ঢাকা, বুধবার 13 September 2017, ২৯ ভাদ্র ১৪২8, ২১ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কাহালুতে বড় ভায়রা কর্তৃক ছোট ভায়রাকে হত্যা ॥ আটক ৩

 

কাহালু (বগুড়া) সংবাদদাতা : গত সোমবার সন্ধ্যায় কাহালু উপজেলা ছোট বাখরা গ্রামের আঃ রহমানের দুই ঘর জামাইয়ের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদের এক পর্যায়ে বড় ভায়রা ও তার লোকজন ছোট ভয়রার অন্ডোকোষে চাপ দিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনার পরপরই পুলিশ নিহত খোরশেদ আলম (৩৫) এর লাশ উদ্ধার করে এবং তিনজনকে আটক করে। কাহালু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর-এ-আলম সিদ্দিকী প্রাথমিকভাবে ধারণা দিয়েছেন উল্লেখিত গ্রামের আঃ রহমান তার এক কন্যাকে কাহালুর শিলকহড় গ্রামের মৃত মাজেদের পুত্র খোরশেদ আলম ও আরেক কন্যাকে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা গ্রাম থেকে উঠে আসা সাদ্দামের ছেলে রবিউলের সাথে বিয়ে দেয়। এই দুজনকে ঘরজামাই হিসেবে আঃ রহমানের বাড়িতেই রাখা হয়। গত সোমবার ছোটখাটো বিষয় নিয়ে খোরশেদ ও রবিউলের মধ্যে ঝগড়া হয়। তাদের ঝগড়ায় পরিবারের সবাই জড়িয়ে পড়লে মারপিটের এক পর্যায়ে রবিউল ও তার লোকজন খোরশেদকে ধরে তার অন্ডকোষে চাপ দিলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বগুড়া মেডিক্যালে কলেজে নিয়ে যাওয়ার পথে খোরশেদ মারা যান। পরে পুলিশ খবর পেয়ে খোরশেদের লাশ উদ্ধার করে এবং তিনজনকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন রবিউলের পিতা মোঃ সাদ্দাম (৫৫), মাতা ছাবেদা (৫০) ও ভাই সামিউল (২৪)। 

চেয়ারম্যান হান্নানের জামিন মঞ্জুর

গত সোমবার জামিনে জেল হাজত থেকে ছাড়া পেয়েছেন কাহালু উপজেলার কালাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের সরদার হান্নান। জানা গেছে গতকাল তার জামিন মঞ্জুরের খবর শুনে বগুড়া জেল গেটে জড়ো হন হান্নানের অসংখ্য কর্মী-সমর্থক। কালাই ইউনিয়নের তার কর্মী-সমর্থকরা জানান, চেয়ারম্যানের জামিনের খবরে তার কর্নিপাড়ার বাড়িতে ছুটে আসেন আশে-পাশের গ্রামের জনসাধারণ। হান্নান জেল হাজত থেকে বের হওয়ার পর তাকে দেখে কালাই ইউনিয়নের অসংখ্য জনগণ আনন্দে অশ্রু ঝড়িয়ে তাকে জড়িয়ে ধেেরন। হান্নানের ছোট ভাই রুমন ও কালাই ইউনিয়ন থেকে জেল গেটে দেখতে যাওয়া জনসাধারণ জানান, চেয়ারম্যানকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। জানা গেছে হান্নানের ভাই রুমনের নামে একটি চাতাল ও গোডাউন এক ব্যবসায়ীকে ভাড়া দিয়েছে অনেক দিন আগে। ঐ ব্যবসায়ীর দায়িত্বে থাকা গোডাউন তল¬াশি করতে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বগুড়ার দুদকের উপ-পরিচালকসহ ডিবি পুলিশ ও কাহালু থানা পুলিশ । সেখান থেকে তারা উদ্ধার করে ভিজিডি কার্ডধারীদের কাছ থেকে কেনা চাল। এঘটনায় চেয়ারম্যান আবু তাহের সরদার হান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। হান্নান গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে কালাই ইউনিয়নের জনসাধারণ তার মুক্তির দাবিতে দফায় দফায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এদিকে গতকাল জেল হাজত থেকে বের হওয়া পর হান্নানকে দেখার জন্য ছুটে আসেন অসংখ্য জনগণ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ