ঢাকা, রোববার 24 September 2017, ০৯ আশ্বিন ১৪২8, ০৩ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

চীনকে মোকাবেলায় সীমান্তে ৭৫০ বিলিয়ন ডলার খরচে বিমান ‘হ্যাঙ্গার’ নির্মাণ করবে ভারত

২৩ সেপ্টেম্বর, সিএনবিসি : চীনের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কায় ভারত সীমান্তে বিভিন্ন বিমান ঘাঁটিতে ‘হ্যাঙ্গার’ নির্মাণ করবে। এজন্যে সাড়ে ৭’শ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ অনুমোদন দিয়েছে ভারত। এসব ঘাঁটি থেকে যাতে যুদ্ধ বিমান সহজেই প্রতিদ্বন্দ¦ী দেশের যুদ্ধ বিমানকে মোকাবেলা করতে পারে এ লক্ষ্যেই এধরনের ‘হ্যাঙ্গার’ বা বিমান আশ্রয়স্থল নির্মাণ করা হবে। ২০১৫ সালে এ পরিকল্পনা নেয় ভারত। চীনের সঙ্গে সাম্প্রতিক সীমান্ত উত্তেজনার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অফিস থেকে প্রকল্প অনুমোদনের জন্যে চাপ দেয়া হয়। এক্সপ্রেস ইউকেভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সীমান্তে এসব ‘হ্যাঙ্গার’ নির্মাণে দেশটির পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিমান ঘাঁটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে যেগুলোর অবস্থান চীন সীমান্তে। ‘হ্যাঙ্গার’গুলোর ডিজাইন এমন করা হবে যাতে সেখানে ‘ ক্ষেপণাস্ত্র’ মজুদ ছাড়াও অন্তত ২ হাজার পাউন্ডের বোমা রাখা যায়। গত বছর ভারতের প্রতিরক্ষা বিষয়ক একটি পার্লামেন্টারি প্যানেল এধরনের ‘হ্যাঙ্গার’ তৈরির প্রস্তাব দেয়। ভারতের ওই প্যানেল কমিটি জানায়, যুদ্ধ বিমানের অভাব ছাড়াও ‘হ্যাঙ্গার’এর অভাব রয়েছে। যা রয়েছে সেখানে স্বল্পসংখ্যক বিমান রাখা যায়। কমিটি একই সঙ্গে ‘হ্যাঙ্গার’ সমস্যা নিরসনে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের তাগিদ দেয়। সম্প্রতি ভারত সরকার চীন সীমান্তে বিমান অবতরণের সুবিধা বৃদ্ধি করছে। এছাড়া লেহ, লাদাখের মত স্থানগুলোতে ‘হ্যাঙ্গার’ তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে ভারতের বিমান বাহিনী নতুন ধরনের অস্ত্র মজুদ সুবিধা ও বিপুল সংখ্যক ল্যাব স্থাপন করছে। ২০০৪ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে এধরনের ১৬টি ‘হ্যাঙ্গার’ নির্মাণ করা হয় রুশ যুদ্ধ বিমান সখুই-থার্টি রাখার জন্যে। এসব হ্যাঙ্গারে ১ হাজার পাউন্ড বোমা মজুদ রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। সম্প্রতি চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা এধরনের নির্মাণ চাহিদাকে আরো বৃদ্ধি করেছে। গত জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত ‘ডোকলাম’ ইস্যুতে চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। দুটি দেশের সেনাবাহিনী সীমান্তে তৎপর হয়ে ওঠে। দুটি দেশের পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে এবং এদুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধলে তা এ অঞ্চলে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। ইউরেশিয়া গ্রুপের এশিয়া বিষয়ক বিশ্লেষক শৈলেশ কুমার বলেছেন, ভারত ও চীন উভয় দেশই অর্থনৈতিক সম্পর্কে শীতল পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ