ঢাকা, মঙ্গলবার 3 October 2017, ১৮ আশ্বিন ১৪২8, ১২ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ট্রেড-বেইজড মানি লন্ডারিং বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি -দুদক চেয়ারম্যান

স্টাফ রিপোর্টার : ‘ট্রেড-বেইজড মানি লন্ডারিং’ বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি মনে করেন, অবৈধ অর্থপাচার ঠেকাতে বিদ্যমান আইনি দুর্বলতাও এর অন্যতম কারণ। গতকাল সোমবার ইউনাইটেড নেশনস অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইমের (ইউএনওডিসি) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অ্যান্টি-করাপশন অ্যাডভাইজার জোরানা মার্কোভিকের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে দুদক চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘সাইবার ক্রাইম, অর্থপাচার এবং বড় বড় দুর্নীতিগুলোর পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান বা তদন্ত করার মতো দক্ষ মানবসম্পদের অভাব রয়েছে। এসব অভিযোগ অনুসন্ধান বা তদন্তে কী ধরনের সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে, যার মাধ্যমে বিষয়টি আদালতে প্রমাণ করা যাবে, সেসব বিষয়ে আমাদের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সক্ষমতারও ঘাটতি রয়েছে। তাই কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়নের স্বার্থে আরও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদক চায় সরকারি সেবা দেওয়ার পদ্ধতিগত উন্নয়নের মাধ্যমে দুর্নীতির উৎস বন্ধ করতে। কমিশনের সম্পদ পুনরুদ্ধার ইউনিট না থাকায় মামলা নিষ্পত্তির পরও জনগণের সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা করা যাচ্ছিল না। তাই দুদকের নিজস্ব সম্পদ পুনরুদ্ধার ইউনিট গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।’

কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএনওডিসি সহযোগিতা করতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে ইউএনওডিসির সহযোগিতা প্রয়োজন। জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের বিধান অনুযায়ী দুদক ইতোমধ্যেই ভুটানের দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এছাড়া রাশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়টিও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।’

আজ মঙ্গলবারও একই সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুদকের বৈঠক হবে। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দুদক কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম, সচিব ড. মো. শামসুল আরেফিন, ইউএনওডিসির কনসালটেন্ট রিাচার্ড ই. মেসিক, দুদক মহাপরিচালক মো. মঈদুল ইসলাম, মো. আতিকুর রহমান খান প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ