ঢাকা, শুক্রবার 15 September 2017, ৩১ ভাদ্র ১৪২8, ২৩ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ফেনীতে প্রচুর ইলিশ দাম কমছে

ফেনী সংবাদদাতা : ফেনীর বাজারে কমেছে সব ধরনের ইলিশের দাম। বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় একদিকে যেমন দাম নি¤œমুখী তেমনি বিক্রিও হচ্ছে বেশি। গত শনিবার ফেনী বড় বাজার, মহিপাল, সুলতান মাহমুদ পৌর হকার্স মার্কেট সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
জানা গেছে, ১শ ৭০ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। ফেনী বড় বাজারে ৬ পিস  মাছে ১ কেজি হয় এমন মাছ ১৭০ টাকা দরে আর ৩ পিস কেজি মাছ ৩শ থেকে ৪শ টাকায় ২ পিসে কেজি মাছ ৬শ ৫০ থেকে ৭শ টাকা, ৮শ গ্রাম থেকে ১ হাজার গ্রামের মাছ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার থেকে ১২শ টাকায়।
বিক্রেতারা জানান, গত ১৫ দিন যাবত ফেনীর বাজারে ইলিশের দাম নি¤œমুখী রয়েছে। বড় বাজারের ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম জানান, ভাদ্র মাসের শেষ ১৫ দিন থেকে আশ্বিন মাসের প্রথম ১৫ দিন সাগরের উপকুলীয় এলাকায় ইলিশ মাছ ডিম পাড়ে।
ফলে সাগরে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে এবং বাজারে প্রচুর পরিমানে ইলিশ থাকায় দাম কম হওয়ায় নি¤œ আয়ের ক্রেতারা সহজে মাছ ক্রয় করতে পারছে। মাছ বাজারগুলোতে অ বিক্রিত মাছ শহরের অলিগলিতে ভ্যানে করে মাছ বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে মাজারি সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি।
ফেনী বাজারের ক্রেতা আবির জানান, বাজারে প্রতিটি দোকানে ইলিশ থাকা ও দাম কম থাকায় ইলিশের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে।
জেলা মৎস কর্মকর্তা ড. মো: মনিরুজ্জামান জানান, বিশ্বের ১১টি দেশে ইলিশ উৎপাদন হত। এদের মধ্যে ১০টি দেশে ইলিশ উৎপাদন কমেছে।
শুধুমাত্র বাংলাদেশে বেড়েছে ইলিশের উৎপাদন। যার কারণ বাংলাদেশে ইলিশের অভয়াশ্রম তৈরি করা হয়েছে। জুন-জুলাইতে জাটকা, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ হওয়ায় ইলিশ মাছ নষ্ট হয়েছে কম।
তিনি জানান, সোনাগাজীর উপকুলে যে পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে তা ফেনীর চাহিদা পূরণ হয়ে অন্য জেলায় সরবরাহ করা সম্ভব। কিন্তু দেখা গেছে পার্শ্ববর্তী নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থেকে সোনাপুর  সহ আশপাশ থেকে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ আসায় দাম কমেছে অনেক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ