ঢাকা, মঙ্গলবার 3 October 2017, ১৮ আশ্বিন ১৪২8, ১২ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সাপাহারে মিথ্যে মামলার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদিক সম্মেলন

সাপাহার (নওগাঁ) সংবাদদাতা : নওগাঁর সাপাহার করমুডাঙ্গা সীমান্তে বৈধ ভাবে ব্যবসার গরু আনার পথে টাকা পয়সার লেনদেন নিয়ে বিটমালিক জিল্লুর রহমান ও তার সহকর্মীরা গরু ব্যবসায়ীদের বিজিবিকে গরুসহ ধরিয়ে দেওয়া ও মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ায় এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে করমুডাঙ্গা গ্রামের মনিরুলের পুত্র আওয়াল হোসেন।  শুক্রবার বিকেলে সাপাহার রিপোর্টার্স ফোরাম কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আওয়াল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, তার ফুফাত ভাই উপজেলার করমুডাঙ্গা গ্রামের আফজাল হোসেনের পুত্র তোজাম্মেল হক (৩৫) দীর্ঘদিন যাবৎ বৈধ ভাবে শুল্ককর বিট  পরিশোধ করে ভারতীয় গরুর ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। এরই সূত্র ধরে বেশ কিছুদিন আগে বিট মালিক জিল্লুর রহমানের সাথে প্রতি গরুতে টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে তার সাথে তোজাম্মেলের কথাকাটাকাটি হয়। পরবর্তী সময়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর বিট মালিককে জানিয়ে তোজাম্মেল ও তার সহযোগী-ব্যবসায়ীরা ভারতে গরু আনতে যায়। ১২সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার করমুডাঙ্গা গ্রামের আফজাল হোসেনের পুত্র তোজাম্মেল হক(৩৫)নাজিমুলের পুত্র মন্টু (২৬) আলাউদ্দিনের পুত্র সোলাইমান আলী (২০) কাড়িয়াপাড়ার আঃ রউফ এর পুত্র আঃ নুর ভারতীয় ১২ গরু সহ বাংলাদেশের ২৪০ নং মেইন পিলার এর ৪০০ গজ ভিতরে হাঁড়িপাল নামক গ্রামে আসলে শুল্ককর বিট  আদায় মালিকের পক্ষে কাউয়াভাসা গ্রামের আলহাজ্ব তৈমুর আলীর পুত্র মনিরুল ইসলাম বাইপাসের নামে অতিরিক্ত টাকা চাহিলে তারা ক্যাম্পের মাধ্যমে বিটে কাজ করার কথা জানায় । যার ফলে বিটমালিক জিল্লুর রহমান নিদ্দেশে ঐ কুচক্রি মহলের মনিরুল ইসলাম এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে সিমান্ত ফাঁড়ী ক্যাম্পের হাবিলদার আব্দুল ওয়াহেদকে চুপিসারে জানিয়ে দিলে সে তার সঙ্গীয় ফোর্র্স সহ অভিযান চালিয়ে আটক করে।
আটককৃত গরুর মূল্য আনুমানিক ৬,৬৫,০০০/- (ছয় লক্ষ পঁয়ষট্টি) হাজার টাকা মাত্র। এ বিষয়ে সাপাহার থানায় করমুডাঙ্গা সিমান্ত ফাঁড়ী ক্যাম্পের হাবিলদার আব্দুল ওয়াহেদ বাদী হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-বি এর ১(বি) ধারা মতে মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং ৪ সাপা/১৩/৯/২০১৭। আসলে সে গরু বৈধ ভাবে আনা হচ্ছিল বলে দাবি করেন আওয়াল হোসেন। গরু আনার আগের দিন ও আসার পথে ব্যবসায়ীরা বিট মালিকের সদস্য মোকলেছুর রহমানের সাথে যোগাযোগ রেখে তার অনুমতি সাপেক্ষেই গরু নিয়ে আসেন বলে জানিয়েছেন আওয়াল হোসেন। সামান্য কিছু টাকার জন্য দ্বন্দ্ব কোন্দল লাগিয়ে গরীব গরু ব্যবসায়ীদের  বেশ কয়েক লক্ষ টাকা ক্ষতির সম্মুখে ফেলেছে ওই অর্থলোভী ও স্বার্থান্বেসী বিট মালিক জিল্লুর রহমান ও তার সহযোগীরা। শুধু মাত্র তাই নয় চারজন গরু ব্যবসায়ীকে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন আওয়াল হোসেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ