ঢাকা, মঙ্গলবার 3 October 2017, ১৮ আশ্বিন ১৪২8, ১২ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

৮০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া

শাহেদ মতিউর রহমান : সরকারি ব্যবস্থাপনায় (জি টু জি পদ্ধতিতে) বাংলাদেশ থেকে ৮০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া। সম্প্রতি শ্রমিকের এই চাহিদাপত্র বাংলাদেশকে দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। গত কয়েক বছরের মধ্যে শ্রম বাজারে ধস নামার পর মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে এটাই শ্রমিক নিয়োগের বড় প্রস্তাব। তবে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে বেসরকারি এজেসন্সিগুলোর সম্পৃক্ততা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বায়রা। 

সূত্র জানায়, দীর্ঘ দিন গোমট ভাব থাকার পর জি-টু-জি প্লাস (সরকার থেকে সরকার) প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠান ও কারখানায় লোক নিয়োগের সুযোগ ও সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাই করে ৮০ হাজার শ্রমিকের চাহিদাপত্র বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে।

২০০৯ সালে শ্রম রফতানিতে ধস নামার পর ২০১৬ সালের ১০ মার্চ বাংলাদেশ থেকে ৯৮ যাত্রী নিয়ে সোর্স কান্ট্রি হিসেবে শ্রমিক যায় মালয়েশিয়ায় । এখন পর্যন্ত প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ কর্মীর মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থান হয়েছে।

এদিকে দু’বছর যাবৎ জি-টু-জি প্লাস পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানি শুরু হলেও বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক যাওয়ার ক্ষেত্রে তেমন গতি পরিলক্ষিত হয়নি। এমনটি মনে করছেন রিক্রুটিং এজেন্সি ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা। জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রার একাধিক নেতা জানান, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার শুরু হওয়ার পর ২০ মাসে মাত্র ৩২ হাজার ৫০০ শ্রমিক যেতে পেরেছেন।

মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, মালয়েশিয়া সরকার এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে সোর্স কান্ট্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। জি-টু-জি পদ্ধতিতে শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার পর হাইকমিশনে এক লাখ কর্মীর নামে ডিমান্ড চলে এসেছে (চাহিদাপত্র)।

এসব চাহিদাপত্রের বিপরীতে আমরা প্রতিটি কোম্পানিতে সরেজমিনে গিয়ে সুযোগ-সুবিধা দেখে ৮০ হাজারের মতো ডিমান্ড সত্যায়িত করে ঢাকায় পাঠিয়েছি। এর মধ্যে প্রসেসিং শেষে ঢাকা থেকে ৩২ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় এসেছে। তাদের কেউ হাইকমিশনে অভিযোগ করতে আসেনি। দিন যত যাবে এখানকার মানুষের মানসিকতাও তত পরিবর্তন হবে। শ্রমিক আসার গতিও বেড়ে যাবে’- যোগ করেন তিনি।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রফতানির কাজ এখন খুব ভালোভাবে হচ্ছে। তবে শ্রমিক পাঠানোর কাজটি যদি সব রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক করতে পারতেন, তাহলে কর্মী যাওয়ার গতি আরও বাড়ত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ