখন পর্যন্ত যা খবর পেয়েছি তিনি সেখানে কিছু ত্রাণ বিতরণ করেছেন। আমরা শুনে অন্তত এইটুকু খুশি হলাম যে এতোদিন বোধদয় হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী আসলেন, তুরস্কের ফাস্ট লেডি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী আসলেন এবং আজকে (গতকাল) প্রথম জাতিসংঘ থেকে একটা বড় মানবাধিকার টিম আসছেন তারা সেখানে যাবেন। অর্থাৎ সারা বিশ্ব যখন সোচ্চার হচ্ছে, জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল যখন চিঠি দিয়েছেন নিরাপত্তা পরিষদকে যে অবিলম্বে এই গণহত্যা বন্ধ করতে হবে এবং মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তখন আপনি (প্রধানমন্ত্রী) আজকে গেলেন উখিয়াতে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নেয়া প্রস্তাবের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, পার্লামেন্টে (জাতীয় সংসদে) আপনারা (সরকার) প্রস্তাব(রেজুলেশন) নিয়েছেন যে, মিয়ানমারকে চাপ দিতে হবে রোহিঙ্গাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু মিয়ানমারকে নিন্দা জানান নাই। তারা যে এভাবে গণহত্যা করছে, সুপরিকল্পিতভাবে একটি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার জন্য কাজ করছে তার জন্য কোনো নিন্দা জানান নাই, গণহত্যার জন্য কেনো নিন্দা জানান নাই। আমরা আজকে এই সভা থেকে নিন্দা জানাচ্ছি যে আপনারা যারা এই প্রস্তাব(নিন্দা প্রস্তাব) নিতে সাহস করেন নাই। এটা পরিষ্কার, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন তার প্রধান তিনি বলেছেন যে সুস্পষ্টভাবে মিয়ানমারে গণহত্যা চলছে এবং জাতি ধ্বংস করার নিধনে যেটাকে ইফক্লিজিং বলে সেটার কাজ করে যাচ্ছে। 

 রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার ‘দ্বিধা-দ্বন্দ্বে’ আছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রীর উখিয়ার রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির পরিদর্শনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তার আগে কী বলেছেন? এর আগে বলেছেন যে, আমাদের দেখতে হবে যে এখানে সন্ত্রাসী আছে কিনা, এখানে দেখতে হবে যে কারা আসছে? এখনো আপনারা দ্বিধান্বিত হয়ে আছেন।

মিয়ানমার সীমান্তে মাইন পোতা ও বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনায় সরকারের নীরব ভূমিকার সমালোচনা করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, আজকে মিয়ানমার যখন তিন লক্ষ শরনার্থীকে আমাদের দেশে ঠেলে দিয়েছে তখন তো আমার দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আক্রান্ত হয়েছে। তাদের হেলিকপ্টারগুলো ঘুরছে, সীমান্তের পাশেই তাদের সেনাবাহিনীরা মাইন বসাচ্ছে। সেগুলো সম্পর্কে আপনারা একটা কথাও বলছেন না।

বিএনপি সরকারের আমলে রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবিলার বিষয়টি তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমার এখনো মনে আছে, ১৯৯২ সালে এভাবে রোহিঙ্গারা আসছিলো আমাদের দেশে, তাদের(মিয়ানমার) দেশে উপদ্রুপ হচ্ছিল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছিলেন সীমান্তে এবং তিনি বলেছিলেন যে তোমরা যদি এভাবে এগুতে থাকো তাহলে এই সেনাবাহিনী  নিয়ে আমি তোমাদেরকে বাধা দিতে বাধ্য হবো। তারা (মিয়ানমার সরকার) কিন্তু মেনে নিয়েছিলো, এই রোহিঙ্গাদের ফেরতও নিয়েছিলো। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে ৭৮ সালে রোহিঙ্গারা এভাবে আসছিলো, তখন একটা চুক্তি করে তাদের ফিরিয়ে নিয়েছিলো। সেই চুক্তির মধ্যে বলা আছে যে, ভবিষ্যতে যেকেনো এরকম সমস্যা হলে বসতে হবে, কথা বলতে হবে এবং এই সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। আপনার সেগুলো করতে চান না।

মিয়ানমার সীমান্তে দুই দেশের যৌথ অভিযান করার প্রস্তাবের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারাই এটা নিয়ে রাজনীতি করতে চান বলেই আপনারা (সরকার) আজকে একটা প্রস্তাব দিচ্ছেন কী? মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী ও বাংলাদেশের বিজেবি(বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড) যৌথভাবে টহল দিয়ে অভিযান চালাবে। কার বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে? যাদেরকে হত্যা করা হচ্ছে, যাদেরকে ধর্ষণ করা হচ্ছে, যাদের শিশুদের মেরে ফেলা হচ্ছে, যাদের গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে, সেখানে বিজেবি থাকবে? আমরা ঠিক বুঝতে পারি না। এটা তারা কী বলতে চান। এটা হচ্ছে যেটা আমি বলেছি যে, পুরোপুরি নতজানু হয়ে গেলে, নিজস্ব কোনো স্বকীয়তা না থাকলে অন্যের ওপরে ভর করে যখন চলতে থাকে তখন এই ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়। আমরা খুব পরিষ্কার ভাষায় জানাতে চাই, আমরা মিয়ানমারের গণহত্যাকে সম্পূর্ণভাবে নিন্দা জানাই, ধিক্কার জানাই। মিয়ানমার সরকারকে বলছি তারা যেন অবিলম্বে গণহত্যা বন্ধ করে। শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অংসান সূচীর নেতৃত্বে সরকারের আমলেই এই ধরনের গণহত্যার ঘটনাকে ‘লজ্জা’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফখরুল। 

 রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আওয়ামী লীগ রাজনীতি করতে চায় মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি নয় বরং আওয়ামী লীগ রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাজনীতি করতে চায় বলেই এখন তারা প্রস্তাব দিচ্ছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী আর বাংলাদেশের বিজিবি যৌথভাবে টহল দিয়ে অভিযান চালাবে। মির্জা ফখরুল বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সমস্যা সমাধানে কথা বলতে হবে, আলোচনা করতে হবে। অথচ এ ব্যাপারে সরকারের মনোভাব আমরা ঠিক বুঝতে পারি না। 

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে দলটির মহাসচিব বলেন, আপনারা নির্বাচন নির্বাচন বলে খুব ঢোল বাজাচ্ছেন। নির্বাচন এই দেশে আমরাও চাই। কারণ, ২০১৪ সালে আপনারা যে নির্বাচন করেছেন তা এ দেশের মানুষ গ্রহণ করেনি। জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছেন। আর সামনে যখন নির্বাচনের সময় আসছে তখন আপনারা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন কথা বলতে শুরু করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের কথা খুব স্পষ্ট যে, আপনারা সংবিধান পরিবর্তন করেছেন। সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাদ দিয়ে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করেছেন। এক সময় এ দেশের মানুষ আপনাদের দেয়া তত্ত্বাবধায়ক প্রস্তাব মেনে নিয়েছিল। তিনবার সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার পর শুধু ক্ষমতায় থাকার জন্য গোটা বাংলাদেশকে অশান্তি, অস্থিতিশীলতা ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তাই আজ যত সংঘাত সমস্যা তৈরি হচ্ছে তার মূলে রয়েছে নির্বাচন। সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আশা করি আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। সহায়ক সরকারের যে প্রস্তাব খালেদা জিয়া দেবেন সেই প্রস্তাব মোতাবেক একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন।

বিএনপি মহাসচিবের বিবৃতি: রংপুর জেলাধীন পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সদস্য নায়েব আলী আকন্দকে গত তিন দিন পূর্বে গুম করা হয়েছে। সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করার পরও তার কোন হদিস মেলেনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে গ্রেফতার কিংবা আটকের বিষয়টি স্বীকার করেনি। এছাড়া রাজশাহী জেলাধীন চারঘাট উপজেলা বিএনপি নেতা সেন্টু, যুবদল নেতা খালেক, ছাত্রনেতা সজীব ও রুমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গতকাল এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান গণবিরোধী সরকার বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর চালাচ্ছে অন্তহীন অত্যাচার। এর যেন কোন শেষ নেই। মনে হয় পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদেরকে দেশের মানুষের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালানোর লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। চারিদিকে ভীতি ও নৈরাজ্য মানুষকে গ্রাস করে রেখেছে। প্রতিদিন প্রতিনিয়ত বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মনে গুম-খুনের বিভিষিকাময় আতঙ্ক ভর করে আছে। স্বজন হারানোদের আর্তনাদে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠলেও রাষ্ট্রক্ষমতার নেশা বর্তমান সরকারকে এতটাই বেপরোয়া করেছে যে, স্বজন হারানোদের আর্ত-চিৎকার তাদের কর্ণকুহরে প্রবেশ করছে না। দেশের মানুষের স্বাভাবিক জীবন-যাপনের অধিকার, নির্ভয়ে চলাফেরার অধিকার সর্বোপরি সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার এখন ভুলুন্ঠিত। দেশের মানুষের সকল অধিকার খর্ব ও ধ্বংস করে নির্যাতন-নিপীড়ণে মানুষকে নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত করে গুম-খুন-অপহরণ, গ্রেফতার ও সন্ত্রাসের তান্ডবলীলার মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখাই বর্তমান ক্ষমতাসীনদের প্রধান লক্ষ্য। এই অবর্ণনীয় ও ভয়াবহ অপশাসনের কবল থেকে মুক্তি পেতে হলে জনগণের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোন বিকল্প নেই।

বিএনপি মহাসচিব অবিলম্বে রংপুর জেলাধীন পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সদস্য নায়েব আলী আকন্দকে জনসমক্ষে হাজির করার জোর দাবী জানান। এছাড়া তিনি রাজশাহী জেলাধীন চারঘাট উপজেলা বিএনপি নেতা সেন্টু, যুবদল নেতা খালেক, ছাত্রনেতা সজীব ও রুমন এর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া ও বানোয়াট মামলা প্রত্যাহার করে তাদের নি:শর্ত মুক্তি দাবী করেন।

 শোক বার্তা: অপর এক শোকবার্তায় বিএনপি মহাসচিব যশোর জেলাধীন বাগারপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মতিয়ার রহমান কারাগারে মৃত্যুবরণ করায় গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, কারাভ্যন্তরে সুচিকিৎসার অভাবেই মতিয়ার রহমানের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমান সরকার নানাভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের নিশ্চিহ্ন করার কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। একদিকে বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়ে কারাগারে নিক্ষেপ করছে, অন্যদিকে তাদেরকে সুচিকিৎসা না দিয়ে কারাগারেই মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সরকারের এই ধরণের প্রতিহিংসাপরায়ণ ও জঘন্য আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাই। আমি মরহুম মতিয়ার রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

এছাড়া বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বড় বোন এবং সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী ডাঃ এম এ মতিন এর সহধর্মীনি ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ডাঃ তাসমিনা মতিনের  মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ