ঢাকা, বুধবার 27 September 2017, ১২ আশ্বিন ১৪২8, ০৬ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

দুই উপজেলার মানুষের ভরসা বলেশ্বর খালের একমাত্র বাশেঁর সাঁকো

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা : ইন্দুরকানী ও মোড়েলগঞ্জ দুই উপজেলার বাসিন্দাদের একমাত্র ভরসা সংযোগ স্থাপনকারী বলেশ্বর বাশেঁর সাকোঁটি। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বরের প্রলয়ংকরী সিডরে এডিবির অর্থায়নে নির্মিত এই খালের উপর নির্মিত সেতুটি একেবারে বিধ্বস্ত হয়ে গেলে দুই উপজেলার বাসিন্দারা বাশঁ ও সুপারি গাছ দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করে চলাচল করছে। ১০ বছর পার হতে চললেও দুই উপজেলার সমন্বয়হীনতার কারণে নতুন করে সেতুটি নির্মাণের কোন বরাদ্দ হচ্ছে না। ফলে বাশেঁর সাঁকোই চলাচলের মাধ্যম। প্রতিদিন এই সাঁকো পার হয়ে ইন্দুরকানী উপজেলার বাসিন্দারা মোড়েলগঞ্জ সহ শরণখোলা, সুন্দরবন ও মংলা বন্দরে যেতে হয়। তেমনি স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খরস্রোতা বলেশ্বর খালের এই সাঁকোটি পার হতে হয়।উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের পথেরহাট বাজার সংলগ্ন বলেশ্বর খালের পশ্চিম প্রান্তে মোড়েলগঞ্জ উপজেলা এবং পূর্ব প্রান্তে ইন্দুরকানী উপজেলার সীমারেখা। খালের পশ্চিম প্রান্তে পাঠামারা আলিম মাদ্রাসা, বদনী ভাংগা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। খালের পূর্ব প্রান্তে পথেরহাট বাজার, বালিপাড়া পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বালিপাড়া সিনিয়র মাদ্রাসা ও দুইটি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। অথচ ১০ বছর ধরে দুই উপজেলার বাসিন্দারা সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হলেও সেতুটি নির্মাণ করছে না কর্তৃপক্ষ। ২০০৫ সালে জোট সরকারের শাসনামলে এই সেতুটি এডিবির অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে সিডরে বিধ্বস্ত হলেও এটি আর পুনঃনির্মাণ করা হয়নি। এ বিষয়ে বালিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন বয়াতী জানান, সিডরে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ১০ বছর পার হতে চললেও সেতুটি আজও নির্মাণ করা হয়নি। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি নির্মাণ করা প্রয়োজন।
উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী জানান, দুই উপজেলার বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য জনগুরত্বপূর্ণ এই সেতুটি নির্মাণ প্রয়োজন।
উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী মোঃ হাজ্জাজ হোসেন জানান, মোড়েলগঞ্জ ও ইন্দুরকানী দুই উপজেলার মধ্যবর্তী বলেশ্বর খালের সেতুটি নির্মাণ প্রয়োজন। কিন্তু দুই উপজেলার টানা পড়েনের কারণে আপাতত কোন বরাদ্দ না দেওয়ায় সেতুটি নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ