ঢাকা, শনিবার 16 September 2017, ০১ আশ্বিন ১৪২8, ২৪ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সাদুল্যাপুরে কাদা মাটিতেই দিন কাটছে প্রতিমা শিল্পীদের

সাদুল্যাপুর (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহোৎসব সামনে রেখে সাদুল্যাপুর উপজেলার পুজামন্ডপ গুলোতে কাদামাটি খড়-কাঠ আর প্রতিমা নিয়েই দিন কাটছে কারিগরদের। নিখুঁতভাবে কাজ ফুটিয়ে তুলতেই সর্বোচ্চ মনোযোগ শিল্পীদের। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠি পূজার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এ মহোৎসব শুর” হবে। চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে পাঁচদিনের উৎসব। প্রতিমা তৈরি শুর” হয়েছে অনেক আগে। এখন কেবল প্রতিমাগুলোর নকশা করা হচ্ছে। এক সপ্তাহের মধ্যেই তৈরি করা দুর্গার প্রতিমা গুলোতে রং লাগিয়ে সু-সজ্জিত করা হবে বলে জানিয়েছেন কমরত শিল্পীরা।

সাদুল্যাপুর উপজেলা পূঁজা উৎযাপন পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক প্রভাত চন্দ্র অধিকারী জানান, উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ১০১টি পূঁজা মন্ডপে পূঁজঅর্চনার আয়োজন করা হচ্ছে। উৎসাহ উদ্দীপনা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সনাতন ধর্মালম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গোৎসব নিয়ে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় চলছে সাঁজ-সাঁজ রব। পূজার আনন্দকে ভাগাভাগি করে নিতে পুজারী থেকে শুর” করে কর্মব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা শিল্পীরা। আলোক সজ্জার সাথে মন্দিরে-মন্দিরে প্রতিমা শিল্পীর রঙ তুলির আছড়ে যেন জীবন্ত হয়ে উঠছে সু-দর্শন প্রতিমাগুলো। সব মিলিয়ে প্রতিটি এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে মহা আনন্দের ছোয়া। তবে এক্ষেত্রে সকল আনন্দকে সর্বোত্তম জায়গায় এগিয়ে নিতে সর্বশেষ পরিশ্রম মূলে রয়েছে প্রতিমা তৈরীর শিল্পীরা। প্রত্যেক শিল্পীর শুধু লক্ষ্য তৈরিকৃত প্রতিমার সৌন্দয্য বৃদ্ধি করে ভক্তদের আনন্দকে সার্থক করে তোলা। তাই শেষ মূহুর্তে প্রস্তুতিতে যেন দম ফেলার ফুরসুত নেই তাদের।

সাদুল্যাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরহাদ ইমর”ল কায়েস বলেন, এবারে ১০১টি মন্ডপের মধ্যে ৯ পুজামন্ডপ ঝুকিপর্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি পূঁজামন্ডপে আনছার, পুলিশ সদস্যরা মোতায়েন থাকবে। এছাড়াও পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যদের সার্বক্ষণিক টহল ব্যবস্থাও জোরদার করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ