ঢাকা, মঙ্গলবার 19 September 2017, ০৪ আশ্বিন ১৪২8, ২৭ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

গাইবান্ধায় পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় তদন্ত

গাইবান্ধা সংবাদদাতা: সদর থানার এসআই দেবাশিষ সাহার স্ত্রী লাবণী সাহা রূপসী’র আত্মহননের ঘটনা তদন্তে আজ সোমবার দুপুরে সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সুপার তানজিলুর রহমান ঘটনাস্থলে আসেন।
তিনি রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায় যেখানে লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে লাবনী আত্মহত্যা করেন সেই স্থানটি পরিদর্শন করেন। এ সময় বালাদেশ মহিলা পরিষদ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার তানজিলুর, লাবনীর বাবা গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, কাকা নন্দ সাহা, মামা হরিদাস সাহাসহ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রণজিৎ বকসি সূর্য, চঞ্চল সাহার কাছে বিস্তারিত বিবরণ গ্রহণ করেন। লাবণীর বাবা বলেন, তার মেয়েকে স্বামী এস আই দেবাশীষ আত্মহননে প্ররোচিত করে।
পুলিশ সুপার তানজিলুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রমাণ গ্রহন করা হবে। মোবাইলের কললিস্ট সংগ্রহ করেও দেখা হবে। তদন্তে প্রয়োজনে সিআইডি ও পিবিআইকেও দায়িত্ব দেয়া হতে পারে।
স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখা দেবাশীষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে একটি স¥ারকলিপি তদন্ত সংশ্লিষ্টদের হাতে তুলে দেয়। এসময় পুলিশ সুপারের সাথে পরিষদের সভাপতি আমাতুর নূর ছড়া ও সম্পাদক রিকতু প্রসাদসহ অন্য নেতা কর্মীরা মতবিনিময় করেন।
এ বছরের ৩ মার্চ কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার দেবাশীষ সাহার সাথে একই জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার লাবনী সাহার বিয়ে হয়। গাইবান্ধা সদর থানায় বদলীর পর পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর দেবাশীষ তার স্ত্রীসহ জেলা শহরের মাস্টারপাড়ায় বসবাস শুরু করেন।
বিয়ের আগের প্রেমিকার সাথে সম্পর্ক রাখাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে প্রতিদিন ঝগড়া-ঝাঁটি লেগেই থাকতো। আগের রাতেও দেবশীষ লাবণীকে মারধোর করেন। গত বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকালে ঘরে তালা দিয়ে লাবণীকে আটকে রেখে দেবাশীষ বাসা থেকে বের হয়ে যান।
আত্মীয় স্বজন তালা খুলে দিলে দুপুরের পর লাবনী আতœহত্যা করেন। দেবাশীষসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দানের মামলা করে পরিবার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ