ঢাকা, সোমবার 18 September 2017, ০৩ আশ্বিন ১৪২8, ২৬ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

শিক্ষা এখন বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে -ন্যাপ মহাসচিব

গত ৫২ বছরেও সার্বজনিন শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি উল্লেখ বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম.  গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, সার্বজনীন ও সহজলভ্য শিক্ষা এবং গণমুখী শিক্ষানীতির দাবিতে ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পূর্ব বাংলার ছাত্রসমাজ রাস্তায় নামে। পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরাচার আইয়ুব খান ওই আন্দোলনকে দমন-পীড়নের মাধ্যমে স্তব্ধ করতে উদ্যত হয়। চলে পুলিশের গুলি-টিয়ারগ্যাস ও লাঠিচার্জ। রঞ্জিত হয় ঢাকার রাজপথ। তিনি বলেন, সেই গণআন্দোলনের শহীদ বাবুল, গোলাম মোস্তফা ও ওয়াজিউল্লাহ। ছাত্রসমাজ ১৭ সেপ্টেম্বর তারিখটিকে ‘শিক্ষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসে ’৬৪-এর ছাত্র আন্দোলন, ’৬৬-এর ৬-দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধ। আমরা শিক্ষা দিবসের শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করছি এবং তাদের স্বপ্নসাধ বাস্তবায়নে দৃঢ় অধিকার ব্যক্ত করছি।
গতকাল রোববার দুপুরে নয়াপল্টনস্থ যাদু মিয়া মিলনায়তনে ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস স্মরণে বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রকেন্দ্র আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জাতীয় ছাত্র কেন্দ্রের সমন্বয়কারী সোলায়মান সোহেলের সভাপতিত্বে সভায় আলোচনায় অংশগ্রহন করেন এনডিপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, ঢাকা মহানগর সদস্য সচিব মো. শহীদুননবী ডাবলু, ছাত্র কেন্দ্রের যুগ্ম সমন্বয়কারী আলী নূর নাদিম, স্বরজিৎ কুমার দ্বেব, গোলাম মোস্তাকিন ভুইয়া, নির্বাহী সদস্য আবুল হোসেন, সীমা আক্তার প্রমুখ।
 গোলাম মোস্তফা ভুইয়া  বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য আজও শিক্ষার অধিকার বাস্তবায়ন হয়নি। কালের পরিক্রমায় শিক্ষা এখন বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে। আজও আমরা সহিত্যকারের গঠনমূলক শিক্ষানীতি প্রনয়ন করতে পারেনি। এখনও বাংলা মায়ের সব শিশুসন্তানকে শিক্ষার আওতায় আনা সম্ভব হয় নি। ধনবৈষম্য ক্রমে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্যকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। নিরক্ষর নারী-পুরুষ যেমন রয়েছে তেমনি অজ্ঞতা-কুসংস্কার-অন্ধত্ব সর্বব্যাপী দাপটে বিরাজমান। সমাজে নৈতিকতার অবক্ষরের ধারা রোধ এখনও সম্ভব হয় নি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ