ঢাকা, মঙ্গলবার 26 September 2017, ১১ আশ্বিন ১৪২8, ০৫ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

এশিয়ায় মিয়ানমারই ইসরাইলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়

২৫ সেপ্টেম্বর, ইউকিপিডিয়া : ইসরায়েলের সঙ্গে মিয়ানমারের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ১৯৫৩ সালে। ইয়াঙ্গুন ও তেলআবিবে দুই দেশেরই দূতাবাস রয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের রয়েছে চমৎকার সম্পর্ক। এশিয়ায় মিয়ানমারই প্রথম ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। দুটি দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ছাড়াও বিভিন্ন খাতে ব্যাপক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে কৃষি ও শিক্ষা খাতে দুটি দেশ দারুণভাবে সাহায্য করছে একে অপরকে।
১৯৫৫ সালে মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী উ নু ইসরায়েলে প্রথম বিদেশি নেতা হিসেবে দেশটি সফর করেন। এরপর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন-গুরিয়ন ১৯৬১ সালে মিয়ানমার সফর করেন। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মিন অং হেইং ইসরায়েল সফর করেন ২০১৫ সালে। এ সফরের উদ্দেশ্য ছিল দুটি দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো বৃদ্ধি করা।
দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার সামরিক জান্তার কবলে এবং অং সাং সুচির নেতৃত্বেও ইসরায়েলের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক অটুট রয়েছে। গত বছর ইসরায়েলে মিয়ানমারের নতুন রাষ্ট্রদূত প্রেসিডেন্ট রিউভেন রিভিলিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন। রাষ্ট্রদূতের মেয়ে ইসরায়েলের ইন্টারডিসিপ্লিনারি সেন্টার হার্জিলিয়ায় প্রথম মিয়ানমারের ছাত্রী হিসেবে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
মিয়ানমারে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, ডানিয়েল জনশিন। গত বছর মিয়ানমারের এক ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে তার দেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বের চেয়েও অনেক বেশি। ইসরায়েল মিয়ানমারের কাছে অন্যতম অস্ত্র বিক্রেতা দেশ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ