ঢাকা, মঙ্গলবার 3 October 2017, ১৮ আশ্বিন ১৪২8, ১২ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নিখোঁজ নাসিরের লাশ উদ্ধার অসুস্থ অনিকের হার্ট এ্যাটাক

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা : মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের পদ্মার শাখা নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ মো. নাসিরের লাশ উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার সকালে ১৫-১৬ কি.মিটার ভাটিতে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার হাসাইল ইউনিয়নের পদ্মা নদীর চরের পার হতে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। গত তিন দিন ধরে খোজাঁখোজিকালে শুক্রবার সকালে টঙ্গীবাড়ির পদ্মা নদীতে নাসিরের বাবা সাহেদ আলী স্বজনদের নিয়ে যখন নাসিরের সন্ধ্যান করছিল, তখন একদল জেলেকে দেখে তারা জিঞ্জেস করে পদ্মায় কোন লাশ ভাসতে দেখেছে কিনা। জেলেরা জানায় হাসাইলের পদ্মার চরের পারে একটি লাশ পরে আছে। পরে নাসিরের বাবা মো. সাহেদ আলী মিস্ত্রি সেখানে গিয়ে নাসিরের লাশ শনাক্ত করে। উল্লেখ্য গত বুধবার নাসিরও তার অপর দুই বন্ধু মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের পদ্মার শাখা নদীতে গোসলকরতে গেলে মো. নাসির (২০) নিখোঁজ হয়। এ সময় অসুস্থ্য হয়ে পড়ে অপর দুই বন্ধু মো. অনিক (১৮) ও মো. শাহীন (১৭)। নিহত অনিক উপজেলার পাইকারা গ্রামের মো. সাহেদ আলী মিস্ত্রির ছেলে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে ওই তিন বন্ধু মিলে বাড়ির কাছের ব্রাহ্মনগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের অঙ্গিনায় ফুটবল খেলছিল। খেলা শেষে বেলা ১২ টার দিকে তারা তিন বন্ধু মিলে বিদ্যালয় সংলগ্ন পদ্মার শাখা নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় ২ শ’ মিটার দূরে নাব্যতা সংকটে আটকে পড়া একটি বালুবাহী ট্রলারে উঠতে তারা সাঁতার কাটতে শুরু করে।  ট্রলারটির কাছাকাছি যাবার পর তিন বন্ধুই ক্লান্ত হতে চিৎকার শুরু করে। এ সময় ট্রলারে থাকা শ্রমিকরা তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসে। অনিক ও শাহীনকে শ্রমিকরা উদ্ধার করতে পারলেও স্রোতের তানে নাসির পদ্মার পানিতে ডুবে যায়। ফায়র সার্ভিসের ডুবরিরাও নাসিরকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। উদ্ধার হওয়া অনিক ও শাহীনকে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ