ঢাকা, শনিবার 16 September 2017, ০১ আশ্বিন ১৪২8, ২৪ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মুসলমানই সেরা জাতি

ইঞ্জিনিয়ার ফিরোজ আহমাদ : মুসলমান এমনই এক জাতি যারা নির্ভেজাল তৌহিদে বিশ্বাসী। এক আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে যে প্রভু মানে না সেই হয় মুসলমান। সম্স্ত র্শিক আর বিদআত থেকে মুক্ত হয়ে যে শুধু এক আল্লাহর কাছে মাথা নত করে সেই মুসলমান। 

ঈমানে আমলে বলিয়ান হয়ে এই মুসলমান শুধু এক আল্লাহর গোলামী বা এবাদত করে। মুসলমান উচ্চস্বরে বলিষ্ট কইেম ঘোষণা দেয় “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ।” মাতৃভাষায় ইহার অনুভূতি হল আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন প্রভু মানি না আর হয়রত মুহম্মদ (সাঃ) আল্লাহ্র প্রেরিত রাসূল আমাদের নেতা। এই ঘোষণাই মুসলমানের মূল ঈমানী শক্তি। এই শক্তিই সব কিছুর উপরে। এই শক্তির বলেই সে আল্লাহ্র প্রতি পূর্ণ বিশ্বাসী হয়ে উঠে। 

তাই সে পরকালের জবাবদিহীতার ভয় করে। সে অকপটে মেনে নেয় আল্লাহ্র প্রেরিত কিতাব ও রাসূলদের। সে বিশ্বাস করে ফেরেস্তা, পরকাল, বেহেস্ত, দোযখ ও তাকদিরের ভালমন্দ আল্লাহ্র থেকে হওয়ার উপর। মুসলমান তার এই ঈমানের বলিষ্ঠতার উপর অটল থাকে।

রাসূলের হাদীস হলো- “কুল আমানতু বিল্লাহি ছুম্মাসতাকিম। অর্থ্যাৎ বল, ঈমান আনলাম, এরপর অটল থাক। তাই মুসলমান আল্লাহ্তে পূর্ণ ঈমান এনে সে হয়ে উঠে সেরা সাহসী”। এই মুসলমান নামাযে দাড়িয়ে শপথ নিয়ে বলে- ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতায়ীন। অর্থ্যাৎ আমরা কেবল তোমারই ইবাদত, দাসত্ব, গোলামী করি আর কেবল তোমারই কাছে সাহায্য চাই। এই সেই সেরা জাতি মুসলমান যারা আল্লাহ্র আইন ছাড়া আর কারো আইন মানে না, মানতে পারে না। 

আল কুরআনের ঘোাষণা- “ইনিল হুকমু ইল্লা লিল্লাহ” অর্থ্যাৎ আইন চলবে শুধু আল্লাহরই। মুসলমান শুধু আল্লাহকেই ভয় করে। আল্লাহ্্র ব্যাপারে মুসলামান অন্য কোনো শক্তির সাথে আপস করে না। মুসলমান শুধু এক আল্লাহ্র মুখাপেক্ষী হয় আর আল্লাহ্র কাছেই আত্মসমর্পণ করে। মুসলমান শুধু আল্লাহ্কেই সিজদা করে। তাই মুসলমানই সেরা জাতি। 

মহান আল্লাহ্ তার পাক কালামে যে ঘোষনা করেন “কুনতুম খাইরা উম্মাতিন উখরিজাত লিন্নাস । তা মুরুনা বিল মারুফি ওয়াতান হাওনা আনিল মুনকারি ওয়া তু’মিনুনা বিল্লাহ।” অর্থাৎ তোমরা সর্বোত্তম জাতি, সমগ্র মানব জাতির কল্যাণের জন্যেই তোমাদের বের করে আনা হয়েছে। তোমরা দুনিয়ার মানুষদের সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে আর তোমরা নিজেরাও আল্লাহ্র উপর (পুরাপুরি) ঈমান আনবে। (সূরা আল-ইমরান- ১১০)।

বিশ্ব মুসলিম এক জামায়াত

বিশ্বের সেরা জাতি মুসলমান এক জামায়াত। আল্লাহর নিদর্শনের মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হল চন্দ্র ও সূর্য। ইহাদের মাপ কাঠিতে সারা বিশ্বের মুসলমান তার ফজর, জোহর, আছর, মাগরিব, এশা, জুময়া, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, হজ, রামযানের রোযা, লাইলাতুল ক্বদর ইত্যাদি সবই একই সাথে একই কাতারে একই সময়ে আদায় করে থাকে। একজন মুসলমান যখন নামাযে দাড়ায় তখন তার পিছনে এসে এক এক করে অনায়াসে সবাই জামায়াত বদ্ধ হতে থাকে। 

প্রতিদিন পাঁচবার, সপ্তাহে জুমার দিনে, বছরে দুই ঈদে, আর হজে¦ , ইয়াত্তমুল আরাফায় লক্ষ লক্ষ মুসলমানের জামায়াত এক কেবলা কাবা শরিফের অনুসরনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যায়। বিশ্বের কোটি মুসলমান এক মহা শক্তিশালী রাজ শক্তিতে পরিনত হয়ে যায়। কোটি কোটি মসজিদের মিনার থেকে এক আল্লাহ্র বড়ত্ব ঘোষনা দিয়ে যে আযান দেয়া হয় তার আওয়াজে আকাশ বাতাস অনুরনিত হতে থাকে। 

সমস্ত জিন আর মানুষের হৃদয় পবিত্র মহান আল্লাহর স্মরণে পাগলপারা হয়ে যায়। বিশ্ব জাহানে এমন মধুর আযানের মহা আয়োজন আর কোথাও নেই। রমযান মাসে বিশ্ব ব্যাপী সেহরি, ইফতার, তারাবিহ, যাকাত, ফিতরা আর দান খয়রাতের যে মহা ব্যবস্থা আদি থেকে চলে আসছে তা নজীর বিহীন। 

প্রতি রমজানে মুসলীম অমুসলিম কোটি কোটি এয়াতীম নিঃস, গরীব, মিসকিন, অভাবী, ও বঞ্চিত মানুষেরা অঢেল দামী খাবার আর অর্থ সম্পদ পেয়ে মহা আনন্দিত হয়। তারা ফরিয়াদ করতে থাকে রমযান কেন এতো তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়?

সম্পদশালী মুসলমানদের থেকে প্রদত্ত যাকাতে অগনিত মুসলিম অমুসলিম গরীব-মিসকিন পরিবার স্বাবলম্বী হয়ে উঠে। দুঃখ কান্না আর অশান্তি দুর করে অনাবিল শান্তি প্রতিষ্ঠায় মুসলমানের এমন ভূমিকায় সত্যি দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এ সেরা মানুষেরা বিশ্বের প্রতিটি আনাচে কানাচে থেকে এসে দলে দলে জড়ো হয় বিশ্বের সেরা ঘর কাবার চারিপাশে। 

মুসলমানের সর্বোত্তম ইবাদত হজ্জ সমাধা করতে সবাই সেখানে উচ্চস্বরে বলতে থাকে “লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক। লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননেয়মাতা লাকা ওয়াল মুল্ক, লা শারিকালাক। সারা বিশ্বের সেরা এই মুসলমানেরা সবাই এসে হাজির হয় বিশ্বের সেরা মাঠ আরাফাতে। বান্দার সব ফরিয়াদ কবুলের মাঠ এই আরাফার মাঠে।

আকাশের দিকে দুই হাত তুলে সেখানে মহান আল্লাহর দরবারে করুন স্বরে কাদতে থাকার এতবড় দল বিশ্বে আর কোথাও নেই। ক্বাবা ঘরের তাওয়াফ, সাফা মারওয়ায় সাঈ, মিনা মুজদালেফায় দলে দলে অবস্থান আর এবাদতের মিছিলে আল্লাহ্র অবারিত রহমত সেখানে বইতে থাকে। বিশ্বের সব অর্থশালী মুসলমানেরা এসব আল্লাহর মেহমানদের খুবই ভাল বাসেন। তারা অকাতরে প্রাণ খুলে বিলাতে থাকে এসব হাজীদের অঢেল খাদ্য ভান্ডার। 

আপেল, আঙ্গুর, কলা, কমলা, মাল্টা, জুস, দুধ, কেক, বিরানী, পোলাও সহ আরো নানান রকমের খাবারের প্যাকেট মনের উল্লাসে হাজীদের মাঝে বিলিয়ে শান্তি পায়। আল্লাহর মেহমান হাজীরা অতসব পেয়ে আনন্দের সাথে গ্রহণ করে নিজে খায় এবং অন্যকে বিলায়। আরাফার মাঠে কমপক্ষে ৪০ লক্ষ মুসলমানের ঐ সেরা মিছিলের বহর বার বার দেখে আল্লাহর দুশমন শয়তান ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে কাঁপতে কাঁপতে পালায়। 

মুসলমান যখন শাসক

বিশ্ব জাহানের পরিচালক ও প্রতিপালক মহান আল্লাহ। আল্লাহর বিধান মোতাবেক যখন এই দুনিয়া পরিচালিত হয় তখনই শুধু দুনিয়াবাসী সুখ শান্তি পায়। ঈমানদার ঈমান নিয়ে বাঁচতে পারে। যারা আল্লাহ্র বিধান মোতাবেক দেশ পরিচালনা করে তারাই মুসলিম শাসক। সেই মুসলমান যখন ক্ষমতাশালী হয় তখন তার প্রতি আল্লাহপাকের নির্দেশ রয়েছে। আল্লাহ বলেন- তোমরা যখন দেশের শাসন ক্ষমতায় বসবে তখন ৪ টি কাজ করবে। 

তা হলো (১) নামায প্রতিষ্ঠা করবে। (২) যাকাত ব্যবাস্থা চালু করবে। (৩) সৎকাজে আদেশ (৪) ও অসৎ কাজে নিষেধ করবে (সূরা হজ্জ, আয়াত-৪০)। মুসলমান যেখানে বাস করবে সেখানেই তারা এই মূলনীতির ভিত্তিতে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে। এটাই ইসলামী রাষ্ট্র। বিশ্ব মানবতার কল্যানেই সেরা জাতি এই মুসলমান আল্লাহর দেয়া কুরআনী শাসন কায়েম করে থাকে। 

সমস্ত নাগরিকের নিশ্চয়তা প্রদানে শুধু মুসলমানের পক্ষেই ইসলামী জীবন ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এই সেরা জাতির এরূপ রাষ্ট্র যখন কায়েম  থাকে তখন তাদের উপরে শুধু আল্লাহর রহমতই বর্ষিত হতে থাকে। কোন জুলুম, অত্যাচার, বে-ইনসাফি, খুন রাহাজানি আর কোন অশান্তি সেখানে থাকে না। শয়তান সেখান থেকে বায়ু নির্গমন করে পালাতে থাকে। সেটাই আল্লাহর কাংখিত স্বর্গীয় সমাজ।

উক্ত কল্যান রাষ্ট্রে সেরা জাতি এই মুসলমানের সততা, খোদা ভীরুতা আর যোগ্যতার প্রাধান্য থাকতে হয়। সঠিক পরিকল্পনা আর ঐক্যবদ্ধ শক্তি খাটিয়ে আল্লাহর পথে জীবন বাজী রেখে সম্পদ দিয়ে সংগ্রামে লিপ্ত হতে হয়। এমন শপথ দৃপ্ত সেরা মুসলমানদের দ্বারাই দুনিয়ায় অতুলনীয় কল্যান ও শান্তির  রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। ফলে মোমেন মুসলমানদের ঈমান রক্ষা সহ পরবর্তী জীবনে পায় জান্নাতের অনাবিল শান্তি। সমস্ত প্রাণীকূল সেই কাংখিত শান্তির জন্য অপেক্ষমান । 

মহান আল্লাহ পাক ঘোষনা করেন “আল্লাহ তাদেরই ভালোবাসেন যারা সীসা ঢালা প্রাচীরের ন্যায় কাতারবন্দী হয়ে আল্লাহর পথে সংগ্রামে লিপ্ত থাকে।” আল্লাহর ভালবাসা যারা পেতে চায়, আল্লাহর পথে সংগ্রাম করেই তা পেতে হয়। দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে যুগে যুগে যে সংগ্রাম অবশ্য করণীয় ছিল আজো উহার গুরুত্ব কমেনি। যারা আল্লাহর সৃষ্টির সুখের জন্য তথা মানব কল্যাণের জন্য আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে মহান আল্লাহ পাক তাদের প্রতি হন সন্তুষ্ট। আল্লাহর এ মুজাহিদগণই পায় দুনিয়া ও আখিরাতের সীমাহীন সাফল্য।

এমন প্রতিজ্ঞ ও শপথ দৃপ্ত সেরা মুসলমানদের দ্বারাই  আবাল বৃদ্ধ বনিতার জান্নাত নছিবের সৌভাগ্য এসে থাকে। সমস্ত প্রাণিকূল সেই কাঙ্খিত শান্তির কামনায় দিন ক্ষণ গুনতে থাকে। 

মহান আল্লাহ সূরা সফ এর ৪নং আয়াতে ঘোষণা করেন “আল্লাহ তায়ালা তাদের (বেশী) ভালোবাসেন যারা তাঁর পথে এমনভাবে সারিবদ্ধ হয়ে লড়াই করে, যেন তারা এক শিশা ঢালা সুদৃঢ় প্রাচীর”। আল্লাহ্র প্রেমিক বান্দাহ সেরা মুসলমান হতে কুরআনের সমাজ অপরিহার্য। এজন্য যুগে যুগে নবী-রাসূল, সাহাবায়ে কেরাম তথা মুসলমান জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে প্রাণপণ করে সংগ্রাম করেছে। তাকেই বলে জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ। জিহাদ ঈমানের বাস্তব সর্বোচ্চ চূড়া। এই জিহাদ করা ফরজ।

যারা ইসলাম নির্মূূল করতে এগিয়ে আসে তারা বাতিল বা কুফুরীশক্তি। বাতিলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যে প্রাণ হারায় সে হয় শহীদ। আর যে প্রাণে বেঁচে যায় সে হয় গাজী। শহীদ আর গাজীরা জান্নাতুল ফেরদাউসের অধিকারী হবে। মহান ও শ্রেষ্ঠ নেতা মুহাম্মদ (সঃ) তাঁর মাদানী জীবনে কল্যাণ রাষ্ট্র কায়েম করেছেন। যখনই মুসলমান শাসক হয়েছে তার পূর্বে সীমাহীন ত্যাগ, বহু সাহাবীর শাহাদাত আর সর্বাত্বক সংগ্রামে ঐ শান্তির বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 

সেরা এই মুসলিম জাতির সেরা সম্পদ হল আল-কুরআন। বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক সংখ্যায় প্রচারিত হচ্ছে যে কিতাব তাহলো এই আল-কুরআন। এটা এমনই এক কিতাব যাহা হৃদয় ক্বলবে মুখস্থ রেখেছে বিশ্বের কোটি কোটি হাফেজ। অন্য কোন কিতাব নেই যাহা এভাবে পুরাপুরি ও অধিক হারে মুখস্থ করা হয়। প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা সারাবিশ্ব ব্যাপি এই আল-কুরআনই সর্বাধিক পাঠ করা হয়। ইহাই হল সেরা জাতি মুসলমানদের জীবন বিধান। একমাত্র এই কিতাবই নির্ভূল। আল্লাহ বলেন- “যালিকাল কিতাবু লা রইবা ফিহ”।

আল্লাহর পক্ষ থেকে সেরা নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর উপর অহীর মাধ্যমে ত্রিশ পারার এই কুরআন নাজিল হয়। খ্রীষ্টান গবেষক উইলিয়াম হার্ট বিশ্বের ১০০তম সেরা ব্যক্তিদের তালিকা করে “দি হান্ড্রেড বই লিখেছেন। উহাতে তিনি সবার চেয়ে সেরা মহা মানব হিসেবে এই মুহম্মদ (সাঃ) এর নাম সর্বপ্রথমে লিখেছেন। তাহলে মুসলমানই সেরা জাতি।

কারণ-

১। মুসলমান আল্লাহ্কে একমাত্র প্রভু মনে করে। আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সিজদাহ করেন না। 

২। মুসলমানের ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআন শ্রেষ্ঠ ও নির্ভূল কিতাব।

৩।এক মুসলমান অন্য মুসলমানের সাথে সাক্ষাৎ হলে মিষ্টি হাসিতে সুন্দরভাবে সালাম জানিয়ে প্রাণ ভরে দোয়া করে হাতে হাত মিলিয়ে শুভেচ্ছা কামনা করে আর বুক মিলিয়ে কোলাকুলি করে।    

৪। কোন মুসলমান মারা গেলে বিশ্বের যে কোন প্রান্তের মুসল্লি মৃত ব্যক্তির জানাযায় অংশ গ্রহন করে এবং তার জান্নাত কামনায় দোয়া করে থাকে। 

৫। কোন জুলুমের মোকাবেলায় মুসলমান ধৈর্য্য সহকারে উহা হজম করে। সর্বদা ধৈর্য্য ধারন করে। এমন মুসলমানের সাথে আল্লাহ সর্বদা থাকেন। 

৬। মুসলমানের নির্ভূল কিতাব আল-কুরআনের হাফেজ বিশ্ব ব্যাপী সর্বাধিক। 

৭। সবচেয়ে বেশী কপি ছাপানো হয় আল-কুরআন।

৮। সর্বাধিক পড়া হয় মুসলমানের ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআন। 

৯। পরকালে যারা বেহেস্তে যাবে তারা হল এই মুসলমান জাতি। দুনিয়াতেও সর্বাধিক সম্মানিত জাতি হল মুসলমান। 

১০। আল্লাহর দেখানো পথ ধরে মুসলমান সমস্ত শিরক বিদআত থেকে বেঁচে চলে। 

১১। মুসলমানের এবাদতের ঘর মসজিদ। সারা বিশ্বে এই মসজিদের সংখ্যা সর্বাধিক। এই মসজিদের সংখ্যা সর্বধিক। মসজিদ থেকেই মুসলিম/অমুসলিম সহ সর্বাধিক সেবা করা হয় যা অন্য কোথাও হয় না। পিপাসায় ছটফট করা পথচারী মুসাফির তার পিপাসা মিটায় এই মসজিদ থেকে। পায়খানা-প্রশ্রাবের মত অতি জরুরী সমস্যার সমাধানে সেরা জাতি মুসলমানের মসজিদ সবাইকে সেবা দিতে সর্বদা উম্মুখ থাকে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ