ঢাকা, বুধবার 20 September 2017, ০৫ আশ্বিন ১৪২8, ২৮ জিলহজ্ব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ওয়ারীতে গণপিটুনিতে ‘ছিনতাইকারীর’ মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর ওয়ারীতে ‘ছিনতাইয়ের সময়’ গণপিটুনিতে এক যুবক নিহত হয়েছে। নিহত মো. নাদিম (৩০) এর বাবার নাম বারেক জমাদ্দার। তার বাড়ির ঠিকানা জানা যায়নি।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওয়ারীর কেএম দাস লেনে এ ঘটনা ঘটে বলে বলে জানান ওয়ারী থানার এসআই রাজীব আহমেদ। তিনি বলেন, সকালে নাদিম ও তার আরেক সহযোগী মোটর সাইকলে কেএম দাস লেনে এসে এক রিকশারোহীর পথরোধ করে। এ সময় রিকশার যাত্রী দৌড়ে পালিয়ে গেলেও চালককে ধরে তার সঙ্গে থাকা টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে তারা। রিকশাচালক স্বপন টাকা দিতে না চাইলে তার পিঠে কোপ দেয় ছিনতাইকারীরা।

এসআই রাজীব বলেন, এ সময় স্বপনের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে নাদিমকে ধরে পিটুনি দেয়। মোটরসাইকেল নিয়ে তার সহযোগী পালিয়ে যায়। পুলিশ নাদিমকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে গেলে বেলা ১১টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয়। ছিনতাইকারীদের কোপে আহত রিকশা চালককে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয় জানিয়ে এই পুলিশ সদস্য জানান, তার পিঠে ১০টির মতো সেলাই লেগেছে।

ধানমন্ডি লেকে কিশোরের ভাসমান লাশ : ধানমন্ডি লেক থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক কিশোরের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ধানমন্ডি ৪ নম্বর রোড সংলগ্ন লেক থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. পারভেজ ইসলাম জানান। তিনি বলেন, ওই কিশোরের বয়স আনুমানিক ১৩ বছর। তার পরনে ছাই রঙের টি-শার্ট ও খাকি থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট ছিল।

লাশটি ‘অর্ধ-গলিত’ জানিয়ে পরিদর্শক পারভেজ বলেন, মৃতদেহ দেখে মৃত্যুর কারণ বোঝা যায়নি। তিন থেকে চার দিন আগে ওই কিশোরের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে তারা ধারণা করছেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঢাকা মেডিকল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শাহজালালে আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেটসহ ৬ ভারতীয় আটক : শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে ছয়জন ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীর কাছ থেকে আমদানি নিষিদ্ধ ১ লাখ ৭০ হাজার শলাকা বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দারা।

সোমবার কুয়ালালামপুর থেকে আসা এমএইচও-১৯৬ ফ্লাইটটি আনুমানিক রাত দেড়টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ৮৫০টি কার্টনে সিগারেটগুলো পাওয়া যায় বলে নিশ্চিত করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান।

আটকযাত্রীরা হলেন, নির্মল সিংহ, পাসপোর্ট নং- চ৩৮২৮৮০৮; পারমিন্দের জিত সিংহ, পাসপোর্ট নং- ঘ৪৮৬৪৪৬৬; মানিক আররা, পাসপোর্ট নং- ঘ২৩৯১৭৭৮; রাম কুমার গৌতম, পাসপোর্ট নং- গ৬৫৯৬৪৩১; মাঞ্জিত সিংহ, পাসপোর্ট নং- ঘ৮৪৬০০৩১; নেহা আররা আলিয়াস রাজনি খান্না, পাসপোর্ট নং- ক৬০৬৩৭১১।

ড. মইনুল খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুল্ক গোয়েন্দারা ব্যাগেজ বেল্টসহ গ্রিন চ্যানেলে বিশেষ নজরদারি বজায় রাখে। যাত্রীরা ১নং বেল্ট থেকে লাগেজ সংগ্রহ করে স্ক্যানিং ফাঁকি দিয়ে গ্রিন চ্যানেল দ্রুত অতিক্রম করে চলে যাওয়ার প্রাক্কালে তাদের গতিরোধ করা হয় এবং পরবর্তীতে কাস্টমস হলে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে তাদের সাথে থাকা ৮টি লাগেজ খুলে ১ লাখ ৭০ হাজার শলাকা আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।

জব্দ করা সিগারেটগুলো ৮৫০টি মিনি কার্টনে ছিল। এসব সিগারেট কোরিয়ান ESSE Light ব্র্যান্ডের। 

আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে বাংলায় ধূমপানবিরোধী সতর্কীকরণ লেখা ব্যতীত বিদেশি সিগারেট আমদানি করা যায় না। সিগারেটের ওপর উচ্চ শুল্ক (প্রায় ৪৫০ শতাংশ) পরিহারের জন্যই এসব সিগারেট আনা হয়েছে বলে ধারণা করছে শূল্ক গোয়েন্দারা।

শুল্ককরসহ জব্দ করা পণ্যের মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। এ ব্যাপারে শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ