ঢাকা, সোমবার 25 September 2017, ১০ আশ্বিন ১৪২8, ০৪ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রাজধানীতে অগ্নিকাণ্ডে মায়ের মৃত্যু দুই শিশু দগ্ধ

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় একটি টিনশেড ঘরে অগ্নিকান্ডে নিহত হয়েছেন এক নারী; দগ্ধ হয়েছে তার দুই শিশু সন্তান। শনিবার ভোররাতে বৈঠাখালী এলাকায় এই অগ্নিকান্ড ঘটে বলে বাড্ডা থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী জানিয়েছেন। নিহতের নাম ইয়াসমিন (৩৮)। তার সন্তান আমানুল্লাহ (১১)ও সানজিদাকে (৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা জীবন মিয়া বলেন, টিনশেড ওই ঘরে আসবাবপত্রের কারখানা ছিল, পাশাপাশি লোকজনও থাকতেন।

ওসি ওয়াজেদ বলেন, “রাত ৩টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে পুলিশ ইয়াসমিন ও তার দুই শিশুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।”

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মো.বাচ্চু মিয়া বলেন, শরীরের ৭০ ভাগ পুড়ে গিয়েছিল ইয়াসমিনের। হাসপাতালে আনার পর তাকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। আমানুল্লাহর শরীরের ৩০ ভাগ এবং সানজিদার দেহের ২৮ ভাগ পুড়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। তারা হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছে।

কী কারণে এই আগুন লেগেছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। অগ্নি নির্বাপক বাহিনীর কর্মকর্তাদের ধারণা, বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুন লাগতে পারে।

জানা গেছে, বৈঠাখালী এলাকার ফরিদের দ্বিতীয়তলা কাঠের বাড়ির নিচে ভাঙাড়ির দোকানে শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে বাড়িটির দ্বিতীয়তলায় থাকা একই পরিবারে তিনজন দগ্ধ হন।

শাহজালালে ৫ লাখ ৯৪ হাজার রিয়ালসহ দম্পতি আটক

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এক দম্পতিকে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৫০০ রিয়ালসহ আটক করেছে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ দল। গতকাল রোববার মাসুদুর রহমান ও মাহমুদা উর্মি দম্পতির কাছ থেকে এসব বৈদশিক মুদ্রা জব্দ করা হয়, বলে জানান ঢাকা কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার সাইদুল ইসলাম। সহকারী কমিশনার সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রিভেন্টিভ দল দুপুরে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর যাওয়ার প্রাক্কালে বোর্ডিংসহ ব্রিজ-১ (এক্স) থেকে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৫০০ রিয়ালসহ এক দম্পতিকে আটক করা হয়েছে।’

আটকদের বাড়ি ঢাকার কদমতলীতে জানিয়ে এই কমিশনার বলেন, ‘আটকরা জানিয়েছেন বেড়ানোর উদ্দেশে তারা সিঙ্গাপুর যাচ্ছিলেন। বৈধ অনুমোদন ব্যতীত পাচারের উদ্দেশে বৈদেশিক মুদ্রা বহন করার ঘটনায় শুল্ক আইন, ১৯৬৯ অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ