ঢাকা, শুক্রবার 15 September 2017, ৩১ ভাদ্র ১৪২8, ২৩ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সুন্দরগঞ্জে বন্যায় ভেসে গেছে ৫ শতাধিক মৎস্য খামার

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়  পর পর দু-দফা বন্যায় ভেসে গেছে ৫ শতাধিক মৎস্য খামার। জানা গেছে, অতি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার ১০ ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে পড়ে। এতে করে পুকুর, ডোবা, খাল-বিলসহ  মৎস্য খামারগুলো বন্যার পানিতে ভেসে যায়। উপজেলা মৎস্য দপ্তর সুত্রে জানায়, এবারের দু-দফা বন্যায় ৪ শতাধিক মৎস্য খামার মালিকের ১’শ ৫০ হেক্টর আয়তনের ৫ শতাধিক মৎস্য খামার ভেসে যায়। ভেসে যাওয়া পোনা মাছের পরিমান প্রায় ৩৫ মে. টন। সংখ্যায় এর পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৮ লাখ। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭০ লাখ টাকা। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মজিবর রহমান জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষীদের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
বাঁধ পরিদর্শন
বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউপির পশ্চিম নয়ানপুর বাঁধ পরিদর্শনে আসেন রংপুর সেনানিবাসের জিওসি মেজর  জেনারেল মাসুদ।
গত কয়েক দিনের বন্যায় বাঁধের বেশ কিছু অংশে ধস দেখা দেওয়ায় অত্রালাকার মানুষের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নয়ানপুর বাঁধের আশপাশের এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় গ্রহণ করার পরামর্শ প্রদান করা হয়।
বাঁধের ভাঙ্গন ঠেকাতে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ  সেনাবাহিনী। খুব স্বল্প সময়ে তারা বাঁধ রক্ষায় সফলতার মুখ দেখে। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বন্যার হাত  থেকে রক্ষা পায় পলাশবাড়ী উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের লাখ লাখ পরিবার।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দুপুরে রংপুর সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল মাসুদ, নয়ানপুর বাঁধ পরিদর্শন করেন।
এ সময় কর্নেল মিজান, গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাওছার মোঃ নজরুল ইসলাম, ভাইস-চেয়ারম্যান আবু তালেব সরকার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ তোফাজ্জল হোসেন ও থানা অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ