ঢাকা, মঙ্গলবার 19 September 2017, ০৪ আশ্বিন ১৪২8, ২৭ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মিয়ানমার থেকে এক লাখ টন আতপ চাল আমদানি করা হবে -খাদ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : মিয়ানমার থেকে এক লাখ টন আতপ চাল আমদানি করছে বাংলাদেশ। দুই দেশের মধ্যে রোববার এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়েছে। ওই দিন সন্ধ্যায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ চুক্তি সই হয়। তবে এজন্য লাগবে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের সম্মতি।
গতকাল সোমবার বিকালে সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কায়কোবাদ এবং মিয়ানমারের পক্ষে দেশটির রাইস ফেডারেশনের (এমআরএফ) ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. অং থান উ।
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ ১০ লাখ টন চাল আমদানির প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু মিয়ানমার প্রাথমিকভাবে এক লাখ টন চাল রফতানি করতে সম্মত হয়েছে। প্রতি টনের দাম পড়বে ৪৪২ ডলার।
জানা গেছে, চুক্তি অনুযায়ী উভয় দেশের প্রতিনিধি দল ১০ দিন সময় পেয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সম্মতি নেবে নিজ দেশের প্রতিনিধি দল। পরে চুক্তি অনুযায়ী চাল আমদানি করা হবে।
গতকাল সোমবার বিকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমার থেকে এক লাখ টন আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। গত শনিবার চাল রফতানির চুক্তি করতে ঢাকায় আসে মিয়ানমারের ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। রোববার দলটির সদস্যরা দিনব্যাপী বৈঠক করে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে।
কবে নগাদ চাল আমদানি শুরু হতে পারে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রক্রিয়া শেষ হতে যে কদিন সময় লাগে। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে। পরে পর্যায়ক্রমে অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির অনুমোদন হলেই আমরা চাল আমদানির জন্য এলসি খুলবো। তার পরেই চাল আসা শুরু করবে।
তবে তিনি সুনিদিষ্ট করে বলেননি আসলে চাল আসতে কত সময় লাগবে। দুই দেশের প্রধানের অনুমতি পেলে ই কেবল চাল আমদানি করতে পারবে বাংলাদেশ।
আতপ চাল কেন আমদানি হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশই আতপ চাল খেতে অভ্যাস্ত। আমরা চাইলেই সিদ্ধা চাল আমদানি করতে পারি না। এ চালের ভাত অনেক স্বাদ। আমরা অভ্যাস্ত নই বলেই মনে করি তা খাওয়া যাবে না।
আমরা ওএমএসের মাধ্যমে আতপ চাল বিক্রি রোববার থেকে শুরু করেছি। তাতে ক্রেতাদের মধ্যে বেশ আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। এক সপ্তাহ খেলেই ভোক্তারা অভ্যাস্ত হয়ে পড়বে। তখন দেখবেন আতপ চালের জন্য দীর্ঘ লাইন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ