ঢাকা, শুক্রবার 15 September 2017, ৩১ ভাদ্র ১৪২8, ২৩ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আমতলীতে খাস জমিতে অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ

আমতলী সংবাদদাতা: বরগুনার আমতলী উপজেলার গাজীপুর বন্দরের সরকারি খাস জমি বিত্তবানের পেটে চলে গেছে। অবৈধভাবে  জায়গা দখল করে স্থায়ী ইমারত নির্মাণ চলছে।  আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নীরব ভূমিকা পালন করছে।
জানা গেছে, আমতলীর গাজীপুর বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাজার। এখানে সপ্তাহে দু’দিন হাট বসে। বন্দরের অকৃষি জমি রয়েছে ৮ একর। এ তথ্য উপজেলা ভূমি অফিসের। এ জমির কিছু অংশ আধা শতাংশ করে পরিবার প্রতি ভূমি অফিস একসনা বন্দোবস্ত দিয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, বন্দোবস্তকারীরা অনেকেই বিত্তবান। অনেক পরিবার বেনামে-স্বনামে ভূমিহীন সেজে এ জমি লিজ নিয়েছে। অনেক পরিবার পজিশন বিক্রি করে দিয়েছে। সরকারি বিধি অনুসারে একসনা বন্দোবস্ত জমিতে পাকা ইমারত নির্মাণ করতে পারে না। গাজীপুর ২৪নং মৌজার ১নং খাস খতিয়ানের বসবাসরত মো. মাসুদ গাজী  তার বাসভবনের সম্প্রসারনের নামে পাকা ইমারত নির্মাণ করছে। একাজ বন্ধের জন্য কুকুয়া  ভুমি  অফিসের  সহকারী  কর্মকর্তা  মোঃ আবুল খায়ের নোটিশ দেন। নোটিশ অমান্য করে  মাসুদ গাজী সেই কাজ বন্ধ না করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান প্রভাবশালীরা আধাঁ শতাংশ জমির লিজ নিয়ে দখল করে আছে ৪-৫ শতাংশ। অভিযোগ রয়েছে এভাবে দু’শতাধিক পরিবারে জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে অবৈধভাবে বসবাস করে আসছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদের জন্য গাজীপুর বন্দরের আম্বিয়া বেগম বরগুনা জেলা প্রশাসক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেছে। এব্যাপারে  মাসুদ গাজীর  কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ডিসি আর নিয়েছি। বহুতল ভবন করছেন কেন জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তোর দিতে পারেন নি।
চুনাখালী ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি  কর্মকর্তা  মো. আবুল খায়ের   জানান   কাজ বন্ধের জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে  গাজীপুর পুলিশ ফাড়িতে বিষয়টি লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে ।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.মুশফিকুর রহমান বলেন  সার্ভেয়ার পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি । বরগুনার   ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. নুরজ্জামান  জানান  সরকারি সম্পত্তিতে অবৈধভাবে  যদি কেউ ইমারত নির্মাণ করে   তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ