ঢাকা, শুক্রবার 29 September 2017, ১৪ আশ্বিন ১৪২8, ০৮ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

পূর্ব-তিমুর ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ওয়ালটন পণ্যের নতুন রফতানি বাজার

 

স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও উচ্চ গুণগতমানের পণ্য দিয়ে বিশ্ব ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করে চলেছে ওয়ালটন। তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন রপ্তানি বাজার। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশী ব্র্যান্ড ওয়ালটনের রপ্তানি নেটওয়ার্কে নতুন যুক্ত হয়েছে পূর্ব-তিমুর। এছাড়াও শিগরীরই ওয়ালটন পণ্য যাবে শ্রীলঙ্কা, ইরাক ও সোমালিয়ায়। 

ওয়ালটন সূত্রমতে, পূর্ব-তিমুরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন হোম ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সেস রপ্তানির বড় আদেশ পেয়েছে ওয়ালটন। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে পণ্য রপ্তানির সমস্ত প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই পূব-তিমুরের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যাবে ওয়ালটন পণ্য বোঝাই করা কন্টেইনারবাহী জাহাজ। 

জানা গেছে, বিশ্ব ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে স্থানীয় বাজারের মতো আন্তর্জাতিক বাজারেও শক্তিশালী অবস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়েছে ওয়ালটন। সেই লক্ষ্যে শতভাগ আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করে বিশ্বের লেটেস্ট প্রযুক্তির ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সেস রপ্তানি করছে ওয়ালটন। ফলে, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ওয়ালটন পণ্য দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। 

ওয়ালটনের আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের প্রধান রকিবুল ইসলাম রাকিব জানান, বর্তমানে এশিয়া, আফ্রিকা ও মধ্য প্রাচ্যের ২২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল  অ্যাপ্লায়েন্সেস। এই তালিকায় এবার নতুন যুক্ত হয়েছে পূর্ব-তিমুর। পাইপলাইনে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, ইরাক ও সোমালিয়া। তিনি জানান, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে ৯১.৯৫ শতাংশ বেশি পণ্য রপ্তানি হয়েছে ওয়ালটনের।  কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি বছরও পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতাদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। এরইমধ্যে ওইসব দেশের বেশ কয়েকজন ক্রেতা গাজীপুরের চন্দ্রায় স্থাপিত ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শন করেছেন। তারা কারখানায় বিশ্বের লেটেস্ট সব প্রযুক্তি, মেশিনারিজ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীর সমন্বয়ে ওয়ালটন পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে, উৎপাদিত পণ্যের আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখতে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া বিশ্ব ক্রেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ