ঢাকা, সোমবার 18 September 2017, ০৩ আশ্বিন ১৪২8, ২৬ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা চার লাখ ছাড়িয়েছে॥ প্রতিদিন আসছে ১৮০০০

সংগ্রাম ডেস্ক : রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমারের ডি-ফ্যাক্টো সরকারের নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন গড়ে ১৮,০০ মানুষ প্রবেশ করছে বাংলাদেশ সীমান্তে। জাতিগত নিধনযজ্ঞ থেকে রক্ষা পেতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা চার লাখ ছাড়িয়েছে। জাতিসংঘের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই খবর জানিয়েছে। সাম্প্রতিক ক্লিয়ারেন্স অপারেশনের লক্ষ্যে সেনা অভিযান শুরুর কয়েকদিনের মাথায় বিদ্রোহী রোহিঙ্গারা ২৪টি পুলিশ চেকপোস্টে বিদ্রোহীদের সমন্বিত হামলায় অন্তত ১০৪ জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়ে রোহিঙ্গাবিরোধী অভিযান জোরদার করে সরকার। তখন থেকে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে শুরু করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষেরা। এই সংকট মোকাবিলায় বিশ্ববাসীর সহায়তা চাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা করার পর জাতিসংঘ ৪ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসার নতুন তথ্য জানায়। ক্লিয়ারেন্স অপারেশন জোরদার হওয়ার পর থেকেই মিলতে থাকে বেসামরিক নিধনযজ্ঞের আলামত। পাহাড় বেয়ে ভেসে আসতে শুরু করে বিস্ফোরণ আর গুলীর শব্দ। পুড়িয়ে দেওয়া গ্রামগুলো থেকে আগুনের ধোঁয়া এসে মিশতে শুরু করে মৌসুমী বাতাসে। মায়ের কোল থেকে শিশুকে কেড়ে নিয়ে শূন্যে ছুঁড়ে দেয় সেনারা। কখনও কখনও কেটে ফেলা হয় তাদের গলা। জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় মানুষকে। তাই পালিয়ে আসতে থাকে মানুষেরা। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার আগমনে এরই মধ্যে জনাকীর্ণ রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর অবস্থা শোচনীয় হয়ে গেছে। জাতিসংঘ বলেছে, শুক্রবার একটি ক্যাম্পের কাছে কিছু ব্যক্তির কাপড় বিতরণের সময় ‘ছুটাছুটি’ করতে গিয়ে দুই শিশু ও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। 

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চাপ দিবে কানাডা 

শীর্ষনিউজ ডেস্ক : রোহিঙ্গা ইস্যুতে পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে কানাডা। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের চলতি ৭২তম অধিবেশনে এই ব্যাপারে কানাডা সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিশ্চিয়া ফ্রিল্যান্ড এই ঘোষণা দিয়েছেন।

 শনিবার টরন্টোর ডাউনটাউনে ম্যাট কোহেন পার্কে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিশ্চিয়া ফ্রিল্যান্ড জানান, রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের সঙ্গেও কথা বলেছেন। রোহিঙ্গা ইস্যুটি এখন কানাডার ইস্যু হয়ে ওঠেছে। প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। মিয়ানমারে কানাডার রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে কানাডা রাখাইন সফরের চেষ্টা করছে, যাতে রাখাইনের পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। 

গত ২৫ আগস্ট থেকে চার লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমকে শনিবার পর্যন্ত দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে মিয়ানমার সরকার। তারা বাংলাদেশে শরণার্থী হয়েছেন বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে। এছাড়া শত শত রোহিঙ্গা রাখাইনে সেনাদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে, নারী ও কিশোরীদের গণধর্ষণ করছে। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ৪৭১টি গ্রামের মধ্যে এরই মধ্যে ১৭৬টি গ্রাম খালি হয়ে গেছে।   

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঐক্যের ডাক মিয়ানমার সেনাপ্রধানের 

রোহিঙ্গা বলে কোনো জাতিসত্তা মিয়ানমারে কখনোই ছিল না দাবি করে এ বিষয়ে নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। তিনি বলেছেন, বিদেশি সংস্থাগুলো যা বলছে তাতে কান দেওয়া মিয়ানমারের নাগরিকদের উচিত হবে না। বরং তাদের গোপন আঁতাতের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। শনিবার ডিফেন্স সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন স্কুলের এক ডিপ্লোমা বিতরণ অনুষ্ঠানে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের এই বক্তব্য আসে। দেশটির নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানসহ শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ওই অনুষ্ঠানে দেওয়া তার বক্তব্য তার ফেইসবুক পেইজেও প্রকাশ করা হয়েছে। সেনা প্রধান বলেন, গত ২৫ অগাস্টের পর থেকে রাখাইনে সহিংসতার ৯৩টি ঘটনা ঘটিয়েছে ‘চরমপন্থী বাঙালিরা’। বুথিডং ও মংডুতে একটি ঘাঁটি গড়ার চেষ্টায় ‘চরমপন্থী বাঙালিরা’ এই সহিংসতা ঘটায়।“তারা রোহিঙ্গা হিসেবে স্বীকৃতির দাবি করছে, যদিও ওইরকম কোনো জাতিসত্ত¦া মিয়ানমারে কখনোই ছিল না। বাঙালিদের ইস্যুটি একটি জাতীয় বিষয় এবং সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”জেনারেল মিন অং হ্লাইং বলেন, “মিয়ানমারের সকল নাগরিককে তাদের দেশাত্মবোধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আর এক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমগুলোরও ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।” 

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে তাদের বাহিনীর উন্নয়নে সচেষ্ট হতে হবে। একইভাবে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে হাতে হাত বেঁধে এগিয়ে আসতে হবে। স্থানীয় নৃগোষ্ঠীগুলোকে তাদের নিজ নিজ এলাকার উন্নয়নে সচেষ্ট হতে হবে। রাখাইন রাজ্যের পুনর্বাসন কার্যক্রমে প্রতিটি নৃগোষ্ঠীর মানুষকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। আর এ কাজে নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের সহযোগিতা করতে হবে সশস্ত্র বাহিনীকে।” গত ২৪ অগাস্ট রাখাইনের পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে হামলার ঘটনার পর থেকে রোহিঙ্গাদের গ্রামে গ্রামে চলছে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন চলছে, যা বড় ধরনের মানবিক সঙ্কট তৈরি করছে। নানা বিষয়ে বিরোধ থাকলেও মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল এনএলডির, দেশটির সেনাবাহিনী এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধরা একটি বিষয়ে একাট্টা, আর তা হল- রাখাইনে কয়েক শতক ধরে বসবাস করে আসা ১১ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমানকে তারা নিজেদের নাগরিক হিসেবে মেনে নিতে রাজি নয়। এই বিদ্বেষ থেকেই যুগের পর যুগ ধরে রোহিঙ্গা নিপীড়ন চলে আসছে, যার বিরূপ প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশে ওপরও। গত কয়েক যুগ ধরে চার লাখ রোহিঙ্গার ভার বহন করে বাংলাদেশে নতুন করে আর চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।সেনাবাহিনী কীভাবে গ্রামে ঢুকে নির্বিচারে গুলী চালিয়ে মানুষ মারছে, ঘরের ভেতরে আটকে রেখে কীভাবে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, লুটপাট চালিয়ে কীভাবে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেই বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কথায়। রাখাইনের পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এই দফায় বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা দশ লাখে ঠেকতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।রোহিঙ্গাদের ওপর যা চলছে তাকে স্পষ্টভাবে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিবিসিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মিয়ানমার যে এখনও অনেকখানি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে, তা বেশ স্পষ্ট। আর রাখাইনে যা ঘটছে, তা সেনাবাহিনীর কারণেই ঘটছে। মিয়ানমারের নেত্রী এখনই সেনা অভিযান বন্ধের উদ্যোগ না নিলে তা ভয়ঙ্কর বিপর্যয় ডেকে আনবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। 

 রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি হচ্ছে ১৪ হাজার তাঁবু

 কক্সবাজার থেকে বাসস : কক্সবাজারের বালুখালী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৪ হাজার তাঁবু তৈরি করা হচ্ছে। 

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) গতকাল রোববার থেকে তাঁবু তৈরির কাজ শুরু করেছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাঁবু নির্মাণ কাজ শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সেনা বাহিনীও এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হবে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার দেয়া ত্রাণ সামগ্রী ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে পরিবহন করে কক্সবাজারে জেলা প্রশাসকের দফতরে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্বও পালন করবে সেনাবাহিনী। 

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে এক সমন্বয় সভা গতকাল রোববার সকালে অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে রোহিঙ্গাদের একটিমাত্র ক্যাম্প বালুখালীতে স্থানান্তর, প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশনসহ বিভিন্ন বিষয় নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের সাথে যৌথভাবে কাজ করবে জাতিসংঘের দুই সংস্থা ইউএসএইচসিআর ও আইওএম। এই দু’টি সংস্থা রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সব তাঁবু সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে। 

সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, বালুখালীতে স্থাপিত নতুন ক্যাম্পকে ২০ ব্লকে ভাগ করা হবে। আপাতত বরাদ্দ ২ হাজার একর ভূমিতে তাঁবু তৈরি করে সেখানে রোহিঙ্গাদের থাকার জায়গা করে দেয়া হবে। প্রতিটি তাঁবুতে ৬টি রোহিঙ্গা পরিবারকে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। সেখানে সব রোহিঙ্গাদের স্থান সংকুলান না হলে আরো জমি বরাদ্দ করা হবে। বালুখালীতে ৫ হাজার ২০০ একর জমি রয়েছে। 

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ সুষ্ঠু ও গতিশীল করতে ইতিমধ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি’র মাধ্যমে প্রতিদিন ১ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গার জন্য খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কাজ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। 

তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ কাজ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য রোববার থেকে ১২টি কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। সেখান থেকে ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের তত্ত¦াবধানে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ হচ্ছে। ১৪ হাজার তাঁবু তৈরির কাজও রোববার থেকে শুরু হয়েছে। তিনি জানান, আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের বালুখালীতে নিয়ে আসা হবে। 

 জেলা প্রশাসক জানান, রোহিঙ্গাদের মধ্যে জরুরিভিত্তিতে ত্রাণ বিতরণ কাজ চালিয়ে যাবে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। কোন ব্যক্তি, সংগঠন এবং সরকারি বেসরকারি কোন সংস্থা ত্রাণ বিতরণ করতে চাইলে তা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে করতে হবে। 

তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার জন্য ইতিমধ্যে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ৭০ জন অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জানান, আগামী ৩ মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন কাজ সম্পন্ন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পাসপোর্ট অধিদফতর এই কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। 

তিনি জানান, বালুখালী ক্যাম্পে খোলা হবে রোহিঙ্গা ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের একটি শাখা অফিস। এখানে জেলা প্রশাসনের একটি অফিস এবং পুলিশ ক্যাম্প থাকবে। 

কক্সবাজারে ইউএনএইচসিআর মুখপাত্র ভিভিয়ান তান জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিতরণের জন্য তাঁবু, সোলার লাইট, কম্বল, রান্নাঘরের সরঞ্জাম, প্লাষ্টিক সীটসহ বেশ কিছু ত্রাণ সামগ্রী শুক্রবার ইউএনএইচসিআর কক্সবাজার কার্যালয়ে এসে পৌঁছেছে। স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তা বিতরণ কাজ আজ রোববার থেকে শুরু করা হয়েছে। 

উখিয়া ও টেকনাফে ৬টি কেন্দ্রে রোহিঙ্গা নিবন্ধন অব্যাহত রয়েছে। হাজার হাজার রোহিঙ্গা নারী পুরুষ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে নিবন্ধন করছেন। বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গারাও সেখানে নিবন্ধনের জন্য আসছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ