ঢাকা, মঙ্গলবার 19 September 2017, ০৪ আশ্বিন ১৪২8, ২৭ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মাশরাফি-এনামুল জেতাতে পারলেন না খুলনাকে

স্পোর্টস রিপোর্টার : ৪ ওভার ১ মেডেন ১২ রান ৩ উইকেট। ৪-১-১২-৩। চার দিনের ম্যাচে এই বোলিং ফিগারটা খুলনার বোলার মাশরাফি বিন মর্তুজা। জাতীয় লিগের ১৯তম আসরের প্রথম রাউন্ডে প্রথম স্তরের ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে শেষ ইনিংসে মাত্র চার ওভার বোলিং করে  আগুন ঝরিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। তবে নির্ধারিত সময়ই যে শেষ হয়ে যায়! উলে ম্যাচ নিষ্প্রাণ ড্র। রংপুর-খুলনা ম্যাচের শেষ দিনটি ছিল যেন এনামুল হক বিজয় আর মাশরাফি বিন মর্তুজারই। খুলনার ওপেনার বিজয় তার ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির স্বাদ পেয়েছেন। বিজয়ের ২১৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের পর মাশরাফির ৪ ওভারে ৩ উইকেট। খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করে নিজেদের প্রথম ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরিতে ৪৭১ রান করে রংপুর বিভাগ। নাঈম ইসলাম আর ধীমান ঘোষ সেঞ্চুরি করেন। ৮৯ রান করেন সোহরাওয়ার্দী শুভ। জবাবে বিজয়ের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি আর রবিউল ইসলাম রবির সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ৯ উইকেটে ৪৯৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে খুলনা। তাদের লিড দাঁড়ায় ২৪ রান। শেষ দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ ওভার ব্যাট করে ৩৭ রান তুলতেই হানা দেয় বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে আউট ফিল্ড ভেজা থাকায় ড্র ঘোষণা করেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা।
রাজশাহীর জয়
জাতীয় ক্রিকেট লিগের টায়ার টু'র প্রথম রাউন্ডে জয় পেয়েছে রাজশাহী। গতকাল সোমবার ম্যাচের চতুর্থ ও শেষ দিন সিলেট বিভাগকে ৬ উইকেটে পরাজিত করেছে রাজশাহী। রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে লো স্কোরিং ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১২৮ রানে গুটিয়ে যায় সিলেট বিভাগ। প্রথম ইনিংসে  রাজশাহী গুটিয়ে যায় মাত্র ৭৯ রানে। ৪৯ রানের লিড নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬২ রানে গুটিয়ে যায় সিলেট; ফলে রাজশাহীর সামনে ২১২ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। ফরহাদ হোসেন ও জুনায়েদ সিদ্দিকীর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে  লাঞ্চের আগেই জয় পায় রাজশাহী। গতকাল ২ উইকেটে ৮৬ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে রাজশাহী। দলকে ১৩৬ পর্যন্ত টেনে নিয়ে আউট হন জুনায়েদ। তবে চতুর্থ উইকেটে মাইশুকুর রহমানকে নিয়ে ৬৭ রানের দারুণ জুটি গড়ে রাজশাহীকে জয়ের বন্দরের কাছাকাছি নিয়ে সাজঘরে ফেরেন ফরহাদ। দলীয় ২০৩ রানের মাথায় ফরহাদ ফিরে গেলে মাইশুকুর ও ফরহাদ রেজা মিলে ৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন। ফরহাদ হোসেন ৯৯ বলে ১১টি চার ও একটি ছক্কায় ৭০ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। এছাড়া জুনায়েদ ৪৬ এবং মাইশুকুর করেন ৩৭ রান। এর আগে জহুরুল ইসলাম ৩৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন।
কক্সবাজারে ড্র করলো ঢাকা-বরিশাল
দুই উইকেট হারিয়ে ৩০৯ রান। এমন শক্ত অবস্থানে থেকেও শেষ পর্যন্ত জাতীয় ক্রিকেট লিগে বরিশালের সাথে ড্র করেছে ঢাকা বিভাগ। ১৯তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডের প্রথম স্থরের ম্যাচে বৃষ্টির বাগড়ায় ম্যাচের তিনদিনই খেলা হতে পারেনি। ফলে নিষ্প্রাণ ড্র মেনে নিতে হয়েছে দুই দলকেই। শুক্রবার ভেজা আউটফিল্ডের কারণে প্রথম দিনের খেলা হয়নি। পরদিন ব্যাট-বলের লড়াইয়ে জমে ওঠে ম্যাচ। শেষ দুদিন আবারও বৃষ্টি। রোববার বৃষ্টির কারণে দিনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। গতকালও সোমবার একই কারণে একটি বলও মাঠে গড়াতে পারেনি। ফলে দুপুরে ম্যাচ ড্র ঘোষণা করেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা। দুই দলকে ২ পয়েন্ট করে দেওয়া হয়েছে।ম্যাচের দ্বিতীয় দিন পুরো ৯০ ওভার খেলা হয়। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেটে ৩০৯ রান  করে ঢাকা বিভাগ। সেঞ্চুরির স্বাদ পান রনি তালুকদার ও সাইফ হাসান। রনি ১২০ ও সাইফ ১০৬ রান করেন। সাইফ ১০৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ