ঢাকা, শুক্রবার 29 September 2017, ১৪ আশ্বিন ১৪২8, ০৮ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি ৫ অক্টোবর

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পরবর্তী শুনানির জন্য ৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসার মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ দিন ধার্য করেন।
এদিন বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্নার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। এ মামলায় আসামী মনিরুল ইসলাম খানের পক্ষে মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক নুর আহমেদকে জেরা করেন তার আইনজীবী টি এম আকবর।  কিন্তু জেরা শেষ না হওয়ায় বিচারক আগামী ৫ অক্টোবর অবশিষ্ট জেরার তারিখ ধার্য করেন। একই সঙ্গে ওই দিন অরফানেজ মামলারও পরবর্তী শুনানির তারিখ ঠিক করেন বিচারক।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুদক।
২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলা তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদ তাদের চারজনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
 ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।
মামলার বাকি আসামীরা হলেন- খালেদার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
 অপর মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৫ আগস্ট ছয়জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ