ঢাকা, সোমবার 18 September 2017, ০৩ আশ্বিন ১৪২8, ২৬ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

হোমনার পারিবারিক কবরস্থানে বিএনপি’র সাবেক এমপি মর্তুজা হোসেন মোল্লার দাফন সম্পন্ন

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা ঃ ১৯৭৯সালে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মর্তুজা হোসেন মোল্লার তিন বার জানাযা শেষে রোববার অপরাহ্নে নিজ গ্রাম হোমনার ঘনিয়ারচর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। গত শনিবার তিনি রাজধানীর হাইটেক মাল্টিকেয়ার হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৯বছর বয়সে ইন্তিকাল করেন, ইন্নানিল্লাহে ওয়াইন্না ইলাইহি রাজীউন। মৃত্যুকালে মর্তুজা হোসেন মোল্লা স্ত্রী, তিন মেয়ে, আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক শুভাকাক্সিক্ষ ও বন্ধুবান্ধব রেখে গেছেন। রোববার সকাল ১০টায় তার প্রথম জানাযা উপজেলা পরিষদ মাঠে, দ্বিতীয় জানাযা দুলালপুর হাইস্কুল ও তৃতীয় জানাযা ঘনিয়ারচর খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাযপূর্ব তার কর্মময় স্মৃতির উপর সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাড. রফিক শিকদার ও মোঃ মাহফুজুল ইসলাম, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আক্তারুজ্জামান সরকার। অসুস্থতার কারণে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার জানাযায় উপস্থিত থাকতে না পারলেও তার পক্ষে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. আজিজুর রহমান মোল্লা। বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র এ্যাড. নজরুল ইসলাম, হোমনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ, সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর, দুলালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জসিম উদ্দিন সওদাগর, আসাদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জালাল পাঠান, দুলালপুর স্কুলের সভাপতি মোঃ রোস্তম আলম স্বপন, প্রধান শিক্ষক এটিএম মফিজুল ইসলাম শরিফ, উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান মেজবাহ্্ উদ্দিন সরকার ও মরহুমের বড় জামাতা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক প্রমুখ। উল্লেখ্য ১৯৯১সালে মর্তুজা হোসেন মোল্লা বিএনপি’র মনোনয়ন না পেয়ে আওয়ামীলীগ থেকে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এমকে আনোয়ারের কাছে হেরে তার রাজনীতিতে নিষ্কৃয় হলেও অত্র অঞ্চলে তিনি একজন আদর্শবান ও সৎ চরিত্রের লোক হিসেবে মানুষের মনে আস্থা অর্জন করেছিলেন।
 হোমনায় ডেপুটি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ॥ মন্ত্রণালয় থেকে তদন্তের নির্দেশ
 হোমনা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিলের ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম প্রধানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক বরাবর। জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে হোমনার ইউএনওকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইউএনও অফিস। জানাগেছে হোমনা উপজেলার চান্দেরচর গ্রামের মৃত খন্দকার সুরুজ মিয়ার ছেলে মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার হুমায়ুন কবির (লাল মুক্তিবার্তা নং ০২০৪১২০১৪৬ ভারতীয় নং ৩২১৪১) এর অভিযোগসূত্রে বলা হয়েছে আবুল কাশেম প্রধান প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন এবং মুক্তিযোদ্ধা ও ডেপুটি কমান্ডারের ক্ষমতাবলে অর্থের বিনিময়ে অনেককে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছেন। এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। উপজেলার ভিটিকালমিনা গ্রামের মৃত রাজ্জাক প্রধানের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা বিল্লাল হোসেন অনুরূপ দরখাস্ত জমা দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যান বরাবর। এবিষয়ে ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম প্রধানের সাথে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, অভিযোগ কি কি প্রশাসন থেকে জানতে চাইলে আমি জবাব দেব এখনো আমাকে কিছু জানানো হয়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ