ঢাকা, মঙ্গলবার 3 October 2017, ১৮ আশ্বিন ১৪২8, ১২ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

শিশুদের কথা শুনে আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা করতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্ব শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, আজ যারা শিশু তারাই আগামী দিনে দেশের কান্ডারী, দেশের হাল ধরবে তারাই। তাই শিশুদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে, শিশুদের কথা শুনে আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা করতে হবে।

গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকিসহ সকল অতিথি ও অংশগ্রহনণকারী শিশুরা এ কথা বলেন। প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্বজুড়ে শিশু দিবস পালিত হয়। সে হিসেবে গতকাল ২ অক্টোবর পালিত হয়েছে বিশ্ব শিশু দিবস। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম। অনুষ্ঠানে শিশু সাহিত্যিক রফিকুল হক, ঝর্ণা দাশ পুরাকয়স্থ এবং আসলাম সানীর হাতে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। পুরস্কার দেয়া হয় নানা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদেরকেও। 

 মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, শিশুদের জন্য সুন্দর পৃথিবী আমাদের প্রত্যাশা। আর তাদের জন্য সব অধিকার নিশ্চিত করা গেলে শিশুরা ভবিষ্যতে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং তখন তারা সুন্দরভাবে বিশ্বকে পরিচালনা করবে। কেবলমাত্র নিজ নিজ দেশের নয়, বিশ্ব নেতাদেরকে বিশ্বে সব শিশুকে নিয়ে ভাবতে হবে।

বর্তমান সরকার শিশুদের অগ্রাধিকার দিয়েছে মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১১ সালে শিশু নীতিসহ শিশুদের সুরক্ষায় বিভিন্ন আইন হয়েছে, বাল্যবিয়ে বন্ধ নিয়ে সরকার বিশেষভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সবাইকে মনে রাখতে হবে, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশুদের নিয়োজিত করা যাবে না।

পথশিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে চুমকি বলেন, অনেক উন্নত দেশের চেয়ে আমাদের দেশে শিশুর সংখ্যা বেশি। তাই কেবল সরকার নয়, বাবা-মাসহ সবাইকে শিশুদের স্বার্থে সচেতন হতে হবে, যার যার জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে।

শিশুরা যেন পুষ্টিহীনতা এবং অশিক্ষায় না ভোগে সেজন্য পরিবারকে সজাগ থাকতে হবে। শিশুদের জন্য কেবল মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় নয়, আরও ১০টি মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের তৈরি করতে না পারলে আমাদের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, স্কুল-মাদ্রাসাগুলোতে সাংস্কৃতিক বিকাশ ঘটাতে হবে, তৃণমূলের শিশু, পথশিশুদের তুলে আনতে হবে, তাদের বিকশিত করতে হবে। 

কবিতা আবৃত্তি, নাচ গানসহ অনুষ্ঠানে আমেরিকা, ফিলিপাইন, ভারত, স্পেন, তুরস্ক, ইয়েমেন ও শ্রীলংকার শিশুরাও বাংলাদেশের শিশুদের সঙ্গে অংশ নেয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ