ঢাকা, শনিবার 30 September 2017, ১৫ আশ্বিন ১৪২8, ০৯ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

গত দেড় বছরেও জাতীয়করণ হয়নি খুলনাসহ দেশের ১৮টি কলেজের জনবল

খুলনা অফিস : গত দেড় বছর আগে খুলনাসহ সারাদেশে ১৮টি কলেজে সরকারিকরণ করা হলেও প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এখনও জাতীয়করণ করা হয়নি। ফলে কলেজগুলোতে যোগদান, নিয়োগ ও বেতন-ভাতা বন্ধ থাকায় তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোতে জনবল সংকটে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়াও বিঘিœত হচ্ছে। এ অবস্থায় ভুক্তভোগীরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা গেছে, খুলনার কয়রা মহিলা কলেজ ও মংলা কলেজসহ একই প্যাকেজে দেশের ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হয় ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ। এরপর ওই বছর ১১ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাছিমা খানম স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, পুনঃ আদেশ না দেয়া পর্যন্ত সর্বজ্যৈষ্ঠ শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করবেন। আত্তীকৃত শিক্ষকবৃন্দ অন্যত্র বদলি হতে পারবেন না। পাশাপাশি ২০০০ সালের বিধিতে কর্মরত অধ্যক্ষ থেকে শুরু করে সব শিক্ষক একই কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করবেন।

কিন্তু ওই সময়মই মন্ত্রণালয় পাঁচটি কলেজে সংযুক্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ দিলে এর বিরোধিতা করে কয়েকটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ স্বপদে বহাল থাকার জন্য হাইকোর্টে রিট করেন। যার প্রেক্ষিতে কলেজগুলোতে সকল জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যায়। সেই থেকে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আর বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। ফলে বেতন-ভাতা না পেয়ে তারা মানবেতন জীবন যাপন করছেন। পাশাপাশি তাদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, সরকারিকরণ হওয়ার পর থেকে কলেজগুলোতে যোগদান, নিয়োগ ও বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে এক প্রকার মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা। এছাড়া অনেক শিক্ষক-কর্মচারী অবসরে চলে গেছেন। কিন্তু জাতীয়করণের বিষয়ে জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রচন্ড জনবল সংকটে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়াও বিঘিœত হচ্ছে। এ অবস্থার অবসানে ভুক্তভোগীরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চলের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) টি এম জাকির হোসেন বলেন, এ সংক্রান্ত কাজ মন্ত্রণালয় করে। অতএব, মন্ত্রণালয়ে কথা ভালো বলতে পারবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ